HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক
তানজিম বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ খ্যাত দেশের বাসিন্দা। সে সূর্যোদয়ের দেশে পড়াশুনা করতে গিয়ে সে দেশের বসতির ধরন ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা দেখে বিমোহিত হয়।
Dhaka · 2017
ক
পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মহাদেশের নাম কী?
উত্তর
পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশের নাম আফ্রিকা।
খ
রাজনৈতিক অঞ্চল বলতে কি বোঝ? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর
রাজনৈতিক অঞ্চলের মুখ্য উপাদান হচ্ছে রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এমন ভূখণ্ড। এখানে ভূখণ্ড বলতে কেবল স্থলভাগকে বোঝায় না বরং জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষের বিভিন্ন পরিসরকে বোঝায়। সুতরাং রাজনৈতিক পরিচিতি রয়েছে ভূপৃষ্ঠের এমন অংশবিশেষকে রাজনৈতিক অঞ্চল বলে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের ভ্রমণকৃত দেশের বসতির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের ভ্রমণকৃত দেশটি সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত অর্থাৎ জাপান। পৃথিবীর শিল্পোন্নত এ দেশটিতে নগর বসতির প্রাধান্য দেখা যায়। এরূপ বসতির বৈশিষ্ট্য-
i. অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অকৃষিকাজে নিয়োজিত। যেমন- চাকরি।
ii. অধিবাসীরা দ্রব্যাদির শিল্পজাতকরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, প্রশাসন, শিক্ষা ও সেবা সংক্রান্ত প্রভৃতি পেশায় নিয়োজিত।
iii. পাকা রাস্তাঘাটের প্রাধান্য রয়েছে।
iv. পাকা দালানকোঠা ও আকাশচুম্বী অট্টালিকার অস্তিত্ব।
V. বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, নার্সিংহোম, পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রের উপস্থিতি।
Vi. বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য বসতি নানা অংশে বিভক্ত। যেমন- কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা (CBD)।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের নিজ দেশে ও ভ্রমণকৃত দেশের শিল্প পরিবেশের তুলনামূলক আলোচনা করো।
উত্তর
তানজিমের নিজ দেশ হলো বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ খ্যাত বাংলাদেশ। তার ভ্রমণকৃত দেশ হচ্ছে জাপান।
বাংলাদেশ ও জাপানের শিল্প পরিবেশের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। বস্তুত জাপান পৃথিবীর অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ উন্নয়নের নিমিত্তে শিল্পকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যদিও দেশটি কৃষি প্রধান। জাপানের লোকসংখ্যার তুলনায় কৃষিকাজের উপযোগী ভূমির পরিমাণ কম। এ দুই ভৌগোলিক উপাদান (জনসংখ্যা ও ভূমির অপর্যাপ্ততা) জাপানকে শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত করেছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে শিল্প প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ। যেমন- প্রচুর জলবিদ্যুৎ শক্তি, কঠোর পরিশ্রম উপযোগী নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু, সমুদ্র সান্নিধ্য, ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের সহযোগী হিসেবে বৃহৎ যন্ত্রশিল্প, দক্ষ কারিগর, সুলভ শ্রমিক, কারিগরি জ্ঞান প্রভৃতি।
বাংলাদেশ শিল্পের প্রসারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিন্তু অধিক জনসংখ্যা থাকলেও কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতার অভাবে দেশ পিছিয়ে রয়েছে। উপরন্তু কৃষি অনুকূল ভূমি ও জলবায়ু দেশটিকে কৃষিপ্রধান করে রেখেছে। তাই শিল্প স্থাপনের যথেষ্ট ভূমি এখানে সহজপ্রাপ্য নয়। এছাড়া খনিজ ও শক্তি সম্পদেরও অপর্যাপ্ততা রয়েছে। তবে এত প্রতিবন্ধকতার পরও দেশটি বর্তমানে শিল্পের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে দেশটি ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে। দেশটির শিল্পের বিকাশে অনুকূল যে পরিবেশ রয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, সমুদ্র পরিবহন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশ, সুলভ শ্রমিক ইত্যাদি।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো
