Chapter 1 : মানব ভূগোল Geography 2nd Paper

HSC Geography 2nd Paper এর Chapter 1 : মানব ভূগোল অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৮৬

প্রশ্ন

Geography 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তানজিম বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ খ্যাত দেশের বাসিন্দা। সে সূর্যোদয়ের দেশে পড়াশুনা করতে গিয়ে সে দেশের বসতির ধরন ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা দেখে বিমোহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মহাদেশের নাম কী?

উত্তর

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশের নাম আফ্রিকা।
খ
রাজনৈতিক অঞ্চল বলতে কি বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রাজনৈতিক অঞ্চলের মুখ্য উপাদান হচ্ছে রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এমন ভূখণ্ড। এখানে ভূখণ্ড বলতে কেবল স্থলভাগকে বোঝায় না বরং জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষের বিভিন্ন পরিসরকে বোঝায়। সুতরাং রাজনৈতিক পরিচিতি রয়েছে ভূপৃষ্ঠের এমন অংশবিশেষকে রাজনৈতিক অঞ্চল বলে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের ভ্রমণকৃত দেশের বসতির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের ভ্রমণকৃত দেশটি সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত অর্থাৎ জাপান। পৃথিবীর শিল্পোন্নত এ দেশটিতে নগর বসতির প্রাধান্য দেখা যায়। এরূপ বসতির বৈশিষ্ট্য- i. অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অকৃষিকাজে নিয়োজিত। যেমন- চাকরি। ii. অধিবাসীরা দ্রব্যাদির শিল্পজাতকরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, প্রশাসন, শিক্ষা ও সেবা সংক্রান্ত প্রভৃতি পেশায় নিয়োজিত। iii. পাকা রাস্তাঘাটের প্রাধান্য রয়েছে। iv. পাকা দালানকোঠা ও আকাশচুম্বী অট্টালিকার অস্তিত্ব। V. বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, নার্সিংহোম, পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রের উপস্থিতি। Vi. বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য বসতি নানা অংশে বিভক্ত। যেমন- কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা (CBD)।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের নিজ দেশে ও ভ্রমণকৃত দেশের শিল্প পরিবেশের তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

তানজিমের নিজ দেশ হলো বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ খ্যাত বাংলাদেশ। তার ভ্রমণকৃত দেশ হচ্ছে জাপান। বাংলাদেশ ও জাপানের শিল্প পরিবেশের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। বস্তুত জাপান পৃথিবীর অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ উন্নয়নের নিমিত্তে শিল্পকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যদিও দেশটি কৃষি প্রধান। জাপানের লোকসংখ্যার তুলনায় কৃষিকাজের উপযোগী ভূমির পরিমাণ কম। এ দুই ভৌগোলিক উপাদান (জনসংখ্যা ও ভূমির অপর্যাপ্ততা) জাপানকে শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত করেছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে শিল্প প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ। যেমন- প্রচুর জলবিদ্যুৎ শক্তি, কঠোর পরিশ্রম উপযোগী নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু, সমুদ্র সান্নিধ্য, ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের সহযোগী হিসেবে বৃহৎ যন্ত্রশিল্প, দক্ষ কারিগর, সুলভ শ্রমিক, কারিগরি জ্ঞান প্রভৃতি। বাংলাদেশ শিল্পের প্রসারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিন্তু অধিক জনসংখ্যা থাকলেও কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতার অভাবে দেশ পিছিয়ে রয়েছে। উপরন্তু কৃষি অনুকূল ভূমি ও জলবায়ু দেশটিকে কৃষিপ্রধান করে রেখেছে। তাই শিল্প স্থাপনের যথেষ্ট ভূমি এখানে সহজপ্রাপ্য নয়। এছাড়া খনিজ ও শক্তি সম্পদেরও অপর্যাপ্ততা রয়েছে। তবে এত প্রতিবন্ধকতার পরও দেশটি বর্তমানে শিল্পের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে দেশটি ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে। দেশটির শিল্পের বিকাশে অনুকূল যে পরিবেশ রয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, সমুদ্র পরিবহন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশ, সুলভ শ্রমিক ইত্যাদি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তানজিম বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ খ্যাত দেশের বাসিন্দা। সে সূর্যোদয়ের দেশে পড়াশুনা করতে গিয়ে সে দেশের বসতির ধরন ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা দেখে বিমোহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মহাদেশের নাম কী?

উত্তর

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশের নাম আফ্রিকা।
খ
রাজনৈতিক অঞ্চল বলতে কি বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রাজনৈতিক অঞ্চলের মুখ্য উপাদান হচ্ছে রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এমন ভূখণ্ড। এখানে ভূখণ্ড বলতে কেবল স্থলভাগকে বোঝায় না বরং জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষের বিভিন্ন পরিসরকে বোঝায়। সুতরাং রাজনৈতিক পরিচিতি রয়েছে ভূপৃষ্ঠের এমন অংশবিশেষকে রাজনৈতিক অঞ্চল বলে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের ভ্রমণকৃত দেশের বসতির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের ভ্রমণকৃত দেশটি সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত অর্থাৎ জাপান। পৃথিবীর শিল্পোন্নত এ দেশটিতে নগর বসতির প্রাধান্য দেখা যায়। এরূপ বসতির বৈশিষ্ট্য- i. অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অকৃষিকাজে নিয়োজিত। যেমন- চাকরি। ii. অধিবাসীরা দ্রব্যাদির শিল্পজাতকরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, প্রশাসন, শিক্ষা ও সেবা সংক্রান্ত প্রভৃতি পেশায় নিয়োজিত। iii. পাকা রাস্তাঘাটের প্রাধান্য রয়েছে। iv. পাকা দালানকোঠা ও আকাশচুম্বী অট্টালিকার অস্তিত্ব। V. বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, নার্সিংহোম, পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রের উপস্থিতি। Vi. বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য বসতি নানা অংশে বিভক্ত। যেমন- কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা (CBD)।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত তানজিমের নিজ দেশে ও ভ্রমণকৃত দেশের শিল্প পরিবেশের তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

তানজিমের নিজ দেশ হলো বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ খ্যাত বাংলাদেশ। তার ভ্রমণকৃত দেশ হচ্ছে জাপান। বাংলাদেশ ও জাপানের শিল্প পরিবেশের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। বস্তুত জাপান পৃথিবীর অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ উন্নয়নের নিমিত্তে শিল্পকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যদিও দেশটি কৃষি প্রধান। জাপানের লোকসংখ্যার তুলনায় কৃষিকাজের উপযোগী ভূমির পরিমাণ কম। এ দুই ভৌগোলিক উপাদান (জনসংখ্যা ও ভূমির অপর্যাপ্ততা) জাপানকে শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত করেছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে শিল্প প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ। যেমন- প্রচুর জলবিদ্যুৎ শক্তি, কঠোর পরিশ্রম উপযোগী নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু, সমুদ্র সান্নিধ্য, ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের সহযোগী হিসেবে বৃহৎ যন্ত্রশিল্প, দক্ষ কারিগর, সুলভ শ্রমিক, কারিগরি জ্ঞান প্রভৃতি। বাংলাদেশ শিল্পের প্রসারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিন্তু অধিক জনসংখ্যা থাকলেও কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতার অভাবে দেশ পিছিয়ে রয়েছে। উপরন্তু কৃষি অনুকূল ভূমি ও জলবায়ু দেশটিকে কৃষিপ্রধান করে রেখেছে। তাই শিল্প স্থাপনের যথেষ্ট ভূমি এখানে সহজপ্রাপ্য নয়। এছাড়া খনিজ ও শক্তি সম্পদেরও অপর্যাপ্ততা রয়েছে। তবে এত প্রতিবন্ধকতার পরও দেশটি বর্তমানে শিল্পের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে দেশটি ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে। দেশটির শিল্পের বিকাশে অনুকূল যে পরিবেশ রয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ, সমুদ্র পরিবহন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশ, সুলভ শ্রমিক ইত্যাদি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাহী দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্গত একটি কৃষিপ্রধান দেশের অধিবাসী। দেশটির দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং এর তিনদিক ঘিরে রয়েছে অন্য একটি বৃহৎ দেশ। আয়তনে ক্ষুদ্র হলেও বিশাল জনসংখ্যার এই দেশটি বৈচিত্র্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন।

Rajshahi · 2018

ক
এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত বৃহত্তম দেশের নাম কী?

উত্তর

এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত বৃহত্তম দেশ হলো চীন।
খ
মানব ভূগোলের শাখা হিসেবে অর্থনৈতিক ভূগোলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের বিকাশ, বিস্তার ও ক্রমবিবর্তন এবং প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে এর কার্যকরণ সম্পর্কের বিচার-বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করাই অর্থনৈতিক ভূগোল। অর্থনৈতিক ভূগোল মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা এ শাখায় আলোচনা করা হয়; যেমন- ব্যবসায়-বাণিজ্য। পণ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়-বাণিজ্য, বাণিজ্যকেন্দ্র, বাণিজ্য পথ, ব্যবসায়-বাণিজ্যের পরিমাণ, পশ্চাদ্ভূমি প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা অর্থনৈতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশের পূর্ণপৃষ্ঠাব্যাপী মানচিত্র অঙ্কনপূর্বক প্রশাসনিক বিভাগসমূহ চিহ্নিত কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশ বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কনপূর্বক প্রশাসনিক বিভাগসমূহ চিহ্নিত করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশের সাথে সীমান্তবর্তী দেশের প্রধান প্রধান প্রশাসনিক বিষয়াবলির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশটি হলো বাংলাদেশ। আর সীমান্তবর্তী দেশ হলো ভারত। দুই দেশের মধ্যে প্রশাসনিকভাবে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। নিচে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো- বাংলাদেশের প্রায়। তিনদিকেই ভারত। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪৭১১.১৮ কি.মি.। এটি এশিয়া মহাদেশে দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত। মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.। মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬,৫১,৫৮৬১৬ জন। বাংলাদেশে বর্তমানে ৮টি প্রশাসনিক বিভাগ আছে। যথা- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ এ ৮টি বিভাগে ৬৪টি জেলা রয়েছে। ঢাকা বিভাগে ১৩টি, রাজশাহী বিভাগে ৮টি, রংপুর বিভাগে ৮টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১টি, খুলনা বিভাগে ১০টি, বরিশাল বিভাগে ৬টি, সিলেট বিভাগে ৪টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪টি জেলা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে ৬৫২টি থানা, ৪,৫৫৪টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৬৭,১৯১টি গ্রাম, ১২ সিটি কর্পোরেশন এবং ৩২৮টি পৌরসভা রয়েছে। অন্যদিকে, ভারত এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশের মধ্য উপদ্বীপে অবস্থিত। এর মোট আয়তন প্রায় ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গ কি.মি.। ভারতের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১,৩৬,৯৭,৮৮,৭৪৪ জন (প্রায়)। বর্তমানে ভারতে ২৮ অঙ্গরাজ্য, ১টি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল, ৬টি কেন্দ্র শাসিত রাজ্য নিয়ে গঠিত। ভারতের রাজধানী হলো নয়াদিল্লি। আয়তনের দিক দিয়ে ভারত বাংলাদেশ থেকে কয়েকগুণ বড় এবং ভারতের জনসংখ্যাও অনেক বেশি। তাই প্রশাসনিকভাবে এ দুই দেশের অবকাঠামো ভিন্নরূপে গঠিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাহী দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্গত একটি কৃষিপ্রধান দেশের অধিবাসী। দেশটির দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং এর তিনদিক ঘিরে রয়েছে অন্য একটি বৃহৎ দেশ। আয়তনে ক্ষুদ্র হলেও বিশাল জনসংখ্যার এই দেশটি বৈচিত্র্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন।

Rajshahi · 2018

ক
এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত বৃহত্তম দেশের নাম কী?

উত্তর

এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত বৃহত্তম দেশ হলো চীন।
খ
মানব ভূগোলের শাখা হিসেবে অর্থনৈতিক ভূগোলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের বিকাশ, বিস্তার ও ক্রমবিবর্তন এবং প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে এর কার্যকরণ সম্পর্কের বিচার-বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করাই অর্থনৈতিক ভূগোল। অর্থনৈতিক ভূগোল মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা এ শাখায় আলোচনা করা হয়; যেমন- ব্যবসায়-বাণিজ্য। পণ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়-বাণিজ্য, বাণিজ্যকেন্দ্র, বাণিজ্য পথ, ব্যবসায়-বাণিজ্যের পরিমাণ, পশ্চাদ্ভূমি প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা অর্থনৈতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশের পূর্ণপৃষ্ঠাব্যাপী মানচিত্র অঙ্কনপূর্বক প্রশাসনিক বিভাগসমূহ চিহ্নিত কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশ বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কনপূর্বক প্রশাসনিক বিভাগসমূহ চিহ্নিত করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশের সাথে সীমান্তবর্তী দেশের প্রধান প্রধান প্রশাসনিক বিষয়াবলির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহীর দেশটি হলো বাংলাদেশ। আর সীমান্তবর্তী দেশ হলো ভারত। দুই দেশের মধ্যে প্রশাসনিকভাবে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। নিচে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রশাসনিক বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো- বাংলাদেশের প্রায়। তিনদিকেই ভারত। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪৭১১.১৮ কি.মি.। এটি এশিয়া মহাদেশে দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত। মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.। মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬,৫১,৫৮৬১৬ জন। বাংলাদেশে বর্তমানে ৮টি প্রশাসনিক বিভাগ আছে। যথা- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ এ ৮টি বিভাগে ৬৪টি জেলা রয়েছে। ঢাকা বিভাগে ১৩টি, রাজশাহী বিভাগে ৮টি, রংপুর বিভাগে ৮টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১টি, খুলনা বিভাগে ১০টি, বরিশাল বিভাগে ৬টি, সিলেট বিভাগে ৪টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪টি জেলা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে ৬৫২টি থানা, ৪,৫৫৪টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৬৭,১৯১টি গ্রাম, ১২ সিটি কর্পোরেশন এবং ৩২৮টি পৌরসভা রয়েছে। অন্যদিকে, ভারত এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশের মধ্য উপদ্বীপে অবস্থিত। এর মোট আয়তন প্রায় ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গ কি.মি.। ভারতের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১,৩৬,৯৭,৮৮,৭৪৪ জন (প্রায়)। বর্তমানে ভারতে ২৮ অঙ্গরাজ্য, ১টি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল, ৬টি কেন্দ্র শাসিত রাজ্য নিয়ে গঠিত। ভারতের রাজধানী হলো নয়াদিল্লি। আয়তনের দিক দিয়ে ভারত বাংলাদেশ থেকে কয়েকগুণ বড় এবং ভারতের জনসংখ্যাও অনেক বেশি। তাই প্রশাসনিকভাবে এ দুই দেশের অবকাঠামো ভিন্নরূপে গঠিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাজিদ বাংলাদেশ হতে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত ৫০টি অঙ্গরাজ্য বিশিষ্ট একটি উন্নত দেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছে। সে ঐ দেশের উন্নত বসতি, অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা দেখে বিস্মিত হলো।

Dhaka · 2018

ক
মানব ভূগোল কাকে বলে?

উত্তর

মানুষের কর্মকাণ্ড ও গুণাবলির সাথে ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যকার সম্পর্কের প্রকৃতি ও বিন্যাস নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে মানব ভূগোল বলে।
খ
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬০৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত শাখার শ্রেণিবিভাগ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো হলো উন্নত বসতি, অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা যা যথাক্রমে মানব ভূগোল শাখার বসতি ভূগোল, পরিবহন ভূগোল ও কৃষি ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত। মানব ভূগোলের একটি উল্লেখযোগ্য শাখা হচ্ছে বসতি ভূগোল। প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে আধুনিক গ্রামীণ ও নগর বসতির উদ্ভব কীভাবে হলো তা এ শাখায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যেমন- বসতির ধরন, বিন্যাস, গ্রামীণ বসতি ও শহুরে বসতির মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য, নগরায়ণের ধারা, মানচিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বসতি চিহ্নিতকরণ প্রভৃতি বিষয়গুলো এ শাখার আওতাভুক্ত। পরিবহন ভূগোল মানব ভূগোলের একটি শাখা। এখানে বিশ্বব্যাপী পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থার ওপর ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব, সমুদ্রবন্দর, নৌবন্দর গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ, অর্থনৈতিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব প্রভৃতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায় পরিবহন ভূগোল পাঠের মাধ্যমে। কৃষি ভূগোলও মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। বর্তমানকালে উন্নত প্রযুক্তির কারণে কৃষির কলেবর বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কৃষি ভূগোল পাঠ অত্যন্ত জরুরি। এ শাখায় কৃষিকাজের ভূগোলিক নিয়ামক, বিশ্বব্যাপী কৃষি উপকরণ (ধান, গম, আখ, চা)-এর উৎপাদন, নিয়ামক, বণ্টন ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ভূগোলের নির্দিষ্ট শাখায় শ্রেণিবিভক্ত করা হয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশ দুটির তুলনামূলক ভৌগোলিক অবস্থা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশ দুটি হলো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। উভয়ই উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত হলেও দেশ দুটির অবস্থানগত ভিন্নতা রয়েছে। এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে বাংলাদেশ অবস্থিত। এটা প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর হতে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা হতে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা চলে গেছে; ফলে এ দেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ (জলপাইগুড়ি জেলা), মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান ভিন্ন। বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রথম স্থানের অধিকারী যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং একটি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্টের সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্র গঠিত। যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরে কানাডা এবং দক্ষিণে মেক্সিকো অবস্থিত। আলাস্কা ব্যতীত যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান ২৭০° উত্তর থেকে ৫০° উত্তর (প্রায়) অক্ষাংশ এবং ৬৮° পশ্চিম থেকে ১২২° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ। তাই বলা যায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থানগত বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাজিদ বাংলাদেশ হতে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত ৫০টি অঙ্গরাজ্য বিশিষ্ট একটি উন্নত দেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছে। সে ঐ দেশের উন্নত বসতি, অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা দেখে বিস্মিত হলো।

Dhaka · 2018

ক
মানব ভূগোল কাকে বলে?

উত্তর

মানুষের কর্মকাণ্ড ও গুণাবলির সাথে ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যকার সম্পর্কের প্রকৃতি ও বিন্যাস নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে মানব ভূগোল বলে।
খ
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬০৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত শাখার শ্রেণিবিভাগ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো হলো উন্নত বসতি, অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা যা যথাক্রমে মানব ভূগোল শাখার বসতি ভূগোল, পরিবহন ভূগোল ও কৃষি ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত। মানব ভূগোলের একটি উল্লেখযোগ্য শাখা হচ্ছে বসতি ভূগোল। প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে আধুনিক গ্রামীণ ও নগর বসতির উদ্ভব কীভাবে হলো তা এ শাখায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যেমন- বসতির ধরন, বিন্যাস, গ্রামীণ বসতি ও শহুরে বসতির মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য, নগরায়ণের ধারা, মানচিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বসতি চিহ্নিতকরণ প্রভৃতি বিষয়গুলো এ শাখার আওতাভুক্ত। পরিবহন ভূগোল মানব ভূগোলের একটি শাখা। এখানে বিশ্বব্যাপী পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থার ওপর ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব, সমুদ্রবন্দর, নৌবন্দর গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ, অর্থনৈতিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব প্রভৃতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায় পরিবহন ভূগোল পাঠের মাধ্যমে। কৃষি ভূগোলও মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। বর্তমানকালে উন্নত প্রযুক্তির কারণে কৃষির কলেবর বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কৃষি ভূগোল পাঠ অত্যন্ত জরুরি। এ শাখায় কৃষিকাজের ভূগোলিক নিয়ামক, বিশ্বব্যাপী কৃষি উপকরণ (ধান, গম, আখ, চা)-এর উৎপাদন, নিয়ামক, বণ্টন ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ভূগোলের নির্দিষ্ট শাখায় শ্রেণিবিভক্ত করা হয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশ দুটির তুলনামূলক ভৌগোলিক অবস্থা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশ দুটি হলো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। উভয়ই উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত হলেও দেশ দুটির অবস্থানগত ভিন্নতা রয়েছে। এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে বাংলাদেশ অবস্থিত। এটা প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর হতে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা হতে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা চলে গেছে; ফলে এ দেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ (জলপাইগুড়ি জেলা), মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান ভিন্ন। বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রথম স্থানের অধিকারী যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং একটি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্টের সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্র গঠিত। যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরে কানাডা এবং দক্ষিণে মেক্সিকো অবস্থিত। আলাস্কা ব্যতীত যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান ২৭০° উত্তর থেকে ৫০° উত্তর (প্রায়) অক্ষাংশ এবং ৬৮° পশ্চিম থেকে ১২২° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ। তাই বলা যায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থানগত বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো