মানুষের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে পানি দূষণ ঘটে থাকে। তাই মানুষই পারে এসব দূষণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। পানি দূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো নিম্নরূপ:
শিল্প-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য নদী-নালা ও অন্যান্য জলাশয়ে না ফেলা। শিল্প-কারখানার দূষিত অপ্রয়োজনীয় তরল বর্জ্য, পয়ঃপ্রণালি, গৃহস্থালির আবর্জনা ও ময়লা নদীতে নিষ্কাশনের পূর্বে যথাযথভাবে শোধন করা। কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, আগাছানাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার সীমিত রাখা এবং এদের ব্যবহারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা। পানিতে তেল নিষ্কাশন বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। পুকুরসহ অন্যান্য আবস্থ জলাশয়ে গোসল ও কাপড় কাচা বন্ধ রাখা। জলাশয়, খাল-বিল যাতে কচুরিপানা ও ভাসমান শৈবালে ভরে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখা। খনিজ বর্জ্য যাতে নদী ও সমুদ্রের পানিতে শোধনপূর্বক নির্গত না হয়, সেদিকে সজাগ সৃষ্টি রাখা। পরিবেশ বিষয়ক কঠোর আইন প্রণয়ন করা ও তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা। স্কুল কলেজে শিক্ষা ও রেডিও, টেলিভিশন পত্রিকার মাধ্যমে ব্যাপক হারে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।
সুতরাং বলা যায়, উল্লিখিত বিষয়গুলোর প্রতি সঠিকভাবে দৃষ্টি দিলে পানি দূষণ প্রতিরোধ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে।