'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে 'খ' অঞ্চলই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত।
'ক' অঞ্চলটিতে যেহেতু মৃত্তিকা লাল ও ধূসর বর্ণের এবং বনজ সম্পদ শাল ও কড়ই দেখানো হয়েছে তা প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। আর 'খ' অঞ্চলটিতে পলি ও কর্দম এবং সুন্দরি ও গেওয়া বৃক্ষ দেখানো হয়েছে তা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত।
ছকের 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে 'খ' অঞ্চল হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত স্রোতজ বনভূমি অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। এ সমভূমি বাংলাদেশের অসংখ্য ছোট বড় নদীর দ্বারা বাহিত পলি দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। আর 'ক' অঞ্চলটি বরেন্দ্রভূমি, ভাওয়াল গড়, লালমাই পাহাড়, মধুপুর অঞ্চল প্লাইস্টোসিনকালের সোপানের অন্তর্গত।
ছকের 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে 'খ' অঞ্চল হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। 'খ' অঞ্চল হলো স্রোতজ বনভূমি অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ-নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। 'ক' অঞ্চটি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত, এটি এ প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত নয়। এ অঞ্চলটি অসংখ্য ছোট বড় নদী দ্বারা সৃষ্ট সমভূমি। বরেন্দ্রভূমি, লালমাই পাহাড়, মধুপুর, ভাওয়াল গড় প্রভৃতি প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ। কিন্তু পাদদেশীয়, বদ্বীপ, স্রোতজ, উপকূলীয় ইত্যাদি 'খ' অঞ্চলের অন্তর্গত। এগুলো নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। এরূপ ভূমিগুলো খুবই উর্বর এবং কৃষিকাজের উপযোগী।