জীবজগতে ইউনিট-২ এর চক্রটি কীভাবে সম্পন্ন হয় বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে ইউনিট ২ এর চক্রটি কার্বন চক্র। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল হতে মুক্ত CO₂ গ্রহণ করে এবং জটিল শর্করা তৈরি করে। [চিত্র] এসব সবুজ উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে শাক্যশী প্রাণী এবং এসব প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে মাংসাশী প্রাণী। এভাবে উদ্ভিদ হতে প্রাণিদেহে শর্করা স্থানান্তরিত হয়। এসব শর্করা (C6H12O6) উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে। আবার কিছু সংখ্যক অণুজীব (ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া) উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহকে পচন ঘটিয়ে পচনশীল জৈব শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO₂ গ্যাস তৈরি করে। এভাবে উৎপন্ন CO₂ পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়। জলজ প্রাণী যেমন- শামুক, ঝিনুক ইত্যাদির খোলক কার্বনেট দিয়ে গঠিত। উক্ত প্রাণীদের মৃত্যুর পর নানা প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং পানিতে মিশে যায়। ফলে CO₂ জ্বালানিরূপে দহন ক্রিয়ায় CO₂ গ্যাসরূপে পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়। সুতরাং বায়ুমূণ্ডল থেকে জীবদেহে, এবং জীবদেহ থেকে বায়ুমণ্ডলে কার্বন CO₂ গ্যাসরূপে চক্রাকারে আবর্তন ঘটে। এ আবর্তনই কার্বন চক্র। কার্বন ছাড়া কোনো জৈব পদার্থ তৈরি হতে পারে না। সুতরাং কার্বন ছাড়া জীবন সম্ভব নয়। তাই দেখা যাচ্ছে, উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য কার্বন চক্রের ওপর নির্ভরশীল।
HSC Geography 1st Paper Chapter 9 : জীবমণ্ডল CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 9 : জীবমণ্ডল · সৃজনশীল
জীবজগতে ইউনিট-২ এর চক্রটি কীভাবে সম্পন্ন হয় বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এসব সবুজ উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে শাক্যশী প্রাণী এবং এসব প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে মাংসাশী প্রাণী। এভাবে উদ্ভিদ হতে প্রাণিদেহে শর্করা স্থানান্তরিত হয়। এসব শর্করা (C6H12O6) উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে। আবার কিছু সংখ্যক অণুজীব (ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া) উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহকে পচন ঘটিয়ে পচনশীল জৈব শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO₂ গ্যাস তৈরি করে। এভাবে উৎপন্ন CO₂ পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়। জলজ প্রাণী যেমন- শামুক, ঝিনুক ইত্যাদির খোলক কার্বনেট দিয়ে গঠিত। উক্ত প্রাণীদের মৃত্যুর পর নানা প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং পানিতে মিশে যায়। ফলে CO₂ জ্বালানিরূপে দহন ক্রিয়ায় CO₂ গ্যাসরূপে পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়।
সুতরাং বায়ুমূণ্ডল থেকে জীবদেহে, এবং জীবদেহ থেকে বায়ুমণ্ডলে কার্বন CO₂ গ্যাসরূপে চক্রাকারে আবর্তন ঘটে। এ আবর্তনই কার্বন চক্র। কার্বন ছাড়া কোনো জৈব পদার্থ তৈরি হতে পারে না। সুতরাং কার্বন ছাড়া জীবন সম্ভব নয়। তাই দেখা যাচ্ছে, উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য কার্বন চক্রের ওপর নির্ভরশীল।