য মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে পানি দূষণ ঘটে থাকে। তাই মানুষই পারে এসব দূষণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। পানি দূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো নিম্নরূপ:
১. বিষাক্ত বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ: শিল্প-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য নদী-নালা ও অন্যান্য জলাশয়ে না ফেলা।
২. বর্জ্য ও আবর্জনা শোধন: শিল্প-কারখানার দূষিত অপ্রয়োজনীয় তরল বর্জ্য, পয়ঃপ্রণালি, গৃহস্থালির আবর্জনা ও ময়লা নদীতে নিষ্কাশনের পূর্বে যথাযথভাবে শোধন করা।
৩. কীটনাশক সারের নিয়ন্ত্রণ: কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, আগাছানাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার সীমিত রাখা এবং এদের ব্যবহারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা।
৪. তেল নিষ্কাশন নিয়ন্ত্রণ: পানিতে তেল নিষ্কাশন বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
৫. জলাশয়ে গোসল ও কাপড় কাচা বন্ধ রাখা: পুকুরসহ অন্যান্য আবদ্ধ জলাশয়ে গোসল ও কাপড় কাচা বন্ধ রাখা।
৬. কচুরিপানা ও শৈবাল নিয়ন্ত্রণ: জলাশয়, খাল-বিল যাতে কচুরিপানা ও ভাসমান শৈবালে ভরে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখা।
৭. খনিজ পদার্থের নিয়ন্ত্রণ: খনিজ বর্জ্য যাতে নদী ও সমুদ্রের পানিতে শোধনপূর্বক নির্গত না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা।
৮. আইন প্রয়োগ: পরিবেশ বিষয়ক কঠোর আইন প্রণয়ন করা ও তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
৯. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: স্কুল কলেজে শিক্ষা ও রেডিও, টেলিভিশন পত্রিকার মাধ্যমে ব্যাপক হারে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।
সুতরাং, বলা যায় উল্লিখিত বিষয়গুলোর প্রতি সঠিকভাবে দৃষ্টি দিলে পানি দূষণ প্রতিরোধ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে।