উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত শাখাটি হলো মানব ভূগোল। উক্ত শাখাটির শ্রেণিবিভাগ ব্যাখ্যা করা হলো-
মানুষের সাথে সম্পর্কিত মানব ভূগোলের এই শাখাটি নানা উপশাখায় বিভক্ত। যেমন- অর্থনৈতিক ভূগোল, জনসংখ্যা ভূগোল, কৃষি ভূগোল, পরিবেশগত ভূগোল, বসতি ভূগোল, সমাজবিজ্ঞানীয় ভূগোল, পরিবহন ভূগোল, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নৃ-ভূগোল, চিকিৎসা ভূগোল, ঐতিহাসিক ভূগোল, রাজনৈতিক ভূগোল, সাংস্কৃতিক ভূগোল, আঞ্চলিক ভূগোল, নগর ভূগোল, মানচিত্রাঙ্কন ভূগোল, শিল্প ভূগোল, ব্যবহারিক ভূগোল প্রভৃতি মানব ভূগোলের উপশাখা। উক্ত শাখাগুলো হতে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মানুষ ও পৃথিবী হলো উক্ত শাখাগুলোর মূল উপাদান। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি এলাকার কৃষিক্ষেত্র কেমন তার উপর ভিত্তি করে সে এলাকার জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় তা মানব ভূগোলের উল্লিখিত শাখাগুলো ব্যাখ্যা করে। আবার একটি এলাকার খনিজ সম্পদ কতটুকু তার উপর ভিত্তি করে শিল্প গড়ে ওঠে এবং সেখানকার পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় যা উপরের মানব ভূগোলের বেশ কয়টি শাখার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়। এছাড়া একটা এলাকায় নগর ব্যবস্থা কেমন এবং তার উপর ভিত্তি করে সেখানকার বসতি গড়ে ওঠে তা মানব ভূগোলের উল্লিখিত উপশাখায় ব্যাখ্যা করা হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, মানব ভূগোলের উল্লিখিত শাখাগুলোর বিস্তৃতি ব্যাপক। উক্ত শাখাগুলোর মাধ্যমে মানুষ ও পৃথিবীর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন উপাদান বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা যায়।