উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যে মানবজীবনে মানব ভূগোলের গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে। নিচে এর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হলো-
মানব ভূগোলের জ্ঞান মানুষকে তার পরিবেশ ও মানুষের সাথে পরিবেশের মিথষ্ক্রিয়া সম্বন্ধে সঠিক ধারণা দেয়। অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে মানুষকে সচেতন করে তোলে। পৃথিবীর কৃষিকাজ, সম্পদের বণ্টন, পরিমাণ, উৎপাদন, বাণিজ্য পরিবেশের নিয়ন্ত্রণেই সংরক্ষণ হয়ে থাকে। এছাড়াও শিল্প, শিল্পায়ন, শিল্পকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাষাবাদ প্রভৃতি কাজকর্ম কোথায় কোন পরিবেশে লাভজনকভাবে গড়ে তোলা যায়, তার জন্য আঞ্চলিক সুযোগ-সুবিধা কেমন, সে ব্যাপারে মানব ভূগোল ধারণা দেয়। পরিবেশের সাথে মানুষের সম্পর্কের ভিত্তিতে পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা, জনবসতি, হাট-বাজার, নগর, নগরায়ণ, জনসংখ্যার জনমিতিক উপাদান, বৈশিষ্ট্য, বণ্টন, অভিগমন, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ইত্যাদি সার্বিক ক্ষেত্রে মানব ভূগোলের গুরুত্ব অপরিসীম।
উদ্দীপকের সেমিনারে বক্তারা পরিবেশ ও মানুষের কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন। অর্থাৎ সেমিনারের বিষয়বস্তু ও আলোচনা মানব ভূগোলকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। এ আলোচনা উপরে বর্ণিত বিষয়বস্তুকেই সমর্থন করে। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, মানবজীবনে মানব ভূগোলের অধ্যয়ন অতীব জরুরি অর্থাৎ উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।