উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো হলো উন্নত বসতি, অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা যা যথাক্রমে মানব ভূগোল শাখার বসতি ভূগোল, পরিবহন ভূগোল ও কৃষি ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত।
মানব ভূগোলের একটি উল্লেখযোগ্য শাখা হচ্ছে বসতি ভূগোল। প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে আধুনিক গ্রামীণ ও নগর বসতির উদ্ভব কীভাবে হলো তা এ শাখায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যেমন- বসতির ধরন, বিন্যাস, গ্রামীণ বসতি ও শহুরে বসতির মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য, নগরায়ণের ধারা, মানচিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বসতি চিহ্নিতকরণ প্রভৃতি বিষয়গুলো এ শাখার আওতাভুক্ত।
পরিবহন ভূগোল মানব ভূগোলের একটি শাখা। এখানে বিশ্বব্যাপী পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থার ওপর ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব, সমুদ্রবন্দর, নৌবন্দর গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ, অর্থনৈতিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব প্রভৃতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায় পরিবহন ভূগোল পাঠের মাধ্যমে। কৃষি ভূগোলও মানব ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। বর্তমানকালে উন্নত প্রযুক্তির কারণে কৃষির কলেবর বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কৃষি ভূগোল পাঠ অত্যন্ত জরুরি। এ শাখায় কৃষিকাজের ভূগোলিক নিয়ামক, বিশ্বব্যাপী কৃষি উপকরণ (ধান, গম, আখ, চা)-এর উৎপাদন, নিয়ামক, বণ্টন ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ভূগোলের নির্দিষ্ট শাখায় শ্রেণিবিভক্ত করা হয়েছে।