উদ্দীপকে উল্লিখিত ঝড় দুটি বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে একে অপর থেকে ভিন্ন-- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখকৃত ঝড় দুটি হলো কালবৈশাখী ঝড় এবং টনের্ডো। কালবৈশাখী ঝড় ও টর্নেডোকে বায়ুমণ্ডলীয় গোলযোগ বলা হয়। বায়ুমণ্ডলে বায়ুর তাপ ও চাপের অনিয়মিত পার্থক্যের কারণে গোলযোগ দেখা দেয়। বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালের শুরুতে স্বল্প পরিসরে স্বল্প সময় ব্যাপ্তি বজ্র-বিদ্যুৎসহ একপ্রকার প্রবল ঝড় আঘাত হেনে থাকে যাকে স্থানীয়ভাবে কালবৈশাখী বলে। অপরদিকে, লঘু বা নিম্নচাপ কেন্দ্র থেকে উষ্ণ বাতাস উপরে উঠে গেলে ঐ শূন্য জায়গা পূরণের জন্য শীতল বাতাস প্রচন্ড বেগে ধাবিত হয়; এটিই টর্নেডো। বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা উর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত ব্যাপৃত থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়ে কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টি করে। অপরদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের মতো টর্নেডোর জন্যও লঘু বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়াই প্রধান কারণ। এর ফলে উষ্ণ বাতাস উপরে উঠে যায় এবং ঐ শূন্য জায়গা পূরণের জন্য শীতল বাতাস প্রচণ্ড বেগে ঐ শূন্য জায়গার দিকে ধাবিত হয়। ফলশ্রুতিতে টর্নেডো সৃষ্টি হয়। কালবৈশাখী ঝড়ের গতি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০ হতে ৮০ কি.মি. হয়ে থাকে। অনেক সময় এ ঝড়ের গতি গণ্টায় ১২৮ কি.মি. এরও বেশি হয়ে থাকে। টর্নেডোর ক্ষেত্রে বাতাসের গতিবেগ সাইক্লোনের চেয়ে বেশি হয় এবং তা সাধারণত ঘণ্টায় ১০০-৪৮০ কি.মি. হতে পারে। টর্নেডোর বিস্তার মাত্র কয়েক মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৫-৩০ কি.মি. হতে পারে। আলোচনা থেকে বলা যায়, কালবৈশাখী ও টর্নেডো ভিন্ন প্রকৃতির।
HSC Geography 1st Paper Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঝড় দুটি বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে একে অপর থেকে ভিন্ন-…
উদ্দীপক
সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


