Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৩১

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
নিয়ত বায়ু কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠের উচ্চচাপ হতে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে যে বায়ু সারা বছর নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
খ
নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো স্থানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। সাগরে বৃষ্টিপাতের ফলে তা সুপ্ততাপ ছেড়ে দেয়। যা বাষ্পীভবন বাড়িয়ে দেয়। আবার এই সুপ্ততাপের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি করে।
গ
উদ্দীপকের 'ক' বায়ুপ্রবাহের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' বায়ুপ্রবাহটি হলো উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু যা এক প্রকার নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। নিয়ত বায়ু প্রবাহের কারণ হলো বায়ুর চাপ বলয়ের অবস্থান। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ ও কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থানের কারণে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ুপ্রবাহ সংঘটিত হয়ে থাকে। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণ করে যাতায়াত করত বলে একে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' বায়ুপ্রবাহদ্বয় যথাক্রমে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু। নিম্নে এ দুটি বায়ু প্রবাহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো: উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু: i. উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ১৬ কি. মি. বেগে প্রবাহিত হয়। ii. এ বায়ু নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী হলে অত্যধিক তাপে উষ্ণ ও হালকা হয়ে উর্ধ্বে উঠে যায়। iii. এ বায়ুর প্রভাবে নিরক্ষরেখার উভয়দিকে শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়। iv. শীতকালে এ বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ বেশি থাকে। উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু: i. ইউরোপীয় নাবিকগণ উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ুকে 'প্রবল বায়ু' বলে থাকে। ii. ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরে এ বায়ু ৪০০ থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে বেশ জোরে গর্জন করতে করতে প্রবাহিত হয় বলে একে গর্জনশীল চল্লিশা বলে। iii. উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মহাদেশগুলোর পশ্চিম উপকূলে বৃষ্টিপাত হয়। iv. শীতকালে পানি অপেক্ষা স্থলভাগ বেশি ঠান্ডা থাকে বলে এ বায়ুতে শীতকালে অধিক বৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায়, অয়ন বায়ু যেমন নিয়ত প্রবাহমান, পশ্চিমা বায়ু তেমন নয়। নানারূপ স্থানীয় কারণে এ বায়ু প্রবাহের সাময়িক পরিবর্তন ঘটে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
নিয়ত বায়ু কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠের উচ্চচাপ হতে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে যে বায়ু সারা বছর নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
খ
নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো স্থানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। সাগরে বৃষ্টিপাতের ফলে তা সুপ্ততাপ ছেড়ে দেয়। যা বাষ্পীভবন বাড়িয়ে দেয়। আবার এই সুপ্ততাপের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি করে।
গ
উদ্দীপকের 'ক' বায়ুপ্রবাহের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' বায়ুপ্রবাহটি হলো উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু যা এক প্রকার নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। নিয়ত বায়ু প্রবাহের কারণ হলো বায়ুর চাপ বলয়ের অবস্থান। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ ও কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থানের কারণে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ুপ্রবাহ সংঘটিত হয়ে থাকে। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণ করে যাতায়াত করত বলে একে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' বায়ুপ্রবাহদ্বয় যথাক্রমে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু। নিম্নে এ দুটি বায়ু প্রবাহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো: উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু: i. উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ১৬ কি. মি. বেগে প্রবাহিত হয়। ii. এ বায়ু নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী হলে অত্যধিক তাপে উষ্ণ ও হালকা হয়ে উর্ধ্বে উঠে যায়। iii. এ বায়ুর প্রভাবে নিরক্ষরেখার উভয়দিকে শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়। iv. শীতকালে এ বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ বেশি থাকে। উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু: i. ইউরোপীয় নাবিকগণ উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ুকে 'প্রবল বায়ু' বলে থাকে। ii. ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরে এ বায়ু ৪০০ থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে বেশ জোরে গর্জন করতে করতে প্রবাহিত হয় বলে একে গর্জনশীল চল্লিশা বলে। iii. উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মহাদেশগুলোর পশ্চিম উপকূলে বৃষ্টিপাত হয়। iv. শীতকালে পানি অপেক্ষা স্থলভাগ বেশি ঠান্ডা থাকে বলে এ বায়ুতে শীতকালে অধিক বৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায়, অয়ন বায়ু যেমন নিয়ত প্রবাহমান, পশ্চিমা বায়ু তেমন নয়। নানারূপ স্থানীয় কারণে এ বায়ু প্রবাহের সাময়িক পরিবর্তন ঘটে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হাসান সাহেব একটি দেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ডিসেম্বর মাসে যোগদান করতে এসে দেখলেন ঠাণ্ডা মোটেই নেই এবং প্রায় প্রতিদিন বিকেলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়। তিনি আরো জানতে পারলেন জলবায়ু অনুকূলে থাকায় এখানে রাবার ও পাম গাছ ভালো জন্মে।

Dhaka · 2017

ক
বৃষ্টিপাতের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

মেঘ ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় পানি বিন্দুতে পরিণত হয়ে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসাকে বৃষ্টিপাত বলে।
খ
আবহাওয়ার উপাদান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে। আবহাওয়ার উপাদান বলতে বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ু প্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদিকে বোঝায়। কোনো স্থানের আবহাওয়ার উপাদানগুলো সব সময় পরিবর্তনশীল।
গ
উদ্দীপকে আলোচিত দেশটির জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত দেশটি নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। নিরক্ষরেখার উভয় পার্শ্বে ৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে জলবায়ু পরিলক্ষিত হয় তাকে নিরক্ষীয় জলবায়ু বলে। নিরক্ষীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ- i. সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়ায় দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান। ii. ঋতু পরিবর্তন দেখা যায় না। iii. সারা বছর পরিচলন প্রক্রিয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় ও অধিক উত্তাপ থাকে। iv. বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২২০-৩৪° সেলসিয়াস। v. বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ১৭০-২৫০ সে.মি.। vi. সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপের পার্থক্য সাধারণত কম থাকে।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটির উদ্ভিজ্জের উপর জলবায়ুর প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত। নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত ও অধিক তাপের জন্য চিরহরিৎ পত্রযুক্ত বৃক্ষের গভীর বনের সৃষ্টি হয়েছে। এ বন এত গভীর যে, সূর্যরশ্মি পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে না। ফলে গাছগুলো খুব উঁচু হয়। এসব বৃক্ষে নিচের দিকে কোনো শাখা-প্রশাখা গজায় না কিন্তু উপরের দিকে ছাতার আকারে ঘন পত্ররাজি বিরাজ করে। সারা বছর এ বনাঞ্চলের বৃক্ষগুলোতে নতুন পাতা গজায়। এ অঞ্চলের বৃক্ষগুলোর মধ্যে সেগুন, মেহগনি, রাবার, পাম, চন্দন প্রভৃতি প্রধান। অধিক তাপমাত্রা ও প্রচুর বৃষ্টিপাত এ অঞ্চলে বড় বড় গাছ জন্মানোর অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সারা বছরই উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিরাজ করে বলে এ অঞ্চলের গাছের পাতা একসাথে ঝরে পড়ে না। এ কারণে নিরক্ষীয় অঞ্চলের বৃক্ষগুলো চিরহরিৎ শ্রেণির। সুতরাং নিরক্ষীয় অঞ্চলের উদ্ভিজ্জের উপর জলবায়ুর প্রভাব লক্ষণীয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

হাসান সাহেব একটি দেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ডিসেম্বর মাসে যোগদান করতে এসে দেখলেন ঠাণ্ডা মোটেই নেই এবং প্রায় প্রতিদিন বিকেলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়। তিনি আরো জানতে পারলেন জলবায়ু অনুকূলে থাকায় এখানে রাবার ও পাম গাছ ভালো জন্মে।

Dhaka · 2017

ক
বৃষ্টিপাতের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

মেঘ ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় পানি বিন্দুতে পরিণত হয়ে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসাকে বৃষ্টিপাত বলে।
খ
আবহাওয়ার উপাদান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে। আবহাওয়ার উপাদান বলতে বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ু প্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদিকে বোঝায়। কোনো স্থানের আবহাওয়ার উপাদানগুলো সব সময় পরিবর্তনশীল।
গ
উদ্দীপকে আলোচিত দেশটির জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত দেশটি নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। নিরক্ষরেখার উভয় পার্শ্বে ৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে জলবায়ু পরিলক্ষিত হয় তাকে নিরক্ষীয় জলবায়ু বলে। নিরক্ষীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ- i. সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়ায় দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান। ii. ঋতু পরিবর্তন দেখা যায় না। iii. সারা বছর পরিচলন প্রক্রিয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় ও অধিক উত্তাপ থাকে। iv. বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২২০-৩৪° সেলসিয়াস। v. বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ১৭০-২৫০ সে.মি.। vi. সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপের পার্থক্য সাধারণত কম থাকে।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটির উদ্ভিজ্জের উপর জলবায়ুর প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত। নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত ও অধিক তাপের জন্য চিরহরিৎ পত্রযুক্ত বৃক্ষের গভীর বনের সৃষ্টি হয়েছে। এ বন এত গভীর যে, সূর্যরশ্মি পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে না। ফলে গাছগুলো খুব উঁচু হয়। এসব বৃক্ষে নিচের দিকে কোনো শাখা-প্রশাখা গজায় না কিন্তু উপরের দিকে ছাতার আকারে ঘন পত্ররাজি বিরাজ করে। সারা বছর এ বনাঞ্চলের বৃক্ষগুলোতে নতুন পাতা গজায়। এ অঞ্চলের বৃক্ষগুলোর মধ্যে সেগুন, মেহগনি, রাবার, পাম, চন্দন প্রভৃতি প্রধান। অধিক তাপমাত্রা ও প্রচুর বৃষ্টিপাত এ অঞ্চলে বড় বড় গাছ জন্মানোর অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সারা বছরই উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিরাজ করে বলে এ অঞ্চলের গাছের পাতা একসাথে ঝরে পড়ে না। এ কারণে নিরক্ষীয় অঞ্চলের বৃক্ষগুলো চিরহরিৎ শ্রেণির। সুতরাং নিরক্ষীয় অঞ্চলের উদ্ভিজ্জের উপর জলবায়ুর প্রভাব লক্ষণীয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী মুনিয়া গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশে চাচার বাসায় বেড়াতে আসেন। সেখানে এসে দেখতে পান প্রতিদিন বজ্রসহ ঝড়, আবার ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টি। মুনিয়া তার চাচার কাছে এ বজ্রঝড় সম্পর্কে জানতে চাইল।

Rajshahi · 2018

ক
নিরক্ষীয় শান্ত বলয় কাকে বলে?

উত্তর

নিরক্ষরেখা হতে ৫° থেকে ১০° অক্ষাংশের মধ্যে যে বলয় অবস্থিত তাকে নিরক্ষীয় শান্ত বলয় বলে।.
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমুদ্রস্রোত উৎপত্তির জন্য প্রধান কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। প্রবল নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় সমুদ্রের উপরের স্তরের পানিরাশিকে একই দিকে চালিত করে। অয়ন বায়ু প্রবাহিত এলাকায় সমুদ্রস্রোত পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে এবং পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত এলাকায় সমুদ্রস্রোত 'পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। এভাবে সমুদ্রস্রোত সৃষ্টিতে বায়ুপ্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দুর্যোগ সংঘটনের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দুর্যোগটি হলো কালবৈশাখী ঝড়। এটি বাংলাদেশে সংঘটিত একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সাধারণত বৈশাখ মাসে এ ঝড় সংঘটিত হয় বলে একে কালবৈশাখী বলে। বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হওয়ার প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ। কারণ নিম্নচাপের কারণে উষ্ণ বাতাস উপরে উঠে যায়। তখন শূন্যস্থান পূরণের জন্য চারিদিক থেকে শীতল বায়ু প্রচণ্ড বেগে ফাঁকা স্থানের দিকে অগ্রসর হয়। ফলে দুই বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহের মিলনস্থলে বজ্রবিদ্যুৎসহ কালবৈশাখী ঝড়ের উৎপত্তি হয়। সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিক হতে এ ঝড়ের উৎপত্তি হয়। সুতরাং বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহের ফলে উদ্দীপকে উল্লিখিত কালবৈশাখি ঝড়ের সৃষ্টি হয়।
ঘ
মুনিয়ার বসবাসকৃত দেশ ও চাচার, বসবাসকৃত দেশের জলবায়ুর তারতম্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মুনিয়ার বসবাসকৃত অঞ্চলটি হলো মালয়েশিয়া যেখানে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান এবং তার চাচার বসবাসকৃত অঞ্চল হলো বাংলাদেশ যেখানে মৌসুমি জলবায়ু বিদ্যমান। গঠনগত ও অঞ্চলগত ভিন্নতার কারণে এ দুই ধরনের জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। সাধারণত বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি উপাদানের ওপর ভিত্তি করে একটি অঞ্চলের জলবায়ু নিরূপণ করা যায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং দিবাভাগের দৈর্ঘ্য সারাবছর প্রায় সমান থাকে বলে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা সারাবছরই অধিক থাকে এবং বিভিন্ন মাসের মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য খুবই কম হয়ে থাকে। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা সাধারণত ২২°- ৩৪° সে. পর্যন্ত। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগ অধিক হওয়ায় এবং প্রচণ্ড উত্তাপ থাকায় সারাদিনই সূর্যের তাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে উপরে উঠতে থাকে এবং ঊর্ধ্বে প্রসারিত ও শীতল হয়ে অপরাহ্নে পরিচলন প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে বৃষ্টিপাত ঘটায়। মালয়েশিয়ায় নিরক্ষরীয় জলবায়ু বিরাজ করে তাই এ অঞ্চলেও উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ বিদ্যমান। এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৫০ সে.মি. এর মতো। অন্যদিকে মৌসুমি জলবায়ু একটি বৈচিত্র্যময় অনিয়মিত ও অনিশ্চিত বৃষ্টিপাতের জলবায়ু। শীত ও গ্রীষ্ম ঋতুতে স্থলভাগ ও 'জলভাগের উপরে বায়ুর উষ্ণতা ও চাপের পার্থক্য থেকে মূলত এ জলবায়ুর উৎপত্তি। গ্রীষ্মকালে সমুদ্র ভাগ হতে আর্দ্র মৌসুমি বায়ু এবং শীতকালে স্থলভাগ হতে শুষ্ক মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। ফলে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে সাধারণত শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় না এবং অধিক শুষ্ক থাকে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এখানে বায়ুপ্রবাহের গতি ও দিকের পরিবর্তন হয়। তাই বলা যায়, নিরক্ষীয় জলবায়ু ও মৌসুমি জলবায়ুর মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। অর্থাৎ মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের জলবায়ুর মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী মুনিয়া গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশে চাচার বাসায় বেড়াতে আসেন। সেখানে এসে দেখতে পান প্রতিদিন বজ্রসহ ঝড়, আবার ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টি। মুনিয়া তার চাচার কাছে এ বজ্রঝড় সম্পর্কে জানতে চাইল।

Rajshahi · 2018

ক
নিরক্ষীয় শান্ত বলয় কাকে বলে?

উত্তর

নিরক্ষরেখা হতে ৫° থেকে ১০° অক্ষাংশের মধ্যে যে বলয় অবস্থিত তাকে নিরক্ষীয় শান্ত বলয় বলে।.
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমুদ্রস্রোত উৎপত্তির জন্য প্রধান কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। প্রবল নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় সমুদ্রের উপরের স্তরের পানিরাশিকে একই দিকে চালিত করে। অয়ন বায়ু প্রবাহিত এলাকায় সমুদ্রস্রোত পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে এবং পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত এলাকায় সমুদ্রস্রোত 'পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। এভাবে সমুদ্রস্রোত সৃষ্টিতে বায়ুপ্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দুর্যোগ সংঘটনের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দুর্যোগটি হলো কালবৈশাখী ঝড়। এটি বাংলাদেশে সংঘটিত একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সাধারণত বৈশাখ মাসে এ ঝড় সংঘটিত হয় বলে একে কালবৈশাখী বলে। বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হওয়ার প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ। কারণ নিম্নচাপের কারণে উষ্ণ বাতাস উপরে উঠে যায়। তখন শূন্যস্থান পূরণের জন্য চারিদিক থেকে শীতল বায়ু প্রচণ্ড বেগে ফাঁকা স্থানের দিকে অগ্রসর হয়। ফলে দুই বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহের মিলনস্থলে বজ্রবিদ্যুৎসহ কালবৈশাখী ঝড়ের উৎপত্তি হয়। সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিক হতে এ ঝড়ের উৎপত্তি হয়। সুতরাং বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহের ফলে উদ্দীপকে উল্লিখিত কালবৈশাখি ঝড়ের সৃষ্টি হয়।
ঘ
মুনিয়ার বসবাসকৃত দেশ ও চাচার, বসবাসকৃত দেশের জলবায়ুর তারতম্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মুনিয়ার বসবাসকৃত অঞ্চলটি হলো মালয়েশিয়া যেখানে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান এবং তার চাচার বসবাসকৃত অঞ্চল হলো বাংলাদেশ যেখানে মৌসুমি জলবায়ু বিদ্যমান। গঠনগত ও অঞ্চলগত ভিন্নতার কারণে এ দুই ধরনের জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। সাধারণত বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতি উপাদানের ওপর ভিত্তি করে একটি অঞ্চলের জলবায়ু নিরূপণ করা যায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং দিবাভাগের দৈর্ঘ্য সারাবছর প্রায় সমান থাকে বলে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা সারাবছরই অধিক থাকে এবং বিভিন্ন মাসের মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য খুবই কম হয়ে থাকে। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা সাধারণত ২২°- ৩৪° সে. পর্যন্ত। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগ অধিক হওয়ায় এবং প্রচণ্ড উত্তাপ থাকায় সারাদিনই সূর্যের তাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে উপরে উঠতে থাকে এবং ঊর্ধ্বে প্রসারিত ও শীতল হয়ে অপরাহ্নে পরিচলন প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে বৃষ্টিপাত ঘটায়। মালয়েশিয়ায় নিরক্ষরীয় জলবায়ু বিরাজ করে তাই এ অঞ্চলেও উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ বিদ্যমান। এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৫০ সে.মি. এর মতো। অন্যদিকে মৌসুমি জলবায়ু একটি বৈচিত্র্যময় অনিয়মিত ও অনিশ্চিত বৃষ্টিপাতের জলবায়ু। শীত ও গ্রীষ্ম ঋতুতে স্থলভাগ ও 'জলভাগের উপরে বায়ুর উষ্ণতা ও চাপের পার্থক্য থেকে মূলত এ জলবায়ুর উৎপত্তি। গ্রীষ্মকালে সমুদ্র ভাগ হতে আর্দ্র মৌসুমি বায়ু এবং শীতকালে স্থলভাগ হতে শুষ্ক মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। ফলে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে সাধারণত শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় না এবং অধিক শুষ্ক থাকে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এখানে বায়ুপ্রবাহের গতি ও দিকের পরিবর্তন হয়। তাই বলা যায়, নিরক্ষীয় জলবায়ু ও মৌসুমি জলবায়ুর মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। অর্থাৎ মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের জলবায়ুর মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো