উল্লিখিত বায়ুপ্রবাহ আগমনের পূর্বে ও পরের বৃষ্টিপাত ধরনের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উল্লিখিত বায়ুপ্রবাহ তথা মৌসুমি বায়ু আগমনের পূর্বে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে বায়ুপ্রাচীরজনিত বা সংঘর্ষ এবং পরে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত দেখা যায়, নিচে শৈলোৎক্ষেপ ও বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ুর গতিপথে পর্বত থাকলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বৃষ্টিপাত হয়। শৈল বা পাহাড় দ্বারা উৎক্ষিপ্ত হয়ে বৃষ্টিপাত হয় বলে একে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে। সমুদ্র উপকূলের নিকটবর্তী অঞ্চলে পাহাড়, পর্বত, মালভূমি থাকলে নিকটবর্তী উষ্ণসমুদ্র থেকে আগত জলীয়বাষ্পৃর্ণ বায়ু এই উচ্চভূমিতে ধাক্কা খায় এবং ওপরে উঠতে থাকলে শীতল এবং ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই অংশকে প্রতিবাত পার্শ্ব বলে। উচ্চ ভূমি অতিক্রম করে বায়ু অপর পার্শ্বে অর্থাৎ অনুবাত পার্শ্বে পৌঁছলে এতে জলীয়বাষ্প আর থাকে না বলে বৃষ্টি খুব কম হয়। এ অঞ্চলকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে । পর্বতের অনুবাত পার্শ্বের বৃষ্টিচ্ছায় সাধারণভাবে শুষ্ক বা প্রায় শুষ্ক অঞ্চল। অপরদিকে, শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু ও শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ু প্রাচীরের সৃষ্টি করে। বায়ু প্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়। এতে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে। এই বৃষ্টিপাতকে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টিপাত বলে। শীতল বায়ুপ্রাচীরের ঢাল অপেক্ষাকৃত খাড়া হয়। ফলে বায়ু প্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় মেঘ ও বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্র সংকীর্ণ হয়ে যায়। আবার উষ্ণ বায়ু প্রাচীরের ক্ষেত্রে বিপরীত অবস্থা ঘটে। উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, সমুদ্র তীরবর্তী উষ্ণমণ্ডলীয় পাহাড়ি অঞ্চল শৈলোৎক্ষেপ এবং নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টিপাতপ্রবণ অঞ্চল।
HSC Geography 1st Paper Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক · সৃজনশীল
উল্লিখিত বায়ুপ্রবাহ আগমনের পূর্বে ও পরের বৃষ্টিপাত ধরনের তুলনামূলক…
উদ্দীপক
Comilla · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


