ঘূর্ণিঝড় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ঘূর্ণিঝড় সাধারণত গভীর সমুদ্রে সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণিঝড় প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও উর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। বাংলাদেশে সাধারণত আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ে এ দুর্যোগ হয় বলে একে সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।
HSC Geography 1st Paper Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক · সৃজনশীল
ঘূর্ণিঝড় ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক

ঢাকা সিটি কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। পর্বতের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়াবিশিষ্ট হয়। কিছু পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে আবার কিছু পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে।
পর্বতকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়াও ভিন্ন।
ভঙ্গিল পর্বত: সমুদ্র তলদেশের বিস্তারিত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। পরবর্তীতে ভূমিকম্পের ফলে ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাজের সৃষ্টি হয়। এ সমস্ত ভাজবিশিষ্ট ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যেমন— হিমালয়।
আগ্নেয় পর্বত: আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। এই পর্বত মোচাকৃতির (conical) হয়ে থাকে। যেমন- ইতালির ভিসুভিয়াস।
স্তূপ পর্বত: ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। ফলে ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়। এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুতির মাধ্যমে কোথাও উঁচু, আবার কোথাও নিচু হয়। চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। যেমন- জার্মানির ব্লাক ফরেস্ট।
ল্যাকোলিথ পর্বত: পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে গলিত ম্যাগমা বিভিন্ন গ্যাসের দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে আসার সময় বাধা পেয়ে ভূত্বকের নিচে জমাট বাঁধে। এ সময় ঊর্ধ্বমুখী চাপের কারণে স্ফীত হয়ে ভূত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে। এভাবে সৃষ্ট পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে। যেমন— যুক্তরাষ্ট্রের হেরি।

