উদ্দীপকের সংগঠনের কার্যক্রম সমাজে অনাচার, অন্যায় প্রতিরোধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রভাব ফেলে।
হিলফুল ফুজুলের মাধ্যমে সমাজে অশান্তি দূর হয়, মজলুমরা জালিমদের হাত থেকে মুক্তি পায় এবং ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলো হিলফুল ফুজুল। উদ্দীপকের ফাহিম যেমন অন্বেষা সংঘ গড়ে তোলার মাধ্যমে যুবকদের সামাজিক অনাচার থেকে দূরে রেখে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শৃঙ্খলা আনয়নে ভূমিকা পালন করে। তেমনিভাবে রাসূল (সা.) হিলফুল ফুজুলের মাধ্যমে সমাজে শান্তি আনয়ন করেন। রাসুল (সা.) সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবায়েরকে নিয়ে হিলফুল ফুজুল নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এ সংগঠনের কার্যাবলি সম্পাদনে মহানবি (সা.) গুরুত্বপূর্ণ । ভূমিকা পালন করেন। এ সংঘের মূল উদ্দেশ্য ছিল- ক. দেশে শান্তি- শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা, খ. বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সম্ভাব স্থাপন ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করা, গ. অত্যাচারিতকে অত্যাচারীর হাত থেকে রক্ষা করা, ঘ. দুর্বল, অসহায় ও এতিমদের সাহায্য করা, ঙ. বিদেশি বণিকদের জান ও মালের নিরাপত্তা বিধান করা এবং চ. সকল প্রকার অন্যায় ও অবিচার অবসানের চেষ্টা করা। সৈয়দ আমীর আলী বলেন, “এই ফুজুল সংঘ দুর্বল ও মজলুম মানুষের স্বার্থ সংরক্ষণে প্রভৃত শক্তি সঞ্চার করেছিল এবং প্রথম বর্ষেই এটির হস্তক্ষেপে ভীতি প্রদর্শন বন্ধ, বলশালীর আইন-শৃঙ্খলা লঙ্ঘন দমন এবং সহায়হীনের প্রতি অন্যায়ের প্রতিকার বিধানে অগ্রগতি সাধিত হয়েছিল।"
পরিশেষে বলা যায়, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, যৌন হয়রানি রোধ, জুলুমের অবসান ও শৃঙ্খলা আনয়নে এরূপ সংগঠন ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে।