সংবিধান প্রণয়নে উদ্দীপকের সরকার প্রধান মহানবী (সাঃ) এর যে যে কর্মকান্ডকে অনুসরণ করে নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : মদিনায় হিজরতের পর মহানবী (সা.) মদিনায় বিরাজমান অশান্তি এবং বিশৃঙ্খলা দেখে মদিনা রাষ্ট্রকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংবিধান প্রণয়ন করেন। উদ্দীপকেও মালয়েশিয়ার সদ্য স্বাধীন হওয়ায় তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার ছিলনা কোন সুস্পষ্ট বিধান। তাই তারা রাষ্ট্রকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংবিধান প্রণয়ন করেন। মহানবীর হিজরত কালীন সময়ে মদিনায় সামাজিক বিশৃঙ্খলা ছিল। তখন মানুষের অধিকার নিশ্চিত হতো না। ক্ষমতাশালীরা দুর্বল, অসহায় ও এতিমদের উপর অত্যাচার চালাত। যার ফলে তখন মানুষের তেমন কোন অধিকার প্রতিষ্ঠিত ছিল না। তাই মহানবী মদিনা সনদের সকলের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। উদ্দীপকেও নাগরিকদের সামাজিক, রাজনৈতিক, দলীয় ও অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষা এবং সকল রাজনৈতিক দল তথা সম্প্রদায়কে একটি স্বাভাবিক পরিবেশে তাদের কর্ম পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে সংবিধান প্রণয়ন করেন। যেহেতু মদিনায় সে সময় গোত্রভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল, তাই মহানবী সকল গোত্র থেকেই তাদের প্রতিনিধি নিয়ে তাদের মতামতের সমন্বয়ে মদিনা সনদ প্রণয়ন করেন। উদ্দীপকেও রাষ্ট্রের অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ ও বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সংবিধানটি প্রণয়ন করা হয়েছে।উপর্যুক্ত আলোচনা অনুসারে বলা যায়, সংবিধান প্রণয়নে উদ্দীপকের সরকার মহানবীর রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা, সকল নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও সকলের মতামতের ভিত্তিতে সংবিধান প্রণয়নের কর্মকান্ডকে অনুসরণ করেছে।