রাকিব সাহেবের কথার সাথে মহানবি (সা.)-এর চরিত্রের সদাচরণ, সাম্য ও মহানুভবতার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ দেখা যায়, রাকিব সাহেব তার সন্তানদের উপদেশ দিলেন যে, তোমরা শ্রমিকের মজুরি ইনসাফের ভিত্তিতে যথাসময়ে প্রদান করবে। বাড়ির কাজের লোকদের প্রতি সদাচরণ করবে। যার সাথে মহানবি (সা.)-এর শ্রমিকের মর্যাদা ও মানুষের সাথে সাম্যের দিকটির মিল রয়েছে। দাসদাসী বা অধীনস্থদের সম্পর্কে সতর্ক হতে মহানবি (সা.) নির্দেশ করে বলেন, "তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, তাদের নির্যাতন করার অধিকার তোমাদের নেই। তোমরা যা খাবে ও পরবে, তাদেরকেও তা খাওয়াবে ও পরাবে।” এ থেকে ফুটে ওঠে যে, মালিক ও দাসদাসীদের খাবার-দাবার ও পোশাকের ব্যাপারে কোনো পার্থক্য থাকবে না। তাই আমাদের সকলের উচিত দাসদাসী বা অধীনস্থদের সাথে ভালো ব্যবহার করা। বিশ্বনবি (সা.) শ্রমিক ও মজুরদের অধিকার আদায়ের দাবি সম্পর্কেও সচেতন ছিলেন। উপযুক্ত মজুরি তাদের ভাগ্যে জুটত না। সামাজিকভাবে শ্রমিকরা ছিল নিগৃহীত। হুজুর (সা.) শ্রমিকদের সামাজিক মর্যাদা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ রক্তব্য রাখলেন। তিনি বললেন, "ঘাম শুকাবার আগেই শ্রমিককে তার পারিশ্রমিক দিয়ে দিতে হবে।"
অতএব রাকিব সাহেবের কথার মাধ্যমে মহানবি (সা.)-এর চরিত্রের সদাচরণ, সাম্য ও মহানুভবতার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।