দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত তালুকদার অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্ব এবং মজুমদার বহিঃমুখী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। নিচে অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্ব ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্বের তুলনা করা হলো-
অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বের লোকেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে।
বাইরের জগতের প্রতি এদের আকর্ষণ খুবই কম। এ জাতীয় লোকের বৈশিষ্ট্য হলো এরা খুব আত্মকেন্দ্রিক, বাহ্য বস্তুর প্রতি উদাসীন, আত্মসচেতন এবং স্বার্থপর। অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বের লোকেরা অত্যন্ত চিন্তাশীল, আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল হয়।
অন্যদিকে, বহির্মুখী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ব্যক্তিদের বাইরের জগতের প্রতি রয়েছে দুর্বার আকর্ষণ। এরা অন্যের সঙ্গে মিশতে এবং প্রাণ খুলে আনন্দ প্রকাশে আগ্রহী। বাইরের জগতের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে এরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। গৃহে বন্দী থাকতে এরা নারাজ। এরা খুবই সামাজিক এবং যেকোনো সামাজিক পরিবেশ এবং পরিস্থিতিতে এরা নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, তালুকদার অত্যন্ত মেধাবী এবং একজন গবেষক। তিনি অন্যদের সাথে খুব একটা মিশতে চান না। অর্থাৎ তালুকদার সাহেব অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। অন্যদিকে, মজুমদার অত্যন্ত মিশুক প্রকৃতির। তিনি সবসময়ই বন্ধুদের সাথে ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করেন। সুতরাং মজুমদার সাহেব একজন বহির্মুখী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ব্যক্তি।