Chittagong বোর্ড 2025 Bangla 1st Paper

Chittagong শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Bangla 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Chittagong

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেয়ের বিয়ে নিয়ে বাবার উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। সমাজ এখনও কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় এ নিয়ে পরপর চারবার বিয়ে ভেঙে যায়। তাই তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে নারীশিক্ষার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Chittagong · 2025

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি কার?

উত্তর

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি বিনু দাদার।
"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না।”- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না"- উক্তিটি শম্ভুনাথ সেনের আচরণের প্রেক্ষাপটে বর অনুপম নিজের সম্পর্কে বলেছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বিয়ের জন্য পাত্রী হিসেবে কল্যাণীকে ঠিক করা হয়। অনুপম সেই যুবক যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলেও ব্যক্তিত্বরহিত রয়ে গেছে। পরিবারতন্ত্রের কাছে সে অসহায় পুতুলমাত্র। যার ফলে তারই বিয়ে উপলক্ষ্যে যৌতুক নিয়ে তার মামা ও কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেনের মধ্যে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেলেও সে নীরব থেকেছে। ফলে শম্ভুনাথ সেন তার সাথে কোনো কথা না বলেই নীরব প্রতিবাদস্বরূপ বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন।
উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়। 'অপরিচিতা' গল্পে নারীর প্রতি সমাজের অনুদার ও হীন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করার দিকটি ফুটে উঠেছে। এ গল্পে কল্যাণীর বয়স পনেরো শুনে অনুপমের মামার মন ভার হয়ে যায়। আবার কনেপক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুকও দাবি করা হয়। উদ্দীপকের হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। এভাবে বিয়ে ভেঙে যাওয়া নারীর প্রতি সমাজের অনুদার দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে যা 'অপরিচিতা' গল্পেও ফুটে উঠেছে। এই গল্পে বিয়ের ক্ষেত্রে কনের বাবার কাছে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করা হয়। বরপক্ষের কাছে কনের চেয়ে কনের বাবার সহায়-সম্পত্তি বেশি গুরুত্ব পায়। আবার কনের বয়স পনেরো হলেও সেটি অনেক বেশি হিসেবে ধরা হয়। এমন মনোভাব মূলত নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গিকেই নির্দেশ করে যা উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

বক্তব্য বিষয়ের দিক থেকে বলা যায় "নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে সমাজে গেড়ে বসা অমানবিক যৌতুকপ্রথা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। পুরুষতন্ত্রের চাপিয়ে দেওয়া যৌতুক প্রথাকে কল্যাণী বা তার পিতা কেউ-ই মেনে নেননি। পিতা শম্ভুনাথ সেন এবং কন্যা কল্যাণীর স্বতন্ত্রবীক্ষা ও আচরণে ইতিবাচক এক নতুন সময়ের আবির্ভাবকে ইঙ্গিতবহ করে তুলেছে। উদ্দীপকের ঘটনাংশে দেখা যায়, হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ার কারণে পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারের কারণে সমাজ এখনো কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। বারবার অবহেলিত হয়ে তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে এবং নারীশিক্ষার উন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সমাজের প্রতিবন্ধকতা থেকেই তার ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটে এবং সে অন্যকেও সচেতন করে তুলতে চায়। 'অপরিচিতা' গল্পেও কল্যাণী চরিত্রে ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটতে দেখা যায়, যার অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে সমাজের কিছু লোভী মানুষের হীন মানসিকতা। 'অপরিচিতা' গল্পের ঘটনায় দেখা যায়, গল্পের নায়ক অনুপম বরযাত্রী নিয়ে কন্যা কল্যাণীর বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে যৌতুকপ্রথার নামে দর কষাকষি ক্ষনের বাবার দেওয়া গয়না সেকরা দিয়ে পরখ করানোর মতো জঘন্য মানসিকতা কল্যাণী বাতার পিতা শম্ভুনাথ সেন কারওই পছন্দ হয়নি। তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে এবং প্রতিবাদ স্বরূপ বিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই বলা যায়, নারীর প্রতি নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতাই তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটাতে সাহায্য করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেয়ের বিয়ে নিয়ে বাবার উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। সমাজ এখনও কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় এ নিয়ে পরপর চারবার বিয়ে ভেঙে যায়। তাই তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে নারীশিক্ষার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Chittagong · 2025

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি কার?

উত্তর

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি বিনু দাদার।
"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না।”- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না"- উক্তিটি শম্ভুনাথ সেনের আচরণের প্রেক্ষাপটে বর অনুপম নিজের সম্পর্কে বলেছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বিয়ের জন্য পাত্রী হিসেবে কল্যাণীকে ঠিক করা হয়। অনুপম সেই যুবক যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলেও ব্যক্তিত্বরহিত রয়ে গেছে। পরিবারতন্ত্রের কাছে সে অসহায় পুতুলমাত্র। যার ফলে তারই বিয়ে উপলক্ষ্যে যৌতুক নিয়ে তার মামা ও কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেনের মধ্যে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেলেও সে নীরব থেকেছে। ফলে শম্ভুনাথ সেন তার সাথে কোনো কথা না বলেই নীরব প্রতিবাদস্বরূপ বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন।
উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়। 'অপরিচিতা' গল্পে নারীর প্রতি সমাজের অনুদার ও হীন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করার দিকটি ফুটে উঠেছে। এ গল্পে কল্যাণীর বয়স পনেরো শুনে অনুপমের মামার মন ভার হয়ে যায়। আবার কনেপক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুকও দাবি করা হয়। উদ্দীপকের হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। এভাবে বিয়ে ভেঙে যাওয়া নারীর প্রতি সমাজের অনুদার দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে যা 'অপরিচিতা' গল্পেও ফুটে উঠেছে। এই গল্পে বিয়ের ক্ষেত্রে কনের বাবার কাছে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করা হয়। বরপক্ষের কাছে কনের চেয়ে কনের বাবার সহায়-সম্পত্তি বেশি গুরুত্ব পায়। আবার কনের বয়স পনেরো হলেও সেটি অনেক বেশি হিসেবে ধরা হয়। এমন মনোভাব মূলত নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গিকেই নির্দেশ করে যা উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

বক্তব্য বিষয়ের দিক থেকে বলা যায় "নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে সমাজে গেড়ে বসা অমানবিক যৌতুকপ্রথা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। পুরুষতন্ত্রের চাপিয়ে দেওয়া যৌতুক প্রথাকে কল্যাণী বা তার পিতা কেউ-ই মেনে নেননি। পিতা শম্ভুনাথ সেন এবং কন্যা কল্যাণীর স্বতন্ত্রবীক্ষা ও আচরণে ইতিবাচক এক নতুন সময়ের আবির্ভাবকে ইঙ্গিতবহ করে তুলেছে। উদ্দীপকের ঘটনাংশে দেখা যায়, হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ার কারণে পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারের কারণে সমাজ এখনো কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। বারবার অবহেলিত হয়ে তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে এবং নারীশিক্ষার উন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সমাজের প্রতিবন্ধকতা থেকেই তার ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটে এবং সে অন্যকেও সচেতন করে তুলতে চায়। 'অপরিচিতা' গল্পেও কল্যাণী চরিত্রে ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটতে দেখা যায়, যার অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে সমাজের কিছু লোভী মানুষের হীন মানসিকতা। 'অপরিচিতা' গল্পের ঘটনায় দেখা যায়, গল্পের নায়ক অনুপম বরযাত্রী নিয়ে কন্যা কল্যাণীর বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে যৌতুকপ্রথার নামে দর কষাকষি ক্ষনের বাবার দেওয়া গয়না সেকরা দিয়ে পরখ করানোর মতো জঘন্য মানসিকতা কল্যাণী বাতার পিতা শম্ভুনাথ সেন কারওই পছন্দ হয়নি। তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে এবং প্রতিবাদ স্বরূপ বিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই বলা যায়, নারীর প্রতি নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতাই তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটাতে সাহায্য করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেয়ের বিয়ে নিয়ে বাবার উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। সমাজ এখনও কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় এ নিয়ে পরপর চারবার বিয়ে ভেঙে যায়। তাই তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে নারীশিক্ষার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Chittagong · 2025

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি কার?

উত্তর

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি বিনু দাদার।
"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না।”- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না"- উক্তিটি শম্ভুনাথ সেনের আচরণের প্রেক্ষাপটে বর অনুপম নিজের সম্পর্কে বলেছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বিয়ের জন্য পাত্রী হিসেবে কল্যাণীকে ঠিক করা হয়। অনুপম সেই যুবক যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলেও ব্যক্তিত্বরহিত রয়ে গেছে। পরিবারতন্ত্রের কাছে সে অসহায় পুতুলমাত্র। যার ফলে তারই বিয়ে উপলক্ষ্যে যৌতুক নিয়ে তার মামা ও কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেনের মধ্যে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেলেও সে নীরব থেকেছে। ফলে শম্ভুনাথ সেন তার সাথে কোনো কথা না বলেই নীরব প্রতিবাদস্বরূপ বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন।
উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়। 'অপরিচিতা' গল্পে নারীর প্রতি সমাজের অনুদার ও হীন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করার দিকটি ফুটে উঠেছে। এ গল্পে কল্যাণীর বয়স পনেরো শুনে অনুপমের মামার মন ভার হয়ে যায়। আবার কনেপক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুকও দাবি করা হয়। উদ্দীপকের হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। এভাবে বিয়ে ভেঙে যাওয়া নারীর প্রতি সমাজের অনুদার দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে যা 'অপরিচিতা' গল্পেও ফুটে উঠেছে। এই গল্পে বিয়ের ক্ষেত্রে কনের বাবার কাছে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করা হয়। বরপক্ষের কাছে কনের চেয়ে কনের বাবার সহায়-সম্পত্তি বেশি গুরুত্ব পায়। আবার কনের বয়স পনেরো হলেও সেটি অনেক বেশি হিসেবে ধরা হয়। এমন মনোভাব মূলত নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গিকেই নির্দেশ করে যা উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

বক্তব্য বিষয়ের দিক থেকে বলা যায় "নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে সমাজে গেড়ে বসা অমানবিক যৌতুকপ্রথা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। পুরুষতন্ত্রের চাপিয়ে দেওয়া যৌতুক প্রথাকে কল্যাণী বা তার পিতা কেউ-ই মেনে নেননি। পিতা শম্ভুনাথ সেন এবং কন্যা কল্যাণীর স্বতন্ত্রবীক্ষা ও আচরণে ইতিবাচক এক নতুন সময়ের আবির্ভাবকে ইঙ্গিতবহ করে তুলেছে। উদ্দীপকের ঘটনাংশে দেখা যায়, হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ার কারণে পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারের কারণে সমাজ এখনো কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। বারবার অবহেলিত হয়ে তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে এবং নারীশিক্ষার উন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সমাজের প্রতিবন্ধকতা থেকেই তার ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটে এবং সে অন্যকেও সচেতন করে তুলতে চায়। 'অপরিচিতা' গল্পেও কল্যাণী চরিত্রে ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটতে দেখা যায়, যার অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে সমাজের কিছু লোভী মানুষের হীন মানসিকতা। 'অপরিচিতা' গল্পের ঘটনায় দেখা যায়, গল্পের নায়ক অনুপম বরযাত্রী নিয়ে কন্যা কল্যাণীর বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে যৌতুকপ্রথার নামে দর কষাকষি ক্ষনের বাবার দেওয়া গয়না সেকরা দিয়ে পরখ করানোর মতো জঘন্য মানসিকতা কল্যাণী বাতার পিতা শম্ভুনাথ সেন কারওই পছন্দ হয়নি। তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে এবং প্রতিবাদ স্বরূপ বিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই বলা যায়, নারীর প্রতি নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতাই তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটাতে সাহায্য করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেয়ের বিয়ে নিয়ে বাবার উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। সমাজ এখনও কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় এ নিয়ে পরপর চারবার বিয়ে ভেঙে যায়। তাই তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে নারীশিক্ষার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Chittagong · 2025

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি কার?

উত্তর

"মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।"- উক্তিটি বিনু দাদার।
"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না।”- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

"আমাকে একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না"- উক্তিটি শম্ভুনাথ সেনের আচরণের প্রেক্ষাপটে বর অনুপম নিজের সম্পর্কে বলেছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বিয়ের জন্য পাত্রী হিসেবে কল্যাণীকে ঠিক করা হয়। অনুপম সেই যুবক যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলেও ব্যক্তিত্বরহিত রয়ে গেছে। পরিবারতন্ত্রের কাছে সে অসহায় পুতুলমাত্র। যার ফলে তারই বিয়ে উপলক্ষ্যে যৌতুক নিয়ে তার মামা ও কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেনের মধ্যে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেলেও সে নীরব থেকেছে। ফলে শম্ভুনাথ সেন তার সাথে কোনো কথা না বলেই নীরব প্রতিবাদস্বরূপ বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন।
উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি 'অপরিচিতা' গল্পের নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়। 'অপরিচিতা' গল্পে নারীর প্রতি সমাজের অনুদার ও হীন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করার দিকটি ফুটে উঠেছে। এ গল্পে কল্যাণীর বয়স পনেরো শুনে অনুপমের মামার মন ভার হয়ে যায়। আবার কনেপক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুকও দাবি করা হয়। উদ্দীপকের হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। এভাবে বিয়ে ভেঙে যাওয়া নারীর প্রতি সমাজের অনুদার দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে যা 'অপরিচিতা' গল্পেও ফুটে উঠেছে। এই গল্পে বিয়ের ক্ষেত্রে কনের বাবার কাছে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করা হয়। বরপক্ষের কাছে কনের চেয়ে কনের বাবার সহায়-সম্পত্তি বেশি গুরুত্ব পায়। আবার কনের বয়স পনেরো হলেও সেটি অনেক বেশি হিসেবে ধরা হয়। এমন মনোভাব মূলত নারীর প্রতি সমাজের হীন দৃষ্টিভঙ্গিকেই নির্দেশ করে যা উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

বক্তব্য বিষয়ের দিক থেকে বলা যায় "নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে সমাজে গেড়ে বসা অমানবিক যৌতুকপ্রথা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। পুরুষতন্ত্রের চাপিয়ে দেওয়া যৌতুক প্রথাকে কল্যাণী বা তার পিতা কেউ-ই মেনে নেননি। পিতা শম্ভুনাথ সেন এবং কন্যা কল্যাণীর স্বতন্ত্রবীক্ষা ও আচরণে ইতিবাচক এক নতুন সময়ের আবির্ভাবকে ইঙ্গিতবহ করে তুলেছে। উদ্দীপকের ঘটনাংশে দেখা যায়, হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ার কারণে পরপর চারবার তার বিয়ে ভেঙে যায়। সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারের কারণে সমাজ এখনো কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। বারবার অবহেলিত হয়ে তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে এবং নারীশিক্ষার উন্নয়নে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সমাজের প্রতিবন্ধকতা থেকেই তার ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটে এবং সে অন্যকেও সচেতন করে তুলতে চায়। 'অপরিচিতা' গল্পেও কল্যাণী চরিত্রে ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটতে দেখা যায়, যার অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে সমাজের কিছু লোভী মানুষের হীন মানসিকতা। 'অপরিচিতা' গল্পের ঘটনায় দেখা যায়, গল্পের নায়ক অনুপম বরযাত্রী নিয়ে কন্যা কল্যাণীর বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে যৌতুকপ্রথার নামে দর কষাকষি ক্ষনের বাবার দেওয়া গয়না সেকরা দিয়ে পরখ করানোর মতো জঘন্য মানসিকতা কল্যাণী বাতার পিতা শম্ভুনাথ সেন কারওই পছন্দ হয়নি। তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে এবং প্রতিবাদ স্বরূপ বিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই বলা যায়, নারীর প্রতি নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতাই তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণ ঘটাতে সাহায্য করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অবস্থাপন্ন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান রিফাত ভালোবেসে বিয়ে করে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে। এই অসম বিয়েতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিফাতের বাবা ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। একদিন চাকরি থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হলে এলাকাবাসী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। রিফাতের পরিবার তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে কোনো প্রকার দুঃখ প্রকাশ না করে বলে- “এটা তার কর্মের ফল।"

Chittagong · 2025

মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল কোন সাপের দংশনে?

উত্তর

গোখরা সাপের দংশনে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল।
"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি 'বিলাসী' সম্পর্কে গল্পকথক ন্যাড়া করেছেন। 'বিলাসী' গল্পটি রচিত হয়েছে সাপুড়েকন্যা বিলাসী এবং মিত্তির বংশের মৃত্যুঞ্জয়ের জীবনকাহিনিকে কেন্দ্র করে। গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় অসুস্থ হয়ে তার পোড়াবাড়িতে মরতে বসেছিল। তার সেবা-শুশ্রুষা করার মতো কেউ ছিল না। এই অবস্থায় সাপুড়েকন্যা বিলাসী তাকে সেবা-যত্ন করে সুস্থ করে তোলে। মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করতে গিয়ে এবং রাত জেগে খেটে খেটে বিলাসীর শরীরের অবস্থা এমন হয়েছে যে, তাকে দেখে তার বয়স অনুমান করা যায় না.। তাই ন্যাড়া প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন।
উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। 'বিলাসী' গল্পে ব্যতিক্রমধর্মী দুই মানব-মানবীর প্রেমের মহিমা চিত্রায়িত হয়েছে। এখানে জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণ সীমা অতিক্রম - করে মানবিকতার জয় ঘোষিত হয়েছে। বংশমর্যাদা ও সমাজের নিয়মকে উপেক্ষা করে উচ্চ বংশীয় মৃত্যুঞ্জয় প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে নিচু বংশের বিলাসীর সাথে সংসার গড়েছে। উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের রিফাত ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে বিয়ে করে। বাবা তাকে ত্যাজ্য করলে তাকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবিকার সন্ধান করতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও এই করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। তবে তাদের এই মৃত্যুতে তাদের পরিবার বংশমর্যাদার মুখোশ পরে অনুশোচনা বা শোক না করে তাকেই দোষারোপ করেছে, তারা মনে করে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন পরিণতি তার অন্নপাপের ফল। যা মূলত সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

মূলভাবের দিক থেকে বলা যায় “প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'বিলাসী' গল্পে সমাজ বাস্তবতার এক করুণ দিক তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজে নর-নারীর মধ্যে পরস্পরের হৃদয় জয় করে বিয়ে করার রীতি নেই। বরং তা নিন্দার সামগ্রী। উচ্চ বংশীয় কেউ অপেক্ষাকৃত নিম্ন বংশের মানুষের সাথে প্রণয়ে আবদ্ধ হলে তাকে সমাজচ্যুত করা হয়। উদ্দীপকের ঘটনাংশে রিফাত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও দিনমজুরের কন্যা আসমাকে বিয়ে করে। বিষয়টি তার পরিবার মেনে নিতে পারেনি। পিতা তাকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার জীবনের মর্মান্তিক সমাপ্তি ঘটে। অথচ পরিবার এ মৃত্যুকে তার কর্মের ফল হিসেবে অভিহিত করে। 'বিলাসী' গল্পেও একই সমাজবাস্তবতা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের মতো 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতি ঘটেছে। বংশমর্যাদা ত্যাগ করে প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে সাপুড়েকন্যাকে বিয়ে করে সাপুড়ে হয়ে ওঠে মৃত্যুঞ্জয়। কিন্তু মর্মান্তিকভাবে সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়। অথচ সমাজ মনে করে এটি মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপের ফল। উদ্দীপকের রিফাত এবং গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়ের মর্মান্তিক পরিণতিতে তাদের আত্মীয়-স্বজন শোকাহত না হয়ে প্রফুল্ল হয়। কেননা তাদের ধারণা এটা তাদের কর্মফল। যা মূলত নির্মম সমাজবাস্তবতার চিত্র। সমাজের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অবস্থাপন্ন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান রিফাত ভালোবেসে বিয়ে করে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে। এই অসম বিয়েতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিফাতের বাবা ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। একদিন চাকরি থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হলে এলাকাবাসী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। রিফাতের পরিবার তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে কোনো প্রকার দুঃখ প্রকাশ না করে বলে- “এটা তার কর্মের ফল।"

Chittagong · 2025

মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল কোন সাপের দংশনে?

উত্তর

গোখরা সাপের দংশনে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল।
"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি 'বিলাসী' সম্পর্কে গল্পকথক ন্যাড়া করেছেন। 'বিলাসী' গল্পটি রচিত হয়েছে সাপুড়েকন্যা বিলাসী এবং মিত্তির বংশের মৃত্যুঞ্জয়ের জীবনকাহিনিকে কেন্দ্র করে। গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় অসুস্থ হয়ে তার পোড়াবাড়িতে মরতে বসেছিল। তার সেবা-শুশ্রুষা করার মতো কেউ ছিল না। এই অবস্থায় সাপুড়েকন্যা বিলাসী তাকে সেবা-যত্ন করে সুস্থ করে তোলে। মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করতে গিয়ে এবং রাত জেগে খেটে খেটে বিলাসীর শরীরের অবস্থা এমন হয়েছে যে, তাকে দেখে তার বয়স অনুমান করা যায় না.। তাই ন্যাড়া প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন।
উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। 'বিলাসী' গল্পে ব্যতিক্রমধর্মী দুই মানব-মানবীর প্রেমের মহিমা চিত্রায়িত হয়েছে। এখানে জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণ সীমা অতিক্রম - করে মানবিকতার জয় ঘোষিত হয়েছে। বংশমর্যাদা ও সমাজের নিয়মকে উপেক্ষা করে উচ্চ বংশীয় মৃত্যুঞ্জয় প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে নিচু বংশের বিলাসীর সাথে সংসার গড়েছে। উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের রিফাত ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে বিয়ে করে। বাবা তাকে ত্যাজ্য করলে তাকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবিকার সন্ধান করতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও এই করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। তবে তাদের এই মৃত্যুতে তাদের পরিবার বংশমর্যাদার মুখোশ পরে অনুশোচনা বা শোক না করে তাকেই দোষারোপ করেছে, তারা মনে করে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন পরিণতি তার অন্নপাপের ফল। যা মূলত সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

মূলভাবের দিক থেকে বলা যায় “প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'বিলাসী' গল্পে সমাজ বাস্তবতার এক করুণ দিক তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজে নর-নারীর মধ্যে পরস্পরের হৃদয় জয় করে বিয়ে করার রীতি নেই। বরং তা নিন্দার সামগ্রী। উচ্চ বংশীয় কেউ অপেক্ষাকৃত নিম্ন বংশের মানুষের সাথে প্রণয়ে আবদ্ধ হলে তাকে সমাজচ্যুত করা হয়। উদ্দীপকের ঘটনাংশে রিফাত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও দিনমজুরের কন্যা আসমাকে বিয়ে করে। বিষয়টি তার পরিবার মেনে নিতে পারেনি। পিতা তাকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার জীবনের মর্মান্তিক সমাপ্তি ঘটে। অথচ পরিবার এ মৃত্যুকে তার কর্মের ফল হিসেবে অভিহিত করে। 'বিলাসী' গল্পেও একই সমাজবাস্তবতা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের মতো 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতি ঘটেছে। বংশমর্যাদা ত্যাগ করে প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে সাপুড়েকন্যাকে বিয়ে করে সাপুড়ে হয়ে ওঠে মৃত্যুঞ্জয়। কিন্তু মর্মান্তিকভাবে সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়। অথচ সমাজ মনে করে এটি মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপের ফল। উদ্দীপকের রিফাত এবং গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়ের মর্মান্তিক পরিণতিতে তাদের আত্মীয়-স্বজন শোকাহত না হয়ে প্রফুল্ল হয়। কেননা তাদের ধারণা এটা তাদের কর্মফল। যা মূলত নির্মম সমাজবাস্তবতার চিত্র। সমাজের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অবস্থাপন্ন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান রিফাত ভালোবেসে বিয়ে করে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে। এই অসম বিয়েতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিফাতের বাবা ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। একদিন চাকরি থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হলে এলাকাবাসী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। রিফাতের পরিবার তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে কোনো প্রকার দুঃখ প্রকাশ না করে বলে- “এটা তার কর্মের ফল।"

Chittagong · 2025

মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল কোন সাপের দংশনে?

উত্তর

গোখরা সাপের দংশনে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল।
"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি 'বিলাসী' সম্পর্কে গল্পকথক ন্যাড়া করেছেন। 'বিলাসী' গল্পটি রচিত হয়েছে সাপুড়েকন্যা বিলাসী এবং মিত্তির বংশের মৃত্যুঞ্জয়ের জীবনকাহিনিকে কেন্দ্র করে। গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় অসুস্থ হয়ে তার পোড়াবাড়িতে মরতে বসেছিল। তার সেবা-শুশ্রুষা করার মতো কেউ ছিল না। এই অবস্থায় সাপুড়েকন্যা বিলাসী তাকে সেবা-যত্ন করে সুস্থ করে তোলে। মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করতে গিয়ে এবং রাত জেগে খেটে খেটে বিলাসীর শরীরের অবস্থা এমন হয়েছে যে, তাকে দেখে তার বয়স অনুমান করা যায় না.। তাই ন্যাড়া প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন।
উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। 'বিলাসী' গল্পে ব্যতিক্রমধর্মী দুই মানব-মানবীর প্রেমের মহিমা চিত্রায়িত হয়েছে। এখানে জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণ সীমা অতিক্রম - করে মানবিকতার জয় ঘোষিত হয়েছে। বংশমর্যাদা ও সমাজের নিয়মকে উপেক্ষা করে উচ্চ বংশীয় মৃত্যুঞ্জয় প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে নিচু বংশের বিলাসীর সাথে সংসার গড়েছে। উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের রিফাত ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে বিয়ে করে। বাবা তাকে ত্যাজ্য করলে তাকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবিকার সন্ধান করতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও এই করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। তবে তাদের এই মৃত্যুতে তাদের পরিবার বংশমর্যাদার মুখোশ পরে অনুশোচনা বা শোক না করে তাকেই দোষারোপ করেছে, তারা মনে করে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন পরিণতি তার অন্নপাপের ফল। যা মূলত সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

মূলভাবের দিক থেকে বলা যায় “প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'বিলাসী' গল্পে সমাজ বাস্তবতার এক করুণ দিক তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজে নর-নারীর মধ্যে পরস্পরের হৃদয় জয় করে বিয়ে করার রীতি নেই। বরং তা নিন্দার সামগ্রী। উচ্চ বংশীয় কেউ অপেক্ষাকৃত নিম্ন বংশের মানুষের সাথে প্রণয়ে আবদ্ধ হলে তাকে সমাজচ্যুত করা হয়। উদ্দীপকের ঘটনাংশে রিফাত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও দিনমজুরের কন্যা আসমাকে বিয়ে করে। বিষয়টি তার পরিবার মেনে নিতে পারেনি। পিতা তাকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার জীবনের মর্মান্তিক সমাপ্তি ঘটে। অথচ পরিবার এ মৃত্যুকে তার কর্মের ফল হিসেবে অভিহিত করে। 'বিলাসী' গল্পেও একই সমাজবাস্তবতা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের মতো 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতি ঘটেছে। বংশমর্যাদা ত্যাগ করে প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে সাপুড়েকন্যাকে বিয়ে করে সাপুড়ে হয়ে ওঠে মৃত্যুঞ্জয়। কিন্তু মর্মান্তিকভাবে সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়। অথচ সমাজ মনে করে এটি মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপের ফল। উদ্দীপকের রিফাত এবং গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়ের মর্মান্তিক পরিণতিতে তাদের আত্মীয়-স্বজন শোকাহত না হয়ে প্রফুল্ল হয়। কেননা তাদের ধারণা এটা তাদের কর্মফল। যা মূলত নির্মম সমাজবাস্তবতার চিত্র। সমাজের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অবস্থাপন্ন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান রিফাত ভালোবেসে বিয়ে করে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে। এই অসম বিয়েতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিফাতের বাবা ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। একদিন চাকরি থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হলে এলাকাবাসী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। রিফাতের পরিবার তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে কোনো প্রকার দুঃখ প্রকাশ না করে বলে- “এটা তার কর্মের ফল।"

Chittagong · 2025

মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল কোন সাপের দংশনে?

উত্তর

গোখরা সাপের দংশনে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়েছিল।
"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"তাহার বয়স আঠারো কি আটাশ ঠাহর করিতে পারিলাম না।"- উক্তিটি 'বিলাসী' সম্পর্কে গল্পকথক ন্যাড়া করেছেন। 'বিলাসী' গল্পটি রচিত হয়েছে সাপুড়েকন্যা বিলাসী এবং মিত্তির বংশের মৃত্যুঞ্জয়ের জীবনকাহিনিকে কেন্দ্র করে। গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় অসুস্থ হয়ে তার পোড়াবাড়িতে মরতে বসেছিল। তার সেবা-শুশ্রুষা করার মতো কেউ ছিল না। এই অবস্থায় সাপুড়েকন্যা বিলাসী তাকে সেবা-যত্ন করে সুস্থ করে তোলে। মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করতে গিয়ে এবং রাত জেগে খেটে খেটে বিলাসীর শরীরের অবস্থা এমন হয়েছে যে, তাকে দেখে তার বয়স অনুমান করা যায় না.। তাই ন্যাড়া প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন।
উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। 'বিলাসী' গল্পে ব্যতিক্রমধর্মী দুই মানব-মানবীর প্রেমের মহিমা চিত্রায়িত হয়েছে। এখানে জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণ সীমা অতিক্রম - করে মানবিকতার জয় ঘোষিত হয়েছে। বংশমর্যাদা ও সমাজের নিয়মকে উপেক্ষা করে উচ্চ বংশীয় মৃত্যুঞ্জয় প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে নিচু বংশের বিলাসীর সাথে সংসার গড়েছে। উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের রিফাত ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে বিয়ে করে। বাবা তাকে ত্যাজ্য করলে তাকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবিকার সন্ধান করতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও এই করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। তবে তাদের এই মৃত্যুতে তাদের পরিবার বংশমর্যাদার মুখোশ পরে অনুশোচনা বা শোক না করে তাকেই দোষারোপ করেছে, তারা মনে করে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন পরিণতি তার অন্নপাপের ফল। যা মূলত সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

মূলভাবের দিক থেকে বলা যায় “প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'বিলাসী' গল্পে সমাজ বাস্তবতার এক করুণ দিক তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের সমাজে নর-নারীর মধ্যে পরস্পরের হৃদয় জয় করে বিয়ে করার রীতি নেই। বরং তা নিন্দার সামগ্রী। উচ্চ বংশীয় কেউ অপেক্ষাকৃত নিম্ন বংশের মানুষের সাথে প্রণয়ে আবদ্ধ হলে তাকে সমাজচ্যুত করা হয়। উদ্দীপকের ঘটনাংশে রিফাত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও দিনমজুরের কন্যা আসমাকে বিয়ে করে। বিষয়টি তার পরিবার মেনে নিতে পারেনি। পিতা তাকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে। জীবন-জীবিকার তাগিদে রিফাত বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার জীবনের মর্মান্তিক সমাপ্তি ঘটে। অথচ পরিবার এ মৃত্যুকে তার কর্মের ফল হিসেবে অভিহিত করে। 'বিলাসী' গল্পেও একই সমাজবাস্তবতা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের মতো 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতি ঘটেছে। বংশমর্যাদা ত্যাগ করে প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে সাপুড়েকন্যাকে বিয়ে করে সাপুড়ে হয়ে ওঠে মৃত্যুঞ্জয়। কিন্তু মর্মান্তিকভাবে সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়। অথচ সমাজ মনে করে এটি মৃত্যুঞ্জয়ের অন্নপাপের ফল। উদ্দীপকের রিফাত এবং গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়ের মর্মান্তিক পরিণতিতে তাদের আত্মীয়-স্বজন শোকাহত না হয়ে প্রফুল্ল হয়। কেননা তাদের ধারণা এটা তাদের কর্মফল। যা মূলত নির্মম সমাজবাস্তবতার চিত্র। সমাজের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'বিলাসী' গল্পে প্রচলিত সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষানুরাগী আলী হায়দার একজন আলোকিত মানুষ। অবসর গ্রহণের পর তিনি গড়ে তোলেন 'আলোক বর্তিকা' নামক সেবা সংগঠন। যার মাধ্যমে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজের জমানো টাকায় 'আলী হায়দার টেকনিক্যাল কলেজ' স্থাপন করেন। সেখান থেকে বেকার যুবক-যুবতিরা প্রশিক্ষিত হয়ে দেশ-বিদেশে চাকরি করে এলাকাতে সচ্ছলতা নিয়ে এসেছে।

Chittagong · 2025

"তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”- উক্তিটি কার?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।"-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার বিষয়টি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণের ধারণার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক বিষয়বস্তু প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষানুরাগী আলী হায়দার একজন আলোকিত মানুষ। অবসর গ্রহণের পর তিনি গড়ে তোলেন 'আলোক বর্তিকা' নামক সেবা সংগঠন। যার মাধ্যমে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজের জমানো টাকায় 'আলী হায়দার টেকনিক্যাল কলেজ' স্থাপন করেন। সেখান থেকে বেকার যুবক-যুবতিরা প্রশিক্ষিত হয়ে দেশ-বিদেশে চাকরি করে এলাকাতে সচ্ছলতা নিয়ে এসেছে।

Chittagong · 2025

"তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”- উক্তিটি কার?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।"-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার বিষয়টি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণের ধারণার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক বিষয়বস্তু প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষানুরাগী আলী হায়দার একজন আলোকিত মানুষ। অবসর গ্রহণের পর তিনি গড়ে তোলেন 'আলোক বর্তিকা' নামক সেবা সংগঠন। যার মাধ্যমে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজের জমানো টাকায় 'আলী হায়দার টেকনিক্যাল কলেজ' স্থাপন করেন। সেখান থেকে বেকার যুবক-যুবতিরা প্রশিক্ষিত হয়ে দেশ-বিদেশে চাকরি করে এলাকাতে সচ্ছলতা নিয়ে এসেছে।

Chittagong · 2025

"তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”- উক্তিটি কার?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।"-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার বিষয়টি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণের ধারণার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক বিষয়বস্তু প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষানুরাগী আলী হায়দার একজন আলোকিত মানুষ। অবসর গ্রহণের পর তিনি গড়ে তোলেন 'আলোক বর্তিকা' নামক সেবা সংগঠন। যার মাধ্যমে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজের জমানো টাকায় 'আলী হায়দার টেকনিক্যাল কলেজ' স্থাপন করেন। সেখান থেকে বেকার যুবক-যুবতিরা প্রশিক্ষিত হয়ে দেশ-বিদেশে চাকরি করে এলাকাতে সচ্ছলতা নিয়ে এসেছে।

Chittagong · 2025

"তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”- উক্তিটি কার?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।"-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার বিষয়টি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণের ধারণার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক বিষয়বস্তু প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো