উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়।
'বিলাসী' গল্পে ব্যতিক্রমধর্মী দুই মানব-মানবীর প্রেমের মহিমা চিত্রায়িত হয়েছে। এখানে জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণ সীমা অতিক্রম - করে মানবিকতার জয় ঘোষিত হয়েছে। বংশমর্যাদা ও সমাজের নিয়মকে উপেক্ষা করে উচ্চ বংশীয় মৃত্যুঞ্জয় প্রণয়ে আবদ্ধ হয়ে নিচু বংশের বিলাসীর সাথে সংসার গড়েছে।
উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের রিফাত ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দিনমজুরের মেয়ে আসমাকে বিয়ে করে। বাবা তাকে ত্যাজ্য করলে তাকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবিকার সন্ধান করতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও এই করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। তবে তাদের এই মৃত্যুতে তাদের পরিবার বংশমর্যাদার মুখোশ পরে অনুশোচনা বা শোক না করে তাকেই দোষারোপ করেছে, তারা মনে করে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন পরিণতি তার অন্নপাপের ফল। যা মূলত সমাজে গেড়ে বসা কুসংস্কারকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রিফাতের মর্মান্তিক পরিণতি 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের করুণ পরিণতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।