অধ্যায়-৫ : বায়ুমণ্ডল (Full Syllabus) ভূগোল ও পরিবেশ

SSC ভূগোল ও পরিবেশ এর অধ্যায়-৫ : বায়ুমণ্ডল (Full Syllabus) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৭৪

প্রশ্ন

ভূগোল ও পরিবেশ

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: মিতু কর্মসূত্রে নিরক্ষীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশে গেল। সে লক্ষ করল, দেশটিতে প্রতিদিনই বিকেল বেলা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সে জানতে পারে, দেশটিতে সারা বছরই এরূপ বৃষ্টিপাত হয়। দৃশ্যকল্প-২: লাবনী ছুটিতে বাবা-মায়ের সাথে পার্বত্য এলাকায় বেড়াতে গেল। বেড়াতে বের হতেই হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হল। সে অবাক হয়ে দেখল, পর্বতটির এক পাশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং অন্যপাশে বৃষ্টি হচ্ছে না।

Combined · 2017

ক
জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর

কোনো একটি অঞ্চলের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
খ
বাষ্পীভবন বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে এবং তা অপেক্ষাকৃত হালকা বলে উপরে উঠে বায়ুমণ্ডলে মিশে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। একে বাষ্পীভবন বলে। বায়ুর বাষ্প ধারণ করার একটা সীমা আছে। এটি বায়ুর উষ্ণতার উপর নির্ভর করে। বায়ু যত উষ্ণ হয়, তত বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে।
গ
মিতুর দেখা বৃষ্টিপাতটি কোন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

মিতুর দেখা বৃষ্টিপাতটি পরিচলন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। মিতু নিরক্ষীয় অঞ্চলের একটি দেশে যায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগের অবস্থানে আধিক্য এবং সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হওয়ায় সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। পরিচলন বৃষ্টি নিম্নলিখিত পর্যায় অনুসরণ করে ঘটে থাকে: i. প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠ দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ii. ভুপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে পরিচলন প্রক্রিয়ায় উপরের দিকে উঠে যায়। iii. ঊর্ধ্বমুখী বায়ু রুদ্ধ তাপ হ্রাস হারে (সুপ্ত তাপ ছেড়ে দেওয়ার ফলে) শীতল হতে থাকে এবং বায়ুতে যথেষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে ঘনীভবন হয়। iv. ঘনীভবনের ফলে মেঘ উপরের দিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ঝড়োপুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে। এ ধরনের মেঘ থেকে ঝড়সহ মুষলধারে বৃষ্টি এবং কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়ে থাকে।
ঘ
মিতু ও লাবনীর দেখা বৃষ্টিপাত দুটির বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

মিতুর দেখা বৃষ্টিপাতটি হচ্ছে পরিচলন বৃষ্টি। অন্যদিকে লাবনী পার্বত্য এলাকায় শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত দেখতে পায়। পরিচলন বৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় গমনপথে উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। অন্যদিকে পরিচলন বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বমুখী বায়ু রুদ্ধ তাপ হ্রাস হারে শীতল হতে থাকে এবং বায়ুতে যথেষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে ঘনীভবন হয়। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টির ক্ষেত্রে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এক্ষেত্রে পর্বতের অনুবাত ঢাল প্রায় বৃষ্টিহীন থাকে। কিন্তু পরিচলন বৃষ্টির ক্ষেত্রে ঘনীভবনের ফলে মেঘ উপরের দিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ঝড়োপুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে। ফলে এ ধরনের মেঘ থেকে ঝড়সহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়ে থাকে। কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়ে থাকে। সাধারণত বিস্তৃত অঞ্চলে এরূপ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: মিতু কর্মসূত্রে নিরক্ষীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশে গেল। সে লক্ষ করল, দেশটিতে প্রতিদিনই বিকেল বেলা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সে জানতে পারে, দেশটিতে সারা বছরই এরূপ বৃষ্টিপাত হয়। দৃশ্যকল্প-২: লাবনী ছুটিতে বাবা-মায়ের সাথে পার্বত্য এলাকায় বেড়াতে গেল। বেড়াতে বের হতেই হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হল। সে অবাক হয়ে দেখল, পর্বতটির এক পাশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং অন্যপাশে বৃষ্টি হচ্ছে না।

Combined · 2017

ক
জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর

কোনো একটি অঞ্চলের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
খ
বাষ্পীভবন বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে এবং তা অপেক্ষাকৃত হালকা বলে উপরে উঠে বায়ুমণ্ডলে মিশে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। একে বাষ্পীভবন বলে। বায়ুর বাষ্প ধারণ করার একটা সীমা আছে। এটি বায়ুর উষ্ণতার উপর নির্ভর করে। বায়ু যত উষ্ণ হয়, তত বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে।
গ
মিতুর দেখা বৃষ্টিপাতটি কোন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

মিতুর দেখা বৃষ্টিপাতটি পরিচলন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। মিতু নিরক্ষীয় অঞ্চলের একটি দেশে যায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগের অবস্থানে আধিক্য এবং সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হওয়ায় সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। পরিচলন বৃষ্টি নিম্নলিখিত পর্যায় অনুসরণ করে ঘটে থাকে: i. প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠ দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ii. ভুপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে পরিচলন প্রক্রিয়ায় উপরের দিকে উঠে যায়। iii. ঊর্ধ্বমুখী বায়ু রুদ্ধ তাপ হ্রাস হারে (সুপ্ত তাপ ছেড়ে দেওয়ার ফলে) শীতল হতে থাকে এবং বায়ুতে যথেষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে ঘনীভবন হয়। iv. ঘনীভবনের ফলে মেঘ উপরের দিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ঝড়োপুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে। এ ধরনের মেঘ থেকে ঝড়সহ মুষলধারে বৃষ্টি এবং কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়ে থাকে।
ঘ
মিতু ও লাবনীর দেখা বৃষ্টিপাত দুটির বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

মিতুর দেখা বৃষ্টিপাতটি হচ্ছে পরিচলন বৃষ্টি। অন্যদিকে লাবনী পার্বত্য এলাকায় শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত দেখতে পায়। পরিচলন বৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় গমনপথে উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। অন্যদিকে পরিচলন বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বমুখী বায়ু রুদ্ধ তাপ হ্রাস হারে শীতল হতে থাকে এবং বায়ুতে যথেষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে ঘনীভবন হয়। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টির ক্ষেত্রে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এক্ষেত্রে পর্বতের অনুবাত ঢাল প্রায় বৃষ্টিহীন থাকে। কিন্তু পরিচলন বৃষ্টির ক্ষেত্রে ঘনীভবনের ফলে মেঘ উপরের দিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ঝড়োপুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে। ফলে এ ধরনের মেঘ থেকে ঝড়সহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়ে থাকে। কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়ে থাকে। সাধারণত বিস্তৃত অঞ্চলে এরূপ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

সম্প্রতি একটি খবর সবাইকে অবাক করেছে। এর ফলে এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের কিছু অঞ্চল সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে এবং নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Combined · 2018

ক
পরম আর্দ্রতা কাকে বলে?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে পরম আর্দ্রতা বলে।
খ
পরিপৃক্ত বায়ু বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বায়ু সর্বাধিক জলীয়বাষ্পধারণ করে পরিপৃক্ত হয়। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু নির্দিষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কোনো নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে, সে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকলে আর অধিক জলীয়বাষ্প গ্রহণ করতে পারে না। এ অবস্থাটিকেই পরিপৃক্ত বায়ু বলে।
গ
উদ্দীপকের আলোকে এরূপ পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে যেসব জলবায়ুগত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে তা মূলত গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার কারণে সংঘটিত হবে বলে মনে করা হয়। বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার প্রভাবে উষ্ণতার যে পরিবর্তন তার প্রভাবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে এবং বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2\mathrm{CO_2}), মিথেন (CH4\mathrm{CH_4}), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O\mathrm{N_2O}), ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC\mathrm{CFC}) ইত্যাদি নির্গমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীতে বিপুল পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারসহ বনভূমি ধ্বংস, শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, পারমাণবিক পরীক্ষা ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের ফলে নিগর্ত গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তন সম্পর্কে বিজ্ঞানীগণ ভবিষ্যদ্বানী করেছেন যে, ২১ শতকের সমাপ্তিকালের মধ্যে গড় তাপমাত্রা ২.৫০ থেকে ৫.৫° সেলসিয়াস বাড়তে পারে। এর ফলে পর্বতের উপরিভাগে জমাকৃত বরফ এবং মেরু অঞ্চলের হিমবাহের দ্রুতগলনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে অন্যান্য এশিয়ায় দেশের মতো বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাত, বন্যা, ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়, খরা প্রভৃতি জলবায়ুর পরিবর্তন সাধিত হতে পারে। এতে করে আক্রান্ত দেশগুলো ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ঘ
বিশ্ব প্রেক্ষিতে উক্ত পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের উপর গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার প্রভাব নেতিবাচক হলেও ইতিবাচক দিকও লক্ষণীয়। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রিনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যথা- কানাডা, রাশিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন প্রভৃতি দেশগুলোর জন্য সুফল বয়ে আনবে। এ কারণে ঐসব অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যদিকে দুর্ভোগ বাড়বে পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকার দরিদ্র অধিবাসীদের। কারণ গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী পৃথিবীর বেশ কয়েকটি বিখ্যাত শহর হবে ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত। পৃথিবীর উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে আবহাওয়ার প্রকৃতিই বদলে যাবে। সময়ে অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের শিকার হয়ে ফসল ডুবে যাবে, দূষিত হবে সুপেয় পানি, লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে এবং একই দেশের মানুষ অন্য অঞ্চলে হবে জলবায়ু শরণার্থী (Climate refugee)। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলের মানুষ হবে প্রথম শিকার। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী সমানভাবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থবিরতায় এক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। উন্নত বিশ্ব তাদের উৎপাদিত শশ্যের বাড়তি অংশ পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করবে। আর উন্নয়নশীল গরিব দেশগুলোর মানুষ না খেয়ে কঙ্কালসার জীবনযাপনের মাধ্যমে নিজ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

সম্প্রতি একটি খবর সবাইকে অবাক করেছে। এর ফলে এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের কিছু অঞ্চল সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে এবং নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Combined · 2018

ক
পরম আর্দ্রতা কাকে বলে?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে পরম আর্দ্রতা বলে।
খ
পরিপৃক্ত বায়ু বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বায়ু সর্বাধিক জলীয়বাষ্পধারণ করে পরিপৃক্ত হয়। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু নির্দিষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কোনো নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে, সে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকলে আর অধিক জলীয়বাষ্প গ্রহণ করতে পারে না। এ অবস্থাটিকেই পরিপৃক্ত বায়ু বলে।
গ
উদ্দীপকের আলোকে এরূপ পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে যেসব জলবায়ুগত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে তা মূলত গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার কারণে সংঘটিত হবে বলে মনে করা হয়। বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার প্রভাবে উষ্ণতার যে পরিবর্তন তার প্রভাবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে এবং বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2\mathrm{CO_2}), মিথেন (CH4\mathrm{CH_4}), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O\mathrm{N_2O}), ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC\mathrm{CFC}) ইত্যাদি নির্গমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীতে বিপুল পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারসহ বনভূমি ধ্বংস, শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, পারমাণবিক পরীক্ষা ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের ফলে নিগর্ত গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তন সম্পর্কে বিজ্ঞানীগণ ভবিষ্যদ্বানী করেছেন যে, ২১ শতকের সমাপ্তিকালের মধ্যে গড় তাপমাত্রা ২.৫০ থেকে ৫.৫° সেলসিয়াস বাড়তে পারে। এর ফলে পর্বতের উপরিভাগে জমাকৃত বরফ এবং মেরু অঞ্চলের হিমবাহের দ্রুতগলনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে অন্যান্য এশিয়ায় দেশের মতো বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাত, বন্যা, ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়, খরা প্রভৃতি জলবায়ুর পরিবর্তন সাধিত হতে পারে। এতে করে আক্রান্ত দেশগুলো ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ঘ
বিশ্ব প্রেক্ষিতে উক্ত পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের উপর গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ার প্রভাব নেতিবাচক হলেও ইতিবাচক দিকও লক্ষণীয়। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রিনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যথা- কানাডা, রাশিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন প্রভৃতি দেশগুলোর জন্য সুফল বয়ে আনবে। এ কারণে ঐসব অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যদিকে দুর্ভোগ বাড়বে পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকার দরিদ্র অধিবাসীদের। কারণ গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী পৃথিবীর বেশ কয়েকটি বিখ্যাত শহর হবে ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত। পৃথিবীর উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে আবহাওয়ার প্রকৃতিই বদলে যাবে। সময়ে অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের শিকার হয়ে ফসল ডুবে যাবে, দূষিত হবে সুপেয় পানি, লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে এবং একই দেশের মানুষ অন্য অঞ্চলে হবে জলবায়ু শরণার্থী (Climate refugee)। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলের মানুষ হবে প্রথম শিকার। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী সমানভাবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থবিরতায় এক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। উন্নত বিশ্ব তাদের উৎপাদিত শশ্যের বাড়তি অংশ পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করবে। আর উন্নয়নশীল গরিব দেশগুলোর মানুষ না খেয়ে কঙ্কালসার জীবনযাপনের মাধ্যমে নিজ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2019

ক
গর্জনশীল চল্লিশ কী?

উত্তর

৪০∘৪০^\circ থেকে ৪৭∘৪৭^\circ দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকায় এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বলে।
খ
কক্সবাজারের আবহাওয়ার প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

কক্সবাজারের আবহাওয়ার প্রকৃতি সমভাবাপন্ন। সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় তাপমাত্রায় শীত-গ্রীষ্মের তেমন পার্থক্য হয় না জলভাগের আধিক্যের কারণে। এজন্য বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী, কক্সবাজারের আবহাওয়া সমভাবাপন্ন প্রকৃতির।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্থানে সংঘটিত বৃষ্টিপাত ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলটি নিরক্ষীয় অঞ্চল। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগের অবস্থানে আধিক্য এবং সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হওয়ায় সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। পরিচলন বৃষ্টি নিম্নলিখিত পর্যায় অনুসরণ করে ঘটে থাকে: i. প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠ দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ii. ভুপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে পরিচলন প্রক্রিয়ায় উপরের দিকে উঠে যায়। iii. ঊর্ধ্বমুখী বায়ু রুদ্ধ তাপ হ্রাস হারে (সুপ্ত তাপ ছেড়ে দেওয়ার ফলে) শীতল হতে থাকে এবং বায়ুতে যথেষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে ঘনীভবন হয়। iv. ঘনীভবনের ফলে মেঘ উপরের দিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ঝড়োপুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে। এ ধরনের মেঘ থেকে ঝড়সহ মুষলধারে বৃষ্টি এবং কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়ে থাকে।
ঘ
উদ্দীপকে 'খ' ও 'গ' স্থানের বায়ুপ্রবাহের তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'খ' ও 'গ' উভয় স্থানে অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয়। তবে উত্তর গোলার্ধে অর্থাৎ 'খ' স্থানে এটি উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে অর্থাৎ 'গ' স্থানে এটি দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত। আমেরিকান আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেলের মতে, অয়ন বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত। উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ১৬ km১৬ \mathrm{~km} এবং দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ২২.৫৪ km২২.৫৪ \mathrm{~km} বেগে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুর প্রভাবে নিরক্ষরেখার উভয়দিকে শান্ত বলয় সৃষ্টি হয়। প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ু অনুসরণ করে যাতায়াত করত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2019

ক
গর্জনশীল চল্লিশ কী?

উত্তর

৪০∘৪০^\circ থেকে ৪৭∘৪৭^\circ দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকায় এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বলে।
খ
কক্সবাজারের আবহাওয়ার প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

কক্সবাজারের আবহাওয়ার প্রকৃতি সমভাবাপন্ন। সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় তাপমাত্রায় শীত-গ্রীষ্মের তেমন পার্থক্য হয় না জলভাগের আধিক্যের কারণে। এজন্য বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী, কক্সবাজারের আবহাওয়া সমভাবাপন্ন প্রকৃতির।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্থানে সংঘটিত বৃষ্টিপাত ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলটি নিরক্ষীয় অঞ্চল। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগের অবস্থানে আধিক্য এবং সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হওয়ায় সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে। পরিচলন বৃষ্টি নিম্নলিখিত পর্যায় অনুসরণ করে ঘটে থাকে: i. প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠ দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ii. ভুপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে পরিচলন প্রক্রিয়ায় উপরের দিকে উঠে যায়। iii. ঊর্ধ্বমুখী বায়ু রুদ্ধ তাপ হ্রাস হারে (সুপ্ত তাপ ছেড়ে দেওয়ার ফলে) শীতল হতে থাকে এবং বায়ুতে যথেষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে ঘনীভবন হয়। iv. ঘনীভবনের ফলে মেঘ উপরের দিকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে ঝড়োপুঞ্জ মেঘের সৃষ্টি করে। এ ধরনের মেঘ থেকে ঝড়সহ মুষলধারে বৃষ্টি এবং কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়ে থাকে।
ঘ
উদ্দীপকে 'খ' ও 'গ' স্থানের বায়ুপ্রবাহের তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'খ' ও 'গ' উভয় স্থানে অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয়। তবে উত্তর গোলার্ধে অর্থাৎ 'খ' স্থানে এটি উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে অর্থাৎ 'গ' স্থানে এটি দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত। আমেরিকান আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেলের মতে, অয়ন বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত। উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ১৬ km১৬ \mathrm{~km} এবং দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ২২.৫৪ km২২.৫৪ \mathrm{~km} বেগে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুর প্রভাবে নিরক্ষরেখার উভয়দিকে শান্ত বলয় সৃষ্টি হয়। প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ু অনুসরণ করে যাতায়াত করত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো