Chapter 3 :আচরণের জৈবিক ভিত্তি Psychology 1st Paper

HSC Psychology 1st Paper এর Chapter 3 :আচরণের জৈবিক ভিত্তি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪৪৮

প্রশ্ন

Psychology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা কয়টি?

উত্তর

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া।
থ্যালামাসকে রিলে স্টেশন বলা হয় কেন?

উত্তর

থ্যালামাস হলো মস্তিষ্ক শাখার উপর অবস্থিত দুই অংশ বিশিষ্ট স্ফীত সম্মুখ মস্তিষ্কের একটি অংশ। এটি মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশ দ্বারা আবৃত। এটি মস্তিষ্কের তৃতীয় গহবরের পার্শ্বে অবস্থিত। এটি একটি সংযোগ স্থাপনকারী কেন্দ্র থ্যালামাস বিভিন্ন ইন্দ্রিয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে সংবেদন গ্রহণ করে এবং ঊর্ধ্বতন কেন্দ্র সমূহে তা প্রেরণ করে। তাই থ্যালামাসকে সংবাদ প্রেরক যন্ত্র বা রিলে স্টেশন ও বলা হয়।
সংবেদী অঞ্চল 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সংবেদী অঞ্চল A অংশ গুরুমস্তিষ্কের শিরোকুন্ড অঞ্চলকে নির্দেশ করে। নিচে শিরোকুন্ড অঞ্চল ব্যাখ্যা করা হলো- গুরুমস্তিষ্কে তিন ধরনের অঞ্চল রয়েছে, যার মধ্যে একটি অঞ্চল হলো সংবেদন অঞ্চল। এর সকল অংশ সংবেদীয় কাজের জন্য দায়ী। সংবেদন অঞ্চলের আবার বিভিন্ন অংশ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের সংবেদীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে, যার মধ্যে একটি হলো শিরোকুন্ড অঞ্চল। এ অঞ্চল শ্রবণের জন্য দায়ী। কোনো কারণে এ অংশটি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ বধির হয়ে যায়। আবার বিদ্যুৎ প্রবাহের দ্বারা এই অংশ উদ্দীপিত হলে বিভিন্ন ধরনের শব্দ শোনা যায়।
গুরু মস্তিষ্কের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

গুরুমস্তিষ্কের B ও C অঞ্চল হলো যথাক্রমে 'গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চল। মস্তিষ্কের অর্ধাংশের নাম হলো গুরুমস্তিষ্ক। গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে- ১. সংবেদন অঞ্চল, ২. গতি অঞ্চল, ৩. সংযোগ অঞ্চল। নিচে গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- গতি অঞ্চল: রোলান্ডো নামক খাঁজের কাছে এ অঞ্চল অবস্থিত। এটা চেষ্টীয় কাজের জন্য দায়ী। আমরা যখন কোনো অঙ্গ সঞ্চালন করি তখন মস্তিষ্কের গতি অঞ্চলের বিশেষ কোনো কেন্দ্র উত্তেজিত হয় এবং এই উত্তেজনায় স্নায়ু প্রবাহ গতিবাহী স্নায়ুর মাধ্যমে মাংসপেশিতে পৌঁছে তাকে সক্রিয় করে তোলে। আমাদের শরীরে যতগুলো মাংসপেশি আছে গুরুমস্তিষ্কে ততগুলো গতি কেন্দ্র রয়েছে। এ অঞ্চলটিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ দ্বারা উদ্দীপিত করলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। সংযোগ অঞ্চল: গুরুমস্তিষ্কের বিস্তৃত অঞ্চল নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। একে অনুষংগ এলাকাও বলা হয়। বিভিন্ন এলাকার অনুষংগ স্থাপনে এ অঞ্চলটি বিশেষ কার্যকর। এ অঞ্চলটি বিভিন্ন ধরনের জটিল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ অঞ্চল স্নায়ু প্রবাহের যোগাযোগ, মিলন এবং সমন্বয় সাধন করে থাকে। এই কার্যের ফলেই উচ্চতর মানসিক ক্রিয়া যথা- পর্যবেক্ষণ, শিক্ষণ, চিন্তন, জ্ঞান, স্মৃতি ইত্যাদি সম্ভবপর হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা কয়টি?

উত্তর

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া।
থ্যালামাসকে রিলে স্টেশন বলা হয় কেন?

উত্তর

থ্যালামাস হলো মস্তিষ্ক শাখার উপর অবস্থিত দুই অংশ বিশিষ্ট স্ফীত সম্মুখ মস্তিষ্কের একটি অংশ। এটি মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশ দ্বারা আবৃত। এটি মস্তিষ্কের তৃতীয় গহবরের পার্শ্বে অবস্থিত। এটি একটি সংযোগ স্থাপনকারী কেন্দ্র থ্যালামাস বিভিন্ন ইন্দ্রিয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে সংবেদন গ্রহণ করে এবং ঊর্ধ্বতন কেন্দ্র সমূহে তা প্রেরণ করে। তাই থ্যালামাসকে সংবাদ প্রেরক যন্ত্র বা রিলে স্টেশন ও বলা হয়।
সংবেদী অঞ্চল 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সংবেদী অঞ্চল A অংশ গুরুমস্তিষ্কের শিরোকুন্ড অঞ্চলকে নির্দেশ করে। নিচে শিরোকুন্ড অঞ্চল ব্যাখ্যা করা হলো- গুরুমস্তিষ্কে তিন ধরনের অঞ্চল রয়েছে, যার মধ্যে একটি অঞ্চল হলো সংবেদন অঞ্চল। এর সকল অংশ সংবেদীয় কাজের জন্য দায়ী। সংবেদন অঞ্চলের আবার বিভিন্ন অংশ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের সংবেদীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে, যার মধ্যে একটি হলো শিরোকুন্ড অঞ্চল। এ অঞ্চল শ্রবণের জন্য দায়ী। কোনো কারণে এ অংশটি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ বধির হয়ে যায়। আবার বিদ্যুৎ প্রবাহের দ্বারা এই অংশ উদ্দীপিত হলে বিভিন্ন ধরনের শব্দ শোনা যায়।
গুরু মস্তিষ্কের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

গুরুমস্তিষ্কের B ও C অঞ্চল হলো যথাক্রমে 'গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চল। মস্তিষ্কের অর্ধাংশের নাম হলো গুরুমস্তিষ্ক। গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে- ১. সংবেদন অঞ্চল, ২. গতি অঞ্চল, ৩. সংযোগ অঞ্চল। নিচে গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- গতি অঞ্চল: রোলান্ডো নামক খাঁজের কাছে এ অঞ্চল অবস্থিত। এটা চেষ্টীয় কাজের জন্য দায়ী। আমরা যখন কোনো অঙ্গ সঞ্চালন করি তখন মস্তিষ্কের গতি অঞ্চলের বিশেষ কোনো কেন্দ্র উত্তেজিত হয় এবং এই উত্তেজনায় স্নায়ু প্রবাহ গতিবাহী স্নায়ুর মাধ্যমে মাংসপেশিতে পৌঁছে তাকে সক্রিয় করে তোলে। আমাদের শরীরে যতগুলো মাংসপেশি আছে গুরুমস্তিষ্কে ততগুলো গতি কেন্দ্র রয়েছে। এ অঞ্চলটিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ দ্বারা উদ্দীপিত করলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। সংযোগ অঞ্চল: গুরুমস্তিষ্কের বিস্তৃত অঞ্চল নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। একে অনুষংগ এলাকাও বলা হয়। বিভিন্ন এলাকার অনুষংগ স্থাপনে এ অঞ্চলটি বিশেষ কার্যকর। এ অঞ্চলটি বিভিন্ন ধরনের জটিল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ অঞ্চল স্নায়ু প্রবাহের যোগাযোগ, মিলন এবং সমন্বয় সাধন করে থাকে। এই কার্যের ফলেই উচ্চতর মানসিক ক্রিয়া যথা- পর্যবেক্ষণ, শিক্ষণ, চিন্তন, জ্ঞান, স্মৃতি ইত্যাদি সম্ভবপর হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি?

উত্তর

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মস্তিষ্ক।
পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয় কেন?

উত্তর

আমাদের দেহের গঠন ও বুদ্ধির বিকাশে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদের মধ্যে আমাদের মাথার মাঝামাঝি জায়গায় গুরু মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত আকারে ডিমের মতো এবং আয়তনে মটর দানার সমান হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে এ গ্রন্থির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য। কেননা পিটুইটারি গ্রন্থি এর নিজস্ব ক্রিয়া ছাড়াও অ্যাড্রিনাল, থাইরয়েড ও যৌন গ্রন্থির ক্রিয়াকেও কিছু মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে। এ সকল কার্যাবলীর জন্য পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর B চিহ্নিত অংশটির কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ৪ চিহ্নিত অংশটি হলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র সে সকল স্নায়ু নিয়ে গঠিত যা হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, মসৃণ মাংসপেশি এবং গ্রন্থিসমূহের সাথে সংযুক্ত। আমরা যখন আবেগের অভিজ্ঞতা লাভ করি তখন যে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তার মূলে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- সমবেদী ও পরাসমবেদী। সমবেদী: সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হচ্ছে জীবকে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা। এর কার্যাবলী নিম্নরূপ: ১. হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া বেড়ে যায়, ফলে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় ২. শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। ৩. পরিপাক ক্রিয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে। ৪. রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। ৫. চোখের মনিকে বড় করে। ৬. ঘর্মের মাধ্যমে শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়। পরাসমবেদী: পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্র শরীরের শক্তিকে সংরক্ষণ করে, এর কার্যাবলী নিম্নরূপ- ১. হৃৎপিণ্ডের গতিবেগ কমিয়ে দেয়। ২. রক্তের চাপ কমায়। ৩. দৈহিক উত্তাপের হ্রাস প্রাপ্তি ঘটায়। ৪. পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। ৫. মলমূত্র শরীর থেকে বের করতে সহায়তা করে। ৬. যৌনগ্রন্থির ক্রিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়। ৭. চোখের মনিকে ছোট করে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A চিহ্নিত অংশটির অবস্থান উল্লেখসহ এর গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A চিহ্নিত অংশটি হলো মেরুরজ্জু। নিচে এর অবস্থান উল্লেখসহ গঠন বর্ণনা করা হলো- মেরুরজ্জু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে নিচের ও সবচেয়ে সরল গঠনযুক্ত অংশ। এটা আমাদের মেরুদণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। মেরুদণ্ড বস্তিগহ্বরের একটু উপর থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের নিম্নে স্কন্ধদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুদণ্ড মোট ৩৩ বা ৩৪ টি কশেরুকা নিয়ে গঠিত। কশেরুকাগুলো ছিদ্রবিশিষ্ট এবং একটি অপরটির উপর সজ্জিত। ফলে মেরুদণ্ডের মাঝামাঝি দিয়ে একটি নিরবচ্ছিন্ন ছিদ্র বা নালিকার সৃষ্টি হয়। এই নালিকাটির ভিতরেই মেরুরজ্জু রয়েছে। মেরুরজ্জু সাধারণত প্রায় ১৭ বা ১৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। আড়াআড়ি ব্যবচ্ছেদ থেকে দেখা যায় যে, মেরুরজ্জু দুটি ভিন্ন এলাকা নিয়ে গঠিত। একটি ভিতরের H আকৃতির ধূসর পদার্থ এবং অন্যটি ধূসর পদার্থের চারদিকে ঘেরা শ্বেত পদার্থ। ধূসর পদার্থ অধিকভাবে কোষদেহ এবং আবরণবিহীন আন্তঃস্নায়ুকোষ দ্বারা গঠিত; অপরদিকে শ্বেত পদার্থ অধিকভাবে ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী মায়োলিন আবরণযুক্ত স্নায়ু শাখা দ্বারা গঠিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি?

উত্তর

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মস্তিষ্ক।
পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয় কেন?

উত্তর

আমাদের দেহের গঠন ও বুদ্ধির বিকাশে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদের মধ্যে আমাদের মাথার মাঝামাঝি জায়গায় গুরু মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত আকারে ডিমের মতো এবং আয়তনে মটর দানার সমান হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে এ গ্রন্থির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য। কেননা পিটুইটারি গ্রন্থি এর নিজস্ব ক্রিয়া ছাড়াও অ্যাড্রিনাল, থাইরয়েড ও যৌন গ্রন্থির ক্রিয়াকেও কিছু মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে। এ সকল কার্যাবলীর জন্য পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর B চিহ্নিত অংশটির কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ৪ চিহ্নিত অংশটি হলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র সে সকল স্নায়ু নিয়ে গঠিত যা হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, মসৃণ মাংসপেশি এবং গ্রন্থিসমূহের সাথে সংযুক্ত। আমরা যখন আবেগের অভিজ্ঞতা লাভ করি তখন যে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তার মূলে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- সমবেদী ও পরাসমবেদী। সমবেদী: সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হচ্ছে জীবকে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা। এর কার্যাবলী নিম্নরূপ: ১. হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া বেড়ে যায়, ফলে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় ২. শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। ৩. পরিপাক ক্রিয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে। ৪. রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। ৫. চোখের মনিকে বড় করে। ৬. ঘর্মের মাধ্যমে শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়। পরাসমবেদী: পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্র শরীরের শক্তিকে সংরক্ষণ করে, এর কার্যাবলী নিম্নরূপ- ১. হৃৎপিণ্ডের গতিবেগ কমিয়ে দেয়। ২. রক্তের চাপ কমায়। ৩. দৈহিক উত্তাপের হ্রাস প্রাপ্তি ঘটায়। ৪. পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। ৫. মলমূত্র শরীর থেকে বের করতে সহায়তা করে। ৬. যৌনগ্রন্থির ক্রিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়। ৭. চোখের মনিকে ছোট করে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A চিহ্নিত অংশটির অবস্থান উল্লেখসহ এর গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A চিহ্নিত অংশটি হলো মেরুরজ্জু। নিচে এর অবস্থান উল্লেখসহ গঠন বর্ণনা করা হলো- মেরুরজ্জু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে নিচের ও সবচেয়ে সরল গঠনযুক্ত অংশ। এটা আমাদের মেরুদণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। মেরুদণ্ড বস্তিগহ্বরের একটু উপর থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের নিম্নে স্কন্ধদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুদণ্ড মোট ৩৩ বা ৩৪ টি কশেরুকা নিয়ে গঠিত। কশেরুকাগুলো ছিদ্রবিশিষ্ট এবং একটি অপরটির উপর সজ্জিত। ফলে মেরুদণ্ডের মাঝামাঝি দিয়ে একটি নিরবচ্ছিন্ন ছিদ্র বা নালিকার সৃষ্টি হয়। এই নালিকাটির ভিতরেই মেরুরজ্জু রয়েছে। মেরুরজ্জু সাধারণত প্রায় ১৭ বা ১৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। আড়াআড়ি ব্যবচ্ছেদ থেকে দেখা যায় যে, মেরুরজ্জু দুটি ভিন্ন এলাকা নিয়ে গঠিত। একটি ভিতরের H আকৃতির ধূসর পদার্থ এবং অন্যটি ধূসর পদার্থের চারদিকে ঘেরা শ্বেত পদার্থ। ধূসর পদার্থ অধিকভাবে কোষদেহ এবং আবরণবিহীন আন্তঃস্নায়ুকোষ দ্বারা গঠিত; অপরদিকে শ্বেত পদার্থ অধিকভাবে ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী মায়োলিন আবরণযুক্ত স্নায়ু শাখা দ্বারা গঠিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতির ও ক্ষীণদেহী। রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোট-খাট ঘটনায় প্রায়ই উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। অন্যদিকে, তাদের চাচাতো ভাই রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয়।

Dhaka · 2025

অনালি গ্রন্থি কী?

উত্তর

কে আমাদের দেহের অভ্যন্তরে যেসব গ্রন্থির ক্ষরণ কোনো নালির ভেতর দিয়ে না গিয়ে সরাসরি রক্তশ্রুতে মিশে আমাদের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে সেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা বা নালিহীন বা অনালি গ্রন্থি বলা হয়।
ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। রক্ত হতে শর্করা ব্যবহার করতে কোষসমূহের জন্য ইনসুলিন অতীব প্রয়োজন। ইনসুলিন রক্ত প্রবাহে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে। ইনসুলিন হরমোন বহুমূত্র রোগের নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় হতে উপযুক্ত পরিমাণ হরমোন ক্ষরিত না হওয়ার ফলে রক্তের বাড়তি শর্করা মূত্রের সঙ্গে বের হয়ে যায় ফলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। বহুমূত্র রোগ উপশমের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। . এজন্য ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য কোন হরমোন দায়ী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরক্সিন হরমোন দায়ী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনীয় রস ক্ষরিত না হলে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়, এর ফলে শিশুর যে রোগ হয় তা ক্রেটিনিজম নামে পরিচিত। এ রোগে আক্রান্ত শিশুর মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হয় না, শারীরিক বিকাশও ঠিকমতো হয় না। এসব শিশুদের বেশিরভাগ মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে যায়। এ রোগের ফলে শিশু খর্বাকৃতি, ক্ষীণদেহী ও স্ফীতোদর ও ক্ষীণবুদ্ধির হয়ে থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায় রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতি ও ক্ষীণদেহী। তাই আমরা বলতে পারি রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের অভাব দায়ী।
উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখা ও রুশোর ভিতর প্রভাব বিস্তারকারী হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখার ক্ষেত্রে এড্রিনাল গ্রন্থি নিঃসৃত অ্যাড্রিনালিন হরমোন ও রুশোর ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন প্রভাব বিস্তার করেছে। নিচে হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দেওয়া হলো- এড্রিনাল গ্রন্থির ভিতরের অংশ এড্রিনাল মেডুলা থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন হলো অ্যাড্রিনালিন হরমোন। এ হরমোন অত্যন্ত উত্তেজক। এ হরমোনটির প্রভাবে শরীরের তীব্র ভাবানুভূতি ও উত্তেজনার সমস্ত লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই হরমোন সমবেদী স্নায়ুমণ্ডলীকে উত্তেজিত করে ফলে দেহের তাপ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তের চাপ বেড়ে যায়, শরীরের ঘাম দেখা দেয় এবং পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোটখাটো - ঘটনায় প্রায় উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। সুতরাং রেখার মধ্যে অ্যাড্রিনালিন হরমোনের প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। দেহ ও মনের বিকাশ বহুলাংশে নির্ভর করে থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্রিয়ার উপর। এর ক্ষরণ স্বাভাবিক হলে চেহারায় লাবণ্য ও বুদ্ধির ছাপ পড়ে, ব্যক্তি বুদ্ধিমান, কর্মঠ ও অনুভূতি প্রবণ হয়। তাই ব্যক্তির বুদ্ধিগত এবং মেজাজগত বৈশিষ্ট্যের উপর এই গ্রন্থির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায় রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয় সুতরাং রুশোর বেলায় থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্ষরণ রয়েছে বলে মনে করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতির ও ক্ষীণদেহী। রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোট-খাট ঘটনায় প্রায়ই উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। অন্যদিকে, তাদের চাচাতো ভাই রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয়।

Dhaka · 2025

অনালি গ্রন্থি কী?

উত্তর

কে আমাদের দেহের অভ্যন্তরে যেসব গ্রন্থির ক্ষরণ কোনো নালির ভেতর দিয়ে না গিয়ে সরাসরি রক্তশ্রুতে মিশে আমাদের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে সেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা বা নালিহীন বা অনালি গ্রন্থি বলা হয়।
ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। রক্ত হতে শর্করা ব্যবহার করতে কোষসমূহের জন্য ইনসুলিন অতীব প্রয়োজন। ইনসুলিন রক্ত প্রবাহে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে। ইনসুলিন হরমোন বহুমূত্র রোগের নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় হতে উপযুক্ত পরিমাণ হরমোন ক্ষরিত না হওয়ার ফলে রক্তের বাড়তি শর্করা মূত্রের সঙ্গে বের হয়ে যায় ফলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। বহুমূত্র রোগ উপশমের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। . এজন্য ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য কোন হরমোন দায়ী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরক্সিন হরমোন দায়ী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনীয় রস ক্ষরিত না হলে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়, এর ফলে শিশুর যে রোগ হয় তা ক্রেটিনিজম নামে পরিচিত। এ রোগে আক্রান্ত শিশুর মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হয় না, শারীরিক বিকাশও ঠিকমতো হয় না। এসব শিশুদের বেশিরভাগ মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে যায়। এ রোগের ফলে শিশু খর্বাকৃতি, ক্ষীণদেহী ও স্ফীতোদর ও ক্ষীণবুদ্ধির হয়ে থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায় রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতি ও ক্ষীণদেহী। তাই আমরা বলতে পারি রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের অভাব দায়ী।
উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখা ও রুশোর ভিতর প্রভাব বিস্তারকারী হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখার ক্ষেত্রে এড্রিনাল গ্রন্থি নিঃসৃত অ্যাড্রিনালিন হরমোন ও রুশোর ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন প্রভাব বিস্তার করেছে। নিচে হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দেওয়া হলো- এড্রিনাল গ্রন্থির ভিতরের অংশ এড্রিনাল মেডুলা থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন হলো অ্যাড্রিনালিন হরমোন। এ হরমোন অত্যন্ত উত্তেজক। এ হরমোনটির প্রভাবে শরীরের তীব্র ভাবানুভূতি ও উত্তেজনার সমস্ত লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই হরমোন সমবেদী স্নায়ুমণ্ডলীকে উত্তেজিত করে ফলে দেহের তাপ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তের চাপ বেড়ে যায়, শরীরের ঘাম দেখা দেয় এবং পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোটখাটো - ঘটনায় প্রায় উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। সুতরাং রেখার মধ্যে অ্যাড্রিনালিন হরমোনের প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। দেহ ও মনের বিকাশ বহুলাংশে নির্ভর করে থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্রিয়ার উপর। এর ক্ষরণ স্বাভাবিক হলে চেহারায় লাবণ্য ও বুদ্ধির ছাপ পড়ে, ব্যক্তি বুদ্ধিমান, কর্মঠ ও অনুভূতি প্রবণ হয়। তাই ব্যক্তির বুদ্ধিগত এবং মেজাজগত বৈশিষ্ট্যের উপর এই গ্রন্থির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায় রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয় সুতরাং রুশোর বেলায় থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্ষরণ রয়েছে বলে মনে করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা কয়টি?

উত্তর

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া।
থ্যালামাসকে রিলে স্টেশন বলা হয় কেন?

উত্তর

থ্যালামাস হলো মস্তিষ্ক শাখার উপর অবস্থিত দুই অংশ বিশিষ্ট স্ফীত সম্মুখ মস্তিষ্কের একটি অংশ। এটি মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশ দ্বারা আবৃত। এটি মস্তিষ্কের তৃতীয় গহবরের পার্শ্বে অবস্থিত। এটি একটি সংযোগ স্থাপনকারী কেন্দ্র থ্যালামাস বিভিন্ন ইন্দ্রিয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে সংবেদন গ্রহণ করে এবং ঊর্ধ্বতন কেন্দ্র সমূহে তা প্রেরণ করে। তাই থ্যালামাসকে সংবাদ প্রেরক যন্ত্র বা রিলে স্টেশন ও বলা হয়।
সংবেদী অঞ্চল 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সংবেদী অঞ্চল A অংশ গুরুমস্তিষ্কের শিরোকুন্ড অঞ্চলকে নির্দেশ করে। নিচে শিরোকুন্ড অঞ্চল ব্যাখ্যা করা হলো- গুরুমস্তিষ্কে তিন ধরনের অঞ্চল রয়েছে, যার মধ্যে একটি অঞ্চল হলো সংবেদন অঞ্চল। এর সকল অংশ সংবেদীয় কাজের জন্য দায়ী। সংবেদন অঞ্চলের আবার বিভিন্ন অংশ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের সংবেদীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে, যার মধ্যে একটি হলো শিরোকুন্ড অঞ্চল। এ অঞ্চল শ্রবণের জন্য দায়ী। কোনো কারণে এ অংশটি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ বধির হয়ে যায়। আবার বিদ্যুৎ প্রবাহের দ্বারা এই অংশ উদ্দীপিত হলে বিভিন্ন ধরনের শব্দ শোনা যায়।
গুরু মস্তিষ্কের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

গুরুমস্তিষ্কের B ও C অঞ্চল হলো যথাক্রমে 'গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চল। মস্তিষ্কের অর্ধাংশের নাম হলো গুরুমস্তিষ্ক। গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে- ১. সংবেদন অঞ্চল, ২. গতি অঞ্চল, ৩. সংযোগ অঞ্চল। নিচে গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- গতি অঞ্চল: রোলান্ডো নামক খাঁজের কাছে এ অঞ্চল অবস্থিত। এটা চেষ্টীয় কাজের জন্য দায়ী। আমরা যখন কোনো অঙ্গ সঞ্চালন করি তখন মস্তিষ্কের গতি অঞ্চলের বিশেষ কোনো কেন্দ্র উত্তেজিত হয় এবং এই উত্তেজনায় স্নায়ু প্রবাহ গতিবাহী স্নায়ুর মাধ্যমে মাংসপেশিতে পৌঁছে তাকে সক্রিয় করে তোলে। আমাদের শরীরে যতগুলো মাংসপেশি আছে গুরুমস্তিষ্কে ততগুলো গতি কেন্দ্র রয়েছে। এ অঞ্চলটিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ দ্বারা উদ্দীপিত করলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। সংযোগ অঞ্চল: গুরুমস্তিষ্কের বিস্তৃত অঞ্চল নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। একে অনুষংগ এলাকাও বলা হয়। বিভিন্ন এলাকার অনুষংগ স্থাপনে এ অঞ্চলটি বিশেষ কার্যকর। এ অঞ্চলটি বিভিন্ন ধরনের জটিল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ অঞ্চল স্নায়ু প্রবাহের যোগাযোগ, মিলন এবং সমন্বয় সাধন করে থাকে। এই কার্যের ফলেই উচ্চতর মানসিক ক্রিয়া যথা- পর্যবেক্ষণ, শিক্ষণ, চিন্তন, জ্ঞান, স্মৃতি ইত্যাদি সম্ভবপর হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা কয়টি?

উত্তর

মানবদেহে মেরু স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া।
থ্যালামাসকে রিলে স্টেশন বলা হয় কেন?

উত্তর

থ্যালামাস হলো মস্তিষ্ক শাখার উপর অবস্থিত দুই অংশ বিশিষ্ট স্ফীত সম্মুখ মস্তিষ্কের একটি অংশ। এটি মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশ দ্বারা আবৃত। এটি মস্তিষ্কের তৃতীয় গহবরের পার্শ্বে অবস্থিত। এটি একটি সংযোগ স্থাপনকারী কেন্দ্র থ্যালামাস বিভিন্ন ইন্দ্রিয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে সংবেদন গ্রহণ করে এবং ঊর্ধ্বতন কেন্দ্র সমূহে তা প্রেরণ করে। তাই থ্যালামাসকে সংবাদ প্রেরক যন্ত্র বা রিলে স্টেশন ও বলা হয়।
সংবেদী অঞ্চল 'AA^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সংবেদী অঞ্চল A অংশ গুরুমস্তিষ্কের শিরোকুন্ড অঞ্চলকে নির্দেশ করে। নিচে শিরোকুন্ড অঞ্চল ব্যাখ্যা করা হলো- গুরুমস্তিষ্কে তিন ধরনের অঞ্চল রয়েছে, যার মধ্যে একটি অঞ্চল হলো সংবেদন অঞ্চল। এর সকল অংশ সংবেদীয় কাজের জন্য দায়ী। সংবেদন অঞ্চলের আবার বিভিন্ন অংশ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের সংবেদীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে, যার মধ্যে একটি হলো শিরোকুন্ড অঞ্চল। এ অঞ্চল শ্রবণের জন্য দায়ী। কোনো কারণে এ অংশটি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ বধির হয়ে যায়। আবার বিদ্যুৎ প্রবাহের দ্বারা এই অংশ উদ্দীপিত হলে বিভিন্ন ধরনের শব্দ শোনা যায়।
গুরু মস্তিষ্কের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

গুরুমস্তিষ্কের B ও C অঞ্চল হলো যথাক্রমে 'গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চল। মস্তিষ্কের অর্ধাংশের নাম হলো গুরুমস্তিষ্ক। গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে- ১. সংবেদন অঞ্চল, ২. গতি অঞ্চল, ৩. সংযোগ অঞ্চল। নিচে গতি অঞ্চল ও সংযোগ অঞ্চলের কাজের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- গতি অঞ্চল: রোলান্ডো নামক খাঁজের কাছে এ অঞ্চল অবস্থিত। এটা চেষ্টীয় কাজের জন্য দায়ী। আমরা যখন কোনো অঙ্গ সঞ্চালন করি তখন মস্তিষ্কের গতি অঞ্চলের বিশেষ কোনো কেন্দ্র উত্তেজিত হয় এবং এই উত্তেজনায় স্নায়ু প্রবাহ গতিবাহী স্নায়ুর মাধ্যমে মাংসপেশিতে পৌঁছে তাকে সক্রিয় করে তোলে। আমাদের শরীরে যতগুলো মাংসপেশি আছে গুরুমস্তিষ্কে ততগুলো গতি কেন্দ্র রয়েছে। এ অঞ্চলটিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ দ্বারা উদ্দীপিত করলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। সংযোগ অঞ্চল: গুরুমস্তিষ্কের বিস্তৃত অঞ্চল নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। একে অনুষংগ এলাকাও বলা হয়। বিভিন্ন এলাকার অনুষংগ স্থাপনে এ অঞ্চলটি বিশেষ কার্যকর। এ অঞ্চলটি বিভিন্ন ধরনের জটিল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ অঞ্চল স্নায়ু প্রবাহের যোগাযোগ, মিলন এবং সমন্বয় সাধন করে থাকে। এই কার্যের ফলেই উচ্চতর মানসিক ক্রিয়া যথা- পর্যবেক্ষণ, শিক্ষণ, চিন্তন, জ্ঞান, স্মৃতি ইত্যাদি সম্ভবপর হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি?

উত্তর

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মস্তিষ্ক।
পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয় কেন?

উত্তর

আমাদের দেহের গঠন ও বুদ্ধির বিকাশে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদের মধ্যে আমাদের মাথার মাঝামাঝি জায়গায় গুরু মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত আকারে ডিমের মতো এবং আয়তনে মটর দানার সমান হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে এ গ্রন্থির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য। কেননা পিটুইটারি গ্রন্থি এর নিজস্ব ক্রিয়া ছাড়াও অ্যাড্রিনাল, থাইরয়েড ও যৌন গ্রন্থির ক্রিয়াকেও কিছু মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে। এ সকল কার্যাবলীর জন্য পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর B চিহ্নিত অংশটির কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ৪ চিহ্নিত অংশটি হলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র সে সকল স্নায়ু নিয়ে গঠিত যা হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, মসৃণ মাংসপেশি এবং গ্রন্থিসমূহের সাথে সংযুক্ত। আমরা যখন আবেগের অভিজ্ঞতা লাভ করি তখন যে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তার মূলে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- সমবেদী ও পরাসমবেদী। সমবেদী: সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হচ্ছে জীবকে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা। এর কার্যাবলী নিম্নরূপ: ১. হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া বেড়ে যায়, ফলে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় ২. শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। ৩. পরিপাক ক্রিয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে। ৪. রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। ৫. চোখের মনিকে বড় করে। ৬. ঘর্মের মাধ্যমে শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়। পরাসমবেদী: পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্র শরীরের শক্তিকে সংরক্ষণ করে, এর কার্যাবলী নিম্নরূপ- ১. হৃৎপিণ্ডের গতিবেগ কমিয়ে দেয়। ২. রক্তের চাপ কমায়। ৩. দৈহিক উত্তাপের হ্রাস প্রাপ্তি ঘটায়। ৪. পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। ৫. মলমূত্র শরীর থেকে বের করতে সহায়তা করে। ৬. যৌনগ্রন্থির ক্রিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়। ৭. চোখের মনিকে ছোট করে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A চিহ্নিত অংশটির অবস্থান উল্লেখসহ এর গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A চিহ্নিত অংশটি হলো মেরুরজ্জু। নিচে এর অবস্থান উল্লেখসহ গঠন বর্ণনা করা হলো- মেরুরজ্জু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে নিচের ও সবচেয়ে সরল গঠনযুক্ত অংশ। এটা আমাদের মেরুদণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। মেরুদণ্ড বস্তিগহ্বরের একটু উপর থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের নিম্নে স্কন্ধদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুদণ্ড মোট ৩৩ বা ৩৪ টি কশেরুকা নিয়ে গঠিত। কশেরুকাগুলো ছিদ্রবিশিষ্ট এবং একটি অপরটির উপর সজ্জিত। ফলে মেরুদণ্ডের মাঝামাঝি দিয়ে একটি নিরবচ্ছিন্ন ছিদ্র বা নালিকার সৃষ্টি হয়। এই নালিকাটির ভিতরেই মেরুরজ্জু রয়েছে। মেরুরজ্জু সাধারণত প্রায় ১৭ বা ১৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। আড়াআড়ি ব্যবচ্ছেদ থেকে দেখা যায় যে, মেরুরজ্জু দুটি ভিন্ন এলাকা নিয়ে গঠিত। একটি ভিতরের H আকৃতির ধূসর পদার্থ এবং অন্যটি ধূসর পদার্থের চারদিকে ঘেরা শ্বেত পদার্থ। ধূসর পদার্থ অধিকভাবে কোষদেহ এবং আবরণবিহীন আন্তঃস্নায়ুকোষ দ্বারা গঠিত; অপরদিকে শ্বেত পদার্থ অধিকভাবে ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী মায়োলিন আবরণযুক্ত স্নায়ু শাখা দ্বারা গঠিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি?

উত্তর

স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মস্তিষ্ক।
পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভুগ্রন্থি বলা হয় কেন?

উত্তর

আমাদের দেহের গঠন ও বুদ্ধির বিকাশে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদের মধ্যে আমাদের মাথার মাঝামাঝি জায়গায় গুরু মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত আকারে ডিমের মতো এবং আয়তনে মটর দানার সমান হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে এ গ্রন্থির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য। কেননা পিটুইটারি গ্রন্থি এর নিজস্ব ক্রিয়া ছাড়াও অ্যাড্রিনাল, থাইরয়েড ও যৌন গ্রন্থির ক্রিয়াকেও কিছু মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে। এ সকল কার্যাবলীর জন্য পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর B চিহ্নিত অংশটির কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ৪ চিহ্নিত অংশটি হলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র সে সকল স্নায়ু নিয়ে গঠিত যা হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, মসৃণ মাংসপেশি এবং গ্রন্থিসমূহের সাথে সংযুক্ত। আমরা যখন আবেগের অভিজ্ঞতা লাভ করি তখন যে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তার মূলে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- সমবেদী ও পরাসমবেদী। সমবেদী: সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হচ্ছে জীবকে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা। এর কার্যাবলী নিম্নরূপ: ১. হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া বেড়ে যায়, ফলে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় ২. শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। ৩. পরিপাক ক্রিয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে। ৪. রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। ৫. চোখের মনিকে বড় করে। ৬. ঘর্মের মাধ্যমে শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়। পরাসমবেদী: পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্র শরীরের শক্তিকে সংরক্ষণ করে, এর কার্যাবলী নিম্নরূপ- ১. হৃৎপিণ্ডের গতিবেগ কমিয়ে দেয়। ২. রক্তের চাপ কমায়। ৩. দৈহিক উত্তাপের হ্রাস প্রাপ্তি ঘটায়। ৪. পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। ৫. মলমূত্র শরীর থেকে বের করতে সহায়তা করে। ৬. যৌনগ্রন্থির ক্রিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়। ৭. চোখের মনিকে ছোট করে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A চিহ্নিত অংশটির অবস্থান উল্লেখসহ এর গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A চিহ্নিত অংশটি হলো মেরুরজ্জু। নিচে এর অবস্থান উল্লেখসহ গঠন বর্ণনা করা হলো- মেরুরজ্জু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে নিচের ও সবচেয়ে সরল গঠনযুক্ত অংশ। এটা আমাদের মেরুদণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। মেরুদণ্ড বস্তিগহ্বরের একটু উপর থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের নিম্নে স্কন্ধদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুদণ্ড মোট ৩৩ বা ৩৪ টি কশেরুকা নিয়ে গঠিত। কশেরুকাগুলো ছিদ্রবিশিষ্ট এবং একটি অপরটির উপর সজ্জিত। ফলে মেরুদণ্ডের মাঝামাঝি দিয়ে একটি নিরবচ্ছিন্ন ছিদ্র বা নালিকার সৃষ্টি হয়। এই নালিকাটির ভিতরেই মেরুরজ্জু রয়েছে। মেরুরজ্জু সাধারণত প্রায় ১৭ বা ১৮ ইঞ্চি লম্বা হয়। আড়াআড়ি ব্যবচ্ছেদ থেকে দেখা যায় যে, মেরুরজ্জু দুটি ভিন্ন এলাকা নিয়ে গঠিত। একটি ভিতরের H আকৃতির ধূসর পদার্থ এবং অন্যটি ধূসর পদার্থের চারদিকে ঘেরা শ্বেত পদার্থ। ধূসর পদার্থ অধিকভাবে কোষদেহ এবং আবরণবিহীন আন্তঃস্নায়ুকোষ দ্বারা গঠিত; অপরদিকে শ্বেত পদার্থ অধিকভাবে ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী মায়োলিন আবরণযুক্ত স্নায়ু শাখা দ্বারা গঠিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতির ও ক্ষীণদেহী। রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোট-খাট ঘটনায় প্রায়ই উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। অন্যদিকে, তাদের চাচাতো ভাই রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয়।

Dhaka · 2025

অনালি গ্রন্থি কী?

উত্তর

কে আমাদের দেহের অভ্যন্তরে যেসব গ্রন্থির ক্ষরণ কোনো নালির ভেতর দিয়ে না গিয়ে সরাসরি রক্তশ্রুতে মিশে আমাদের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে সেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা বা নালিহীন বা অনালি গ্রন্থি বলা হয়।
ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। রক্ত হতে শর্করা ব্যবহার করতে কোষসমূহের জন্য ইনসুলিন অতীব প্রয়োজন। ইনসুলিন রক্ত প্রবাহে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে। ইনসুলিন হরমোন বহুমূত্র রোগের নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় হতে উপযুক্ত পরিমাণ হরমোন ক্ষরিত না হওয়ার ফলে রক্তের বাড়তি শর্করা মূত্রের সঙ্গে বের হয়ে যায় ফলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। বহুমূত্র রোগ উপশমের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। . এজন্য ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য কোন হরমোন দায়ী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরক্সিন হরমোন দায়ী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনীয় রস ক্ষরিত না হলে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়, এর ফলে শিশুর যে রোগ হয় তা ক্রেটিনিজম নামে পরিচিত। এ রোগে আক্রান্ত শিশুর মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হয় না, শারীরিক বিকাশও ঠিকমতো হয় না। এসব শিশুদের বেশিরভাগ মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে যায়। এ রোগের ফলে শিশু খর্বাকৃতি, ক্ষীণদেহী ও স্ফীতোদর ও ক্ষীণবুদ্ধির হয়ে থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায় রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতি ও ক্ষীণদেহী। তাই আমরা বলতে পারি রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের অভাব দায়ী।
উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখা ও রুশোর ভিতর প্রভাব বিস্তারকারী হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখার ক্ষেত্রে এড্রিনাল গ্রন্থি নিঃসৃত অ্যাড্রিনালিন হরমোন ও রুশোর ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন প্রভাব বিস্তার করেছে। নিচে হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দেওয়া হলো- এড্রিনাল গ্রন্থির ভিতরের অংশ এড্রিনাল মেডুলা থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন হলো অ্যাড্রিনালিন হরমোন। এ হরমোন অত্যন্ত উত্তেজক। এ হরমোনটির প্রভাবে শরীরের তীব্র ভাবানুভূতি ও উত্তেজনার সমস্ত লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই হরমোন সমবেদী স্নায়ুমণ্ডলীকে উত্তেজিত করে ফলে দেহের তাপ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তের চাপ বেড়ে যায়, শরীরের ঘাম দেখা দেয় এবং পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোটখাটো - ঘটনায় প্রায় উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। সুতরাং রেখার মধ্যে অ্যাড্রিনালিন হরমোনের প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। দেহ ও মনের বিকাশ বহুলাংশে নির্ভর করে থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্রিয়ার উপর। এর ক্ষরণ স্বাভাবিক হলে চেহারায় লাবণ্য ও বুদ্ধির ছাপ পড়ে, ব্যক্তি বুদ্ধিমান, কর্মঠ ও অনুভূতি প্রবণ হয়। তাই ব্যক্তির বুদ্ধিগত এবং মেজাজগত বৈশিষ্ট্যের উপর এই গ্রন্থির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায় রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয় সুতরাং রুশোর বেলায় থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্ষরণ রয়েছে বলে মনে করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতির ও ক্ষীণদেহী। রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোট-খাট ঘটনায় প্রায়ই উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। অন্যদিকে, তাদের চাচাতো ভাই রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয়।

Dhaka · 2025

অনালি গ্রন্থি কী?

উত্তর

কে আমাদের দেহের অভ্যন্তরে যেসব গ্রন্থির ক্ষরণ কোনো নালির ভেতর দিয়ে না গিয়ে সরাসরি রক্তশ্রুতে মিশে আমাদের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে সেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা বা নালিহীন বা অনালি গ্রন্থি বলা হয়।
ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। রক্ত হতে শর্করা ব্যবহার করতে কোষসমূহের জন্য ইনসুলিন অতীব প্রয়োজন। ইনসুলিন রক্ত প্রবাহে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে। ইনসুলিন হরমোন বহুমূত্র রোগের নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অগ্ন্যাশয় হতে উপযুক্ত পরিমাণ হরমোন ক্ষরিত না হওয়ার ফলে রক্তের বাড়তি শর্করা মূত্রের সঙ্গে বের হয়ে যায় ফলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। বহুমূত্র রোগ উপশমের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। . এজন্য ইনসুলিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য কোন হরমোন দায়ী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরক্সিন হরমোন দায়ী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনীয় রস ক্ষরিত না হলে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়, এর ফলে শিশুর যে রোগ হয় তা ক্রেটিনিজম নামে পরিচিত। এ রোগে আক্রান্ত শিশুর মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হয় না, শারীরিক বিকাশও ঠিকমতো হয় না। এসব শিশুদের বেশিরভাগ মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে যায়। এ রোগের ফলে শিশু খর্বাকৃতি, ক্ষীণদেহী ও স্ফীতোদর ও ক্ষীণবুদ্ধির হয়ে থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায় রেবা ও রেখা দুই বোন। রেবা দেখতে খর্বাকৃতি ও ক্ষীণদেহী। তাই আমরা বলতে পারি রেবার শারীরিক সমস্যার জন্য থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের অভাব দায়ী।
উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখা ও রুশোর ভিতর প্রভাব বিস্তারকারী হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত রেখার ক্ষেত্রে এড্রিনাল গ্রন্থি নিঃসৃত অ্যাড্রিনালিন হরমোন ও রুশোর ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন প্রভাব বিস্তার করেছে। নিচে হরমোনগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দেওয়া হলো- এড্রিনাল গ্রন্থির ভিতরের অংশ এড্রিনাল মেডুলা থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন হলো অ্যাড্রিনালিন হরমোন। এ হরমোন অত্যন্ত উত্তেজক। এ হরমোনটির প্রভাবে শরীরের তীব্র ভাবানুভূতি ও উত্তেজনার সমস্ত লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই হরমোন সমবেদী স্নায়ুমণ্ডলীকে উত্তেজিত করে ফলে দেহের তাপ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তের চাপ বেড়ে যায়, শরীরের ঘাম দেখা দেয় এবং পরিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রেখা শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও ছোটখাটো - ঘটনায় প্রায় উত্তেজিত হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করে। সুতরাং রেখার মধ্যে অ্যাড্রিনালিন হরমোনের প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হলো থাইরয়েড গ্রন্থি। দেহ ও মনের বিকাশ বহুলাংশে নির্ভর করে থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্রিয়ার উপর। এর ক্ষরণ স্বাভাবিক হলে চেহারায় লাবণ্য ও বুদ্ধির ছাপ পড়ে, ব্যক্তি বুদ্ধিমান, কর্মঠ ও অনুভূতি প্রবণ হয়। তাই ব্যক্তির বুদ্ধিগত এবং মেজাজগত বৈশিষ্ট্যের উপর এই গ্রন্থির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকে দেখা যায় রুশো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয় সুতরাং রুশোর বেলায় থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক ক্ষরণ রয়েছে বলে মনে করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো