দৃশ্যকল্প-১ এর ৪ চিহ্নিত অংশটি হলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র।
স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র সে সকল স্নায়ু নিয়ে গঠিত যা হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, মসৃণ মাংসপেশি এবং গ্রন্থিসমূহের সাথে সংযুক্ত। আমরা যখন আবেগের অভিজ্ঞতা লাভ করি তখন যে শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তার মূলে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- সমবেদী ও পরাসমবেদী।
সমবেদী: সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হচ্ছে জীবকে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা। এর কার্যাবলী নিম্নরূপ:
১. হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া বেড়ে যায়, ফলে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়
২. শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়।
৩. পরিপাক ক্রিয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে।
৪. রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়।
৫. চোখের মনিকে বড় করে।
৬. ঘর্মের মাধ্যমে শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়।
পরাসমবেদী: পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্র শরীরের শক্তিকে সংরক্ষণ করে, এর কার্যাবলী নিম্নরূপ-
১. হৃৎপিণ্ডের গতিবেগ কমিয়ে দেয়।
২. রক্তের চাপ কমায়।
৩. দৈহিক উত্তাপের হ্রাস প্রাপ্তি ঘটায়।
৪. পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে।
৫. মলমূত্র শরীর থেকে বের করতে সহায়তা করে।
৬. যৌনগ্রন্থির ক্রিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়।
৭. চোখের মনিকে ছোট করে।