Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র

HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এর Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৫৯০

প্রশ্ন

কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কৃষি শিক্ষক রফিক সাহেব তার ছাত্রদের নিয়ে একটি মুরগির খামার পরিদর্শন, করেন। সেখানে তিনি দেখতে পেলেন কিছু মুরগি প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা করছে সেই সাথে সাদা শ্লেষ্মা ও রক্ত পড়ছে এবং মলদারের পাশের পালক ভেজা আছে। এ বিষয়ে খামারীকে তিনি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে বললেন।

Jessore · 2025

ব্রুডার হাউজ কী?

উত্তর

১- ২১ দিন বয়সের মুরগির বাচ্চাকে তাপ দেওয়ার ঘরই হলো বুডার হাউজ।
ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণগুলো নিম্নরূপ: ১. মোরগ-মুরগির অনুপাত সঠিক না হলে। ২. মোরগ-মুরগিকে সঠিকভাবে সুষম খাবার না খাওয়ালে। ৩. মোরগ-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে বা মোরগ শারীরিকভাবে অক্ষম হলে। ৪. মোরগ ও মুরগির বয়স বেশি হলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি কোন রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত। মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত অন্যতম মারাত্মক। এ রোগ প্রথমে মধ্য ইংল্যান্ডের নিউক্যাসল নামক স্থানে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপমহাদেশে রাণীক্ষেত নামক স্থানে এ রোগ প্রথম শনাক্ত হওয়ার কারণে একে রাণীক্ষেত রোগ বলে। গ্রামাঞ্চলে এ রোগকে চুনা হাগা রোগ বলে। শীত ও বসন্তকালে আমাদের দেশে এ রোগ বেশি দেখা যায়। রাণীক্ষেত রোগ নিউক্যাসল ডিজিজ ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত মুরগি দল ছেড়ে ঘরের কোণে ঝিমানো অবস্থায় থাকে। সুস্থ পাখি হঠাৎ কক্ শব্দে উপরে লাফ দেয়, তারপর মারা যায়। শ্বাসতন্ত্রে আক্রান্তের লক্ষণ প্রকাশ পায়, ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। এ রোগে আক্রান্ত হলে মুরগির ডিম উৎপাদন কমে যায়। এমনকি বন্ধও হয়ে যায়। চোখ ফুলে ওঠে, কানের লতি ও মাথার ঝুঁটি কালচে বর্ণ হয়। দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা মল মুরগির পিছনের পালকে লেগে থাকে। একে চুনা হাগাও বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগির রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারে কিছু মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। নিচে রাণীক্ষেত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো- গৃহপালিত পাখির জন্য রাণীক্ষেত খুবই মারাত্মক একটি রোগ। এ রোগের কোনো চিকিৎসা না থাকায় গৃহপালিত পাখি পালনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণই হবে প্রথম পদক্ষেপ। প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে খামারে জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং গৃহপালিত পাখিকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। রাণীক্ষেত রোগের দু'ধরনের টিকা পাওয়া যায়। টিকা দু'টি হলো- ১. বি.সি.আর.ডি.ভি (BCRDV): এ টিকাবীজের প্রতিটি ভায়ালে ১ মি.লি. মূল টিকাবীজ থাকে। টিকাবীজ ৬ মি.লি. পরিসুত পানিতে ভালোভাবে মিশাতে হয়। তারপর ৭ দিন ২১ দিন বয়সের প্রতিটি বাচ্চা পাখির প্রতি চোখে ১ ফোঁটা করে দিতে হবে। ২. আর.ডি.ভি. (RDV): সাদা কাচের এম্পুলে ০.৩ সি.সি হারে এ টিকাবীজ থাকে। এর সাথে ১০০ সিসি পরিদ্রুত পানি মিশিয়ে ১০০ মাত্রা করা হয়। এ টিকা দু'মাসের বেশি বয়সের প্রতিটি পাখির রানের মাংসে ১ সিসি করে ইনজেকশন দিতে হবে। এরপরও যদি খামারে এ রোগ দেখা দেয় তবে নিচের প্রতিকার" ব্যবস্থাগুলো অবলম্বন করতে হবে। ১. সুস্থ পাখি থেকে অসুস্থ পাখি আলাদা করে নিতে হবে।.. ২. মৃত পাখিকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। ৩. আক্রান্ত ও সুস্থ উভয় পাখিকে মাঝেমধ্যে পটাশ মিশানো পানি খাওয়াতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কৃষি শিক্ষক রফিক সাহেব তার ছাত্রদের নিয়ে একটি মুরগির খামার পরিদর্শন, করেন। সেখানে তিনি দেখতে পেলেন কিছু মুরগি প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা করছে সেই সাথে সাদা শ্লেষ্মা ও রক্ত পড়ছে এবং মলদারের পাশের পালক ভেজা আছে। এ বিষয়ে খামারীকে তিনি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে বললেন।

Jessore · 2025

ব্রুডার হাউজ কী?

উত্তর

১- ২১ দিন বয়সের মুরগির বাচ্চাকে তাপ দেওয়ার ঘরই হলো বুডার হাউজ।
ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণগুলো নিম্নরূপ: ১. মোরগ-মুরগির অনুপাত সঠিক না হলে। ২. মোরগ-মুরগিকে সঠিকভাবে সুষম খাবার না খাওয়ালে। ৩. মোরগ-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে বা মোরগ শারীরিকভাবে অক্ষম হলে। ৪. মোরগ ও মুরগির বয়স বেশি হলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি কোন রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত। মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত অন্যতম মারাত্মক। এ রোগ প্রথমে মধ্য ইংল্যান্ডের নিউক্যাসল নামক স্থানে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপমহাদেশে রাণীক্ষেত নামক স্থানে এ রোগ প্রথম শনাক্ত হওয়ার কারণে একে রাণীক্ষেত রোগ বলে। গ্রামাঞ্চলে এ রোগকে চুনা হাগা রোগ বলে। শীত ও বসন্তকালে আমাদের দেশে এ রোগ বেশি দেখা যায়। রাণীক্ষেত রোগ নিউক্যাসল ডিজিজ ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত মুরগি দল ছেড়ে ঘরের কোণে ঝিমানো অবস্থায় থাকে। সুস্থ পাখি হঠাৎ কক্ শব্দে উপরে লাফ দেয়, তারপর মারা যায়। শ্বাসতন্ত্রে আক্রান্তের লক্ষণ প্রকাশ পায়, ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। এ রোগে আক্রান্ত হলে মুরগির ডিম উৎপাদন কমে যায়। এমনকি বন্ধও হয়ে যায়। চোখ ফুলে ওঠে, কানের লতি ও মাথার ঝুঁটি কালচে বর্ণ হয়। দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা মল মুরগির পিছনের পালকে লেগে থাকে। একে চুনা হাগাও বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগির রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারে কিছু মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। নিচে রাণীক্ষেত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো- গৃহপালিত পাখির জন্য রাণীক্ষেত খুবই মারাত্মক একটি রোগ। এ রোগের কোনো চিকিৎসা না থাকায় গৃহপালিত পাখি পালনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণই হবে প্রথম পদক্ষেপ। প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে খামারে জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং গৃহপালিত পাখিকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। রাণীক্ষেত রোগের দু'ধরনের টিকা পাওয়া যায়। টিকা দু'টি হলো- ১. বি.সি.আর.ডি.ভি (BCRDV): এ টিকাবীজের প্রতিটি ভায়ালে ১ মি.লি. মূল টিকাবীজ থাকে। টিকাবীজ ৬ মি.লি. পরিসুত পানিতে ভালোভাবে মিশাতে হয়। তারপর ৭ দিন ২১ দিন বয়সের প্রতিটি বাচ্চা পাখির প্রতি চোখে ১ ফোঁটা করে দিতে হবে। ২. আর.ডি.ভি. (RDV): সাদা কাচের এম্পুলে ০.৩ সি.সি হারে এ টিকাবীজ থাকে। এর সাথে ১০০ সিসি পরিদ্রুত পানি মিশিয়ে ১০০ মাত্রা করা হয়। এ টিকা দু'মাসের বেশি বয়সের প্রতিটি পাখির রানের মাংসে ১ সিসি করে ইনজেকশন দিতে হবে। এরপরও যদি খামারে এ রোগ দেখা দেয় তবে নিচের প্রতিকার" ব্যবস্থাগুলো অবলম্বন করতে হবে। ১. সুস্থ পাখি থেকে অসুস্থ পাখি আলাদা করে নিতে হবে।.. ২. মৃত পাখিকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। ৩. আক্রান্ত ও সুস্থ উভয় পাখিকে মাঝেমধ্যে পটাশ মিশানো পানি খাওয়াতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Jessore · 2025

পোল্ট্রি কী?

উত্তর

যেসব গৃহপালিত পাখিকে খাবার ও পুষ্টি চাহিদা মেটানোসহ অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত উপায়ে লালন-পালন করা হয় সেসব গৃহপালিত পাখিই হলো পোল্ট্রি।
খাঁচায় মুরগি পালন সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাঁচায় মুরগি পালনের অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন- এ পদ্ধতিতে অল্প স্থানে অনেক বেশি মুরগি পালন করা যায়। মুরগির পরিচর্যা সহজ হয়। ডিম পাড়ার সাথে গড়িয়ে খাঁচার বাইরে চলে যায়। এতে ডিম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লিটারের প্রয়োজন হয় না। এতে মুরগির ডিম প্রদান করা সহজ হয়। মুরগির বিষ্ঠার সাহায্যে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়। এসব কারণে খাঁচার মুরগি পালন সুবিধাজনক।
চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটি হচ্ছে ফাউমি জাতের। নিচে ফাউমি জাতের মুরগির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির পালকের রং ছাই ও সাদা ফোঁটা বিশিষ্ট। ঘাড়ের পালক সাদা। কানের লতি সাদা, আকার লেগহর্নের মতো। এরা দেখতে খুব সুন্দর ও চঞ্চল প্রকৃতির। এদের গায়ের চামড়া হলুদ, পায়ের নালায় পালক নেই। এদের ডিম আকারে ছোট এবং বছরে ১৬০-১৮০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক মোরগের ওজন ২-২.৫ কেজি এবং মুরগি ১.৫-২ কেজি। এদেরকে দেশি মুরগির মতো ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এরা চরিয়ে খেতে ভালোবাসে এবং তাপ সহ্য করতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি পালন করা কি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি হলো ফাউমি জাতের একটি মুরগি। ফাউমি জাতের মুরগি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির উৎপত্তি মিসরে। মিসর থেকে এ মুরগি বাংলাদেশে আনা হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে পালন করা হচ্ছে। ফাউমি জাতের মুরগি লেগহর্নের মতো। এরা তাপ সহ্য করতে পারে এবং চরিয়ে খেতে ভালোবাসে। এরা বছরে ১৬০-১৮০টির মতো ডিম দেয় যা দেশি মুরগি-অপেক্ষা বেশি। কিন্তু দেশি মুরগির মতোই ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এদের পালন খরচ কম, কারণ তেমন বাড়তি খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া এরা দেখতে খুবই সুন্দর হওয়ায় অনেকেই সখের বসে ফাউমি জাতের মুরগি পালন করে। এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। উৎপাদন খরচ দেশি মুরগির মতো হওয়ায় অনেকেই এ মুরগি পালনে আগ্রহী। এমনকি বাণিজ্যিকভাবে খামারেও এ জাতের মুরগি পালন করা সম্ভব। এরা বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এবং অনুকূল পরিবেশেও খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। উপরোক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায় ফাউমি জাতের মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Jessore · 2025

পোল্ট্রি কী?

উত্তর

যেসব গৃহপালিত পাখিকে খাবার ও পুষ্টি চাহিদা মেটানোসহ অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত উপায়ে লালন-পালন করা হয় সেসব গৃহপালিত পাখিই হলো পোল্ট্রি।
খাঁচায় মুরগি পালন সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাঁচায় মুরগি পালনের অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন- এ পদ্ধতিতে অল্প স্থানে অনেক বেশি মুরগি পালন করা যায়। মুরগির পরিচর্যা সহজ হয়। ডিম পাড়ার সাথে গড়িয়ে খাঁচার বাইরে চলে যায়। এতে ডিম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লিটারের প্রয়োজন হয় না। এতে মুরগির ডিম প্রদান করা সহজ হয়। মুরগির বিষ্ঠার সাহায্যে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়। এসব কারণে খাঁচার মুরগি পালন সুবিধাজনক।
চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটি হচ্ছে ফাউমি জাতের। নিচে ফাউমি জাতের মুরগির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির পালকের রং ছাই ও সাদা ফোঁটা বিশিষ্ট। ঘাড়ের পালক সাদা। কানের লতি সাদা, আকার লেগহর্নের মতো। এরা দেখতে খুব সুন্দর ও চঞ্চল প্রকৃতির। এদের গায়ের চামড়া হলুদ, পায়ের নালায় পালক নেই। এদের ডিম আকারে ছোট এবং বছরে ১৬০-১৮০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক মোরগের ওজন ২-২.৫ কেজি এবং মুরগি ১.৫-২ কেজি। এদেরকে দেশি মুরগির মতো ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এরা চরিয়ে খেতে ভালোবাসে এবং তাপ সহ্য করতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি পালন করা কি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি হলো ফাউমি জাতের একটি মুরগি। ফাউমি জাতের মুরগি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির উৎপত্তি মিসরে। মিসর থেকে এ মুরগি বাংলাদেশে আনা হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে পালন করা হচ্ছে। ফাউমি জাতের মুরগি লেগহর্নের মতো। এরা তাপ সহ্য করতে পারে এবং চরিয়ে খেতে ভালোবাসে। এরা বছরে ১৬০-১৮০টির মতো ডিম দেয় যা দেশি মুরগি-অপেক্ষা বেশি। কিন্তু দেশি মুরগির মতোই ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এদের পালন খরচ কম, কারণ তেমন বাড়তি খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া এরা দেখতে খুবই সুন্দর হওয়ায় অনেকেই সখের বসে ফাউমি জাতের মুরগি পালন করে। এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। উৎপাদন খরচ দেশি মুরগির মতো হওয়ায় অনেকেই এ মুরগি পালনে আগ্রহী। এমনকি বাণিজ্যিকভাবে খামারেও এ জাতের মুরগি পালন করা সম্ভব। এরা বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এবং অনুকূল পরিবেশেও খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। উপরোক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায় ফাউমি জাতের মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Dhaka · 2025

লিটার কী?

উত্তর

মুরগির বিছানা তৈরির জন্য মেঝেতে যে কাঠের গুঁড়া, তুষ, খড়, শুকনো ঘাস ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তাই লিটার।
মুরগির ডিম অনুর্বর হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মুরগির ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণ নিম্নরূপ- ১. মোরগ-মুরগির অনুপাত সঠিক না হলে। ২. মোরগ-মুরগিকে সঠিকভাবে সুষম খাবার না খাওয়ালে। ৩. মোরগ-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে বা মোরগ শারীরিকভাবে অক্ষম হলে। ৪. মোরগ ও মুরগির বয়স বেশি হলে।
ছকটির 'CC^{\prime} চিহ্নিত পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত ছকের 'CC^{\prime} চিহ্নিত পদ্ধতিটি হলো আবদ্ধ অবস্থায় মুরগি পালন পদ্ধতি। নিচে এ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করা হলো-আবদ্ধ অবস্থায় মুরগি-পালন একটি বিশেষ নিয়মে মোরগ-মুরগি পালন ব্যবস্থা। এ প্রথায় মোরগ-মুরগি সবসময় ঘরের মধ্যে পাটাতনের উপর বাস করে। আবদ্ধ পালন পদ্ধতিতে মুরগি দু'ভাবে পালন করা যায়। যথা- ১. লিটার পদ্ধতি ও ২. খাঁচা পদ্ধতি। ১. লিটার পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে ঘরের মেঝেতে পুরু করে বিচালি, কাঠের গুঁড়া, ধানের তুষ, গমের তুষ ইত্যাদি বিছিয়ে তার উপর মুরগি পালন করা হয়। দিনের বেলায় এরা বাইরে যেতে পারে না। ইংরেজিতে মুরগির এই বিছানাকে লিটার বলে। যে ঘরে লিটার বিছিয়ে মুরগি পালন করা হবে, সে ঘরটি বেশ খোলামেলা হওয়া প্রয়োজন। ঘরে মুরগি দেওয়ার ২/৩ দিন আগে লিটার বিছাতে হয়। শুধু লিটার হলে ২.৫-৫.০ সে.মি. পুরু করে বিছাতে হয় এবং ডিপ পদ্ধতি হলে ১৫ সেমি পুরু করতে হয়। ২. খাঁচা পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে একই জায়গায় ডিপ লিটার পদ্ধতির চেয়ে ৫ গুণ বেশি মুরগি পালন করা যায়। ঘরগুলো আলো-বাতাস চলাচলের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে এবং উত্তর-দক্ষিণে সম্পূর্ণ খোলা থাকে। খোলাস্থান তারের জাল দিয়ে ঘেরা থাকে। ঝড়-বৃষ্টি ও শীতের দিনে ফাঁকা স্থানে চট ঝুলাতে হয়। খাঁচা হতে ঘরের চালা কমপক্ষে ৩ মিটার উঁচু হওয়া উচিত। এই পদ্ধতিতে মুরগির লিটারের প্রয়োজন হয় না।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন পদ্ধতিটি মুরগি পালনে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার উত্তরের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ছকে মুরগি পালনের মুক্ত পালন, অর্ধমুক্ত পালন এবং আবদ্ধ পদ্ধতি দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্ধমুক্ত পালনপদ্ধতিটি অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক। নিচে এর যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হলো- বাংলাদেশে মুরগি পালনের ক্ষেত্রে মুক্ত পদ্ধতি সবচেয়ে প্রাচীন ও প্রচলিত 'পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মুরগি পুরোপুরি প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকে, যেখানে খাদ্য সংগ্রহ মূলত প্রাকৃতিক উৎসের ওপর নির্ভর করে। এতে খাদ্য ব্যয় কম হলেও উৎপাদন অনেক কম হয়। এছাড়াও রোগ-ব্যাধি ও শিকারির, আক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে এবং আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় মুরগির মৃত্যুর হারও বাড়তে পারে। ফলে লার্ভ সীমিত হয়। আবার, আবদ্ধ পালন পদ্ধতিতে উৎপাদন হার বেশি হলেও খাদ্য, অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার খরচ অনেক বেশি। যার ফলে মোট ব্যয় বেড়ে গিয়ে লাভের হার কমে যায়। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষে এ পদ্ধতিটি অবলম্বন করা সম্ভব নয়। কিন্তু অর্ধমুক্ত পালন পদ্ধতিতে মুরগি আংশিকভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিচরণ করে এবং আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকে। যার ফলে খাদ্যের একটি অংশ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এবং রোগবালাইও তুলনামূলকভাবে কম হয়। এতে খাদ্য ও চিকিৎসা ব্যয় নিয়ন্ত্রিত থাকে, উৎপাদন ভালো হয় এবং আবহাওয়ার সাথে সহজে মানিয়ে নেওয়া যায়। অতএব, খরচ ও উৎপাদনের মধ্যে এই ভারসাম্যের কারণে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্ধমুক্ত পারন পদ্ধতি অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Dhaka · 2025

লিটার কী?

উত্তর

মুরগির বিছানা তৈরির জন্য মেঝেতে যে কাঠের গুঁড়া, তুষ, খড়, শুকনো ঘাস ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তাই লিটার।
মুরগির ডিম অনুর্বর হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মুরগির ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণ নিম্নরূপ- ১. মোরগ-মুরগির অনুপাত সঠিক না হলে। ২. মোরগ-মুরগিকে সঠিকভাবে সুষম খাবার না খাওয়ালে। ৩. মোরগ-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে বা মোরগ শারীরিকভাবে অক্ষম হলে। ৪. মোরগ ও মুরগির বয়স বেশি হলে।
ছকটির 'CC^{\prime} চিহ্নিত পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত ছকের 'CC^{\prime} চিহ্নিত পদ্ধতিটি হলো আবদ্ধ অবস্থায় মুরগি পালন পদ্ধতি। নিচে এ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করা হলো-আবদ্ধ অবস্থায় মুরগি-পালন একটি বিশেষ নিয়মে মোরগ-মুরগি পালন ব্যবস্থা। এ প্রথায় মোরগ-মুরগি সবসময় ঘরের মধ্যে পাটাতনের উপর বাস করে। আবদ্ধ পালন পদ্ধতিতে মুরগি দু'ভাবে পালন করা যায়। যথা- ১. লিটার পদ্ধতি ও ২. খাঁচা পদ্ধতি। ১. লিটার পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে ঘরের মেঝেতে পুরু করে বিচালি, কাঠের গুঁড়া, ধানের তুষ, গমের তুষ ইত্যাদি বিছিয়ে তার উপর মুরগি পালন করা হয়। দিনের বেলায় এরা বাইরে যেতে পারে না। ইংরেজিতে মুরগির এই বিছানাকে লিটার বলে। যে ঘরে লিটার বিছিয়ে মুরগি পালন করা হবে, সে ঘরটি বেশ খোলামেলা হওয়া প্রয়োজন। ঘরে মুরগি দেওয়ার ২/৩ দিন আগে লিটার বিছাতে হয়। শুধু লিটার হলে ২.৫-৫.০ সে.মি. পুরু করে বিছাতে হয় এবং ডিপ পদ্ধতি হলে ১৫ সেমি পুরু করতে হয়। ২. খাঁচা পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে একই জায়গায় ডিপ লিটার পদ্ধতির চেয়ে ৫ গুণ বেশি মুরগি পালন করা যায়। ঘরগুলো আলো-বাতাস চলাচলের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে এবং উত্তর-দক্ষিণে সম্পূর্ণ খোলা থাকে। খোলাস্থান তারের জাল দিয়ে ঘেরা থাকে। ঝড়-বৃষ্টি ও শীতের দিনে ফাঁকা স্থানে চট ঝুলাতে হয়। খাঁচা হতে ঘরের চালা কমপক্ষে ৩ মিটার উঁচু হওয়া উচিত। এই পদ্ধতিতে মুরগির লিটারের প্রয়োজন হয় না।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন পদ্ধতিটি মুরগি পালনে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার উত্তরের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ছকে মুরগি পালনের মুক্ত পালন, অর্ধমুক্ত পালন এবং আবদ্ধ পদ্ধতি দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্ধমুক্ত পালনপদ্ধতিটি অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক। নিচে এর যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হলো- বাংলাদেশে মুরগি পালনের ক্ষেত্রে মুক্ত পদ্ধতি সবচেয়ে প্রাচীন ও প্রচলিত 'পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মুরগি পুরোপুরি প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকে, যেখানে খাদ্য সংগ্রহ মূলত প্রাকৃতিক উৎসের ওপর নির্ভর করে। এতে খাদ্য ব্যয় কম হলেও উৎপাদন অনেক কম হয়। এছাড়াও রোগ-ব্যাধি ও শিকারির, আক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে এবং আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় মুরগির মৃত্যুর হারও বাড়তে পারে। ফলে লার্ভ সীমিত হয়। আবার, আবদ্ধ পালন পদ্ধতিতে উৎপাদন হার বেশি হলেও খাদ্য, অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার খরচ অনেক বেশি। যার ফলে মোট ব্যয় বেড়ে গিয়ে লাভের হার কমে যায়। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষে এ পদ্ধতিটি অবলম্বন করা সম্ভব নয়। কিন্তু অর্ধমুক্ত পালন পদ্ধতিতে মুরগি আংশিকভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিচরণ করে এবং আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকে। যার ফলে খাদ্যের একটি অংশ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এবং রোগবালাইও তুলনামূলকভাবে কম হয়। এতে খাদ্য ও চিকিৎসা ব্যয় নিয়ন্ত্রিত থাকে, উৎপাদন ভালো হয় এবং আবহাওয়ার সাথে সহজে মানিয়ে নেওয়া যায়। অতএব, খরচ ও উৎপাদনের মধ্যে এই ভারসাম্যের কারণে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্ধমুক্ত পারন পদ্ধতি অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেলিম রাজের হাঁসের খামারে হঠাৎ করে বেশিকিছু হাঁসের নাক-মুখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হতে দেখা যায়। হাঁসগুলো আলো দেখলেই ভয় পায়। সে দ্রুত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দ্বারা তার খামারটি পরিদর্শন করিয়ে নেয়। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা খামারটি পরিদর্শন করে সেলিম রাজকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন এবং তাকে আদর্শ প্রতিপালন পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেন। সেলিম রাজ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ মেনে তার খামারের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করে সফলতা লাভকরে।।

Dhaka · 2025

ব্রয়লার কী?

উত্তর

যেসব মুরগি মাংস উৎপাদনের জন্য ব্যবহার বা পালন করা হয় সেগুলোই হলো ব্রয়লার।
পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। পোল্ট্রি ও পোল্ট্রি ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত থেকে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। ফলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে। পোল্ট্রি পালন ভূমিহীন কৃষক, দুঃস্থ মহিলা ও বেকার যুবক-যুবতীর আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দেশে ক্রমবর্ধমান পুষ্টির চাহিদা পূরণে পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। পোল্ট্রির মাংস ছাড়াও বিভিন্ন উপজাত শিল্প ও শিল্প উপকরণ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সেলিম রাজের খামারে কী রোগ হয়েছে? উক্ত রোগের কারণ ও লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত লক্ষণ অনুসারে সেলিম রাজের খামারে ডাক প্লৈগ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। নিচে ডাক প্লেগ রোগের কারণ ও লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা করা হলো: কারণ: ডাক প্লেগ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। যে ভাইরাস্টি এ রোগের জন্য দায়ী সেটি হলো Herpes Virus. লক্ষণ: লক্ষণ প্রকাশের পূর্বেই হাঁসের হঠাৎ মৃত্যু ঘটতে দেখা যায়। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় কিন্তু বার বার পানি পান করে। অনেক সময় হাঁসের ঠোঁট নীল হয়ে যায়। পালক কুঁচকে যায় এবং পাখা ঝুলে পড়ে। বয়স্ক হাঁসের ডিম কমে যায়। চোখ ফুলে চোখের পাতা আটকে যায়। আলো দেখলে হঠাৎ ভয় পায়। নাক-মুখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। সবুজ বা হলুদ রঙের ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হতে থাকে। লেজের আশেপাশে মল লেগে থাকে। মাথা, ঘাঁড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। আক্রান্ত হাঁস বুকে ভর দিয়ে বসে থাকে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী সেলিম রাজ কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত সেলিম রাজের খামারে লক্ষণ অনুযায়ী ডাক প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী সেলিম রাজ তার খামারের জন্য রোগ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিকার ও চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। রোগ প্রতিরোধ: স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, যাতে পরবর্তীতে রোগ না ছড়ায়। ডাক প্লেগের জন্য প্রতিষেধক হিসেবে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দিতে হবে। হাঁসের বাচ্চাকে ১ মাস বয়সের পরে ৬ মাস পর পর সকল হাঁসকে রানের মাংসে ইনজেকশন হিসেবে টিকা দিতে হবে। রোগ প্রতিকার ও চিকিৎসা: প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ২ ২.৫ গ্রাম কসুমিক্স গ্লাস পাউডার মিশিয়ে পর পর ৩ ৫ দিন খাওয়াতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত পালন ব্যবস্থার মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করতে হবে। আক্রান্ত হাঁসকে দ্রুত আলাদা করে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সেলিম রাজের হাঁসের খামারে হঠাৎ করে বেশিকিছু হাঁসের নাক-মুখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হতে দেখা যায়। হাঁসগুলো আলো দেখলেই ভয় পায়। সে দ্রুত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দ্বারা তার খামারটি পরিদর্শন করিয়ে নেয়। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা খামারটি পরিদর্শন করে সেলিম রাজকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন এবং তাকে আদর্শ প্রতিপালন পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেন। সেলিম রাজ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ মেনে তার খামারের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করে সফলতা লাভকরে।।

Dhaka · 2025

ব্রয়লার কী?

উত্তর

যেসব মুরগি মাংস উৎপাদনের জন্য ব্যবহার বা পালন করা হয় সেগুলোই হলো ব্রয়লার।
পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। পোল্ট্রি ও পোল্ট্রি ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত থেকে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। ফলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে। পোল্ট্রি পালন ভূমিহীন কৃষক, দুঃস্থ মহিলা ও বেকার যুবক-যুবতীর আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দেশে ক্রমবর্ধমান পুষ্টির চাহিদা পূরণে পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। পোল্ট্রির মাংস ছাড়াও বিভিন্ন উপজাত শিল্প ও শিল্প উপকরণ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সেলিম রাজের খামারে কী রোগ হয়েছে? উক্ত রোগের কারণ ও লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত লক্ষণ অনুসারে সেলিম রাজের খামারে ডাক প্লৈগ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। নিচে ডাক প্লেগ রোগের কারণ ও লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা করা হলো: কারণ: ডাক প্লেগ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। যে ভাইরাস্টি এ রোগের জন্য দায়ী সেটি হলো Herpes Virus. লক্ষণ: লক্ষণ প্রকাশের পূর্বেই হাঁসের হঠাৎ মৃত্যু ঘটতে দেখা যায়। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় কিন্তু বার বার পানি পান করে। অনেক সময় হাঁসের ঠোঁট নীল হয়ে যায়। পালক কুঁচকে যায় এবং পাখা ঝুলে পড়ে। বয়স্ক হাঁসের ডিম কমে যায়। চোখ ফুলে চোখের পাতা আটকে যায়। আলো দেখলে হঠাৎ ভয় পায়। নাক-মুখ দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। সবুজ বা হলুদ রঙের ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হতে থাকে। লেজের আশেপাশে মল লেগে থাকে। মাথা, ঘাঁড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। আক্রান্ত হাঁস বুকে ভর দিয়ে বসে থাকে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী সেলিম রাজ কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত সেলিম রাজের খামারে লক্ষণ অনুযায়ী ডাক প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী সেলিম রাজ তার খামারের জন্য রোগ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিকার ও চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। রোগ প্রতিরোধ: স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, যাতে পরবর্তীতে রোগ না ছড়ায়। ডাক প্লেগের জন্য প্রতিষেধক হিসেবে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দিতে হবে। হাঁসের বাচ্চাকে ১ মাস বয়সের পরে ৬ মাস পর পর সকল হাঁসকে রানের মাংসে ইনজেকশন হিসেবে টিকা দিতে হবে। রোগ প্রতিকার ও চিকিৎসা: প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ২ ২.৫ গ্রাম কসুমিক্স গ্লাস পাউডার মিশিয়ে পর পর ৩ ৫ দিন খাওয়াতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত পালন ব্যবস্থার মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করতে হবে। আক্রান্ত হাঁসকে দ্রুত আলাদা করে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কৃষি শিক্ষক রফিক সাহেব তার ছাত্রদের নিয়ে একটি মুরগির খামার পরিদর্শন, করেন। সেখানে তিনি দেখতে পেলেন কিছু মুরগি প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা করছে সেই সাথে সাদা শ্লেষ্মা ও রক্ত পড়ছে এবং মলদারের পাশের পালক ভেজা আছে। এ বিষয়ে খামারীকে তিনি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে বললেন।

Jessore · 2025

ব্রুডার হাউজ কী?

উত্তর

১- ২১ দিন বয়সের মুরগির বাচ্চাকে তাপ দেওয়ার ঘরই হলো বুডার হাউজ।
ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণগুলো নিম্নরূপ: ১. মোরগ-মুরগির অনুপাত সঠিক না হলে। ২. মোরগ-মুরগিকে সঠিকভাবে সুষম খাবার না খাওয়ালে। ৩. মোরগ-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে বা মোরগ শারীরিকভাবে অক্ষম হলে। ৪. মোরগ ও মুরগির বয়স বেশি হলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি কোন রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত। মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত অন্যতম মারাত্মক। এ রোগ প্রথমে মধ্য ইংল্যান্ডের নিউক্যাসল নামক স্থানে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপমহাদেশে রাণীক্ষেত নামক স্থানে এ রোগ প্রথম শনাক্ত হওয়ার কারণে একে রাণীক্ষেত রোগ বলে। গ্রামাঞ্চলে এ রোগকে চুনা হাগা রোগ বলে। শীত ও বসন্তকালে আমাদের দেশে এ রোগ বেশি দেখা যায়। রাণীক্ষেত রোগ নিউক্যাসল ডিজিজ ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত মুরগি দল ছেড়ে ঘরের কোণে ঝিমানো অবস্থায় থাকে। সুস্থ পাখি হঠাৎ কক্ শব্দে উপরে লাফ দেয়, তারপর মারা যায়। শ্বাসতন্ত্রে আক্রান্তের লক্ষণ প্রকাশ পায়, ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। এ রোগে আক্রান্ত হলে মুরগির ডিম উৎপাদন কমে যায়। এমনকি বন্ধও হয়ে যায়। চোখ ফুলে ওঠে, কানের লতি ও মাথার ঝুঁটি কালচে বর্ণ হয়। দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা মল মুরগির পিছনের পালকে লেগে থাকে। একে চুনা হাগাও বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগির রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারে কিছু মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। নিচে রাণীক্ষেত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো- গৃহপালিত পাখির জন্য রাণীক্ষেত খুবই মারাত্মক একটি রোগ। এ রোগের কোনো চিকিৎসা না থাকায় গৃহপালিত পাখি পালনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণই হবে প্রথম পদক্ষেপ। প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে খামারে জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং গৃহপালিত পাখিকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। রাণীক্ষেত রোগের দু'ধরনের টিকা পাওয়া যায়। টিকা দু'টি হলো- ১. বি.সি.আর.ডি.ভি (BCRDV): এ টিকাবীজের প্রতিটি ভায়ালে ১ মি.লি. মূল টিকাবীজ থাকে। টিকাবীজ ৬ মি.লি. পরিসুত পানিতে ভালোভাবে মিশাতে হয়। তারপর ৭ দিন ২১ দিন বয়সের প্রতিটি বাচ্চা পাখির প্রতি চোখে ১ ফোঁটা করে দিতে হবে। ২. আর.ডি.ভি. (RDV): সাদা কাচের এম্পুলে ০.৩ সি.সি হারে এ টিকাবীজ থাকে। এর সাথে ১০০ সিসি পরিদ্রুত পানি মিশিয়ে ১০০ মাত্রা করা হয়। এ টিকা দু'মাসের বেশি বয়সের প্রতিটি পাখির রানের মাংসে ১ সিসি করে ইনজেকশন দিতে হবে। এরপরও যদি খামারে এ রোগ দেখা দেয় তবে নিচের প্রতিকার" ব্যবস্থাগুলো অবলম্বন করতে হবে। ১. সুস্থ পাখি থেকে অসুস্থ পাখি আলাদা করে নিতে হবে।.. ২. মৃত পাখিকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। ৩. আক্রান্ত ও সুস্থ উভয় পাখিকে মাঝেমধ্যে পটাশ মিশানো পানি খাওয়াতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কৃষি শিক্ষক রফিক সাহেব তার ছাত্রদের নিয়ে একটি মুরগির খামার পরিদর্শন, করেন। সেখানে তিনি দেখতে পেলেন কিছু মুরগি প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা করছে সেই সাথে সাদা শ্লেষ্মা ও রক্ত পড়ছে এবং মলদারের পাশের পালক ভেজা আছে। এ বিষয়ে খামারীকে তিনি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে বললেন।

Jessore · 2025

ব্রুডার হাউজ কী?

উত্তর

১- ২১ দিন বয়সের মুরগির বাচ্চাকে তাপ দেওয়ার ঘরই হলো বুডার হাউজ।
ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডিম অনুর্বর হওয়ার কারণগুলো নিম্নরূপ: ১. মোরগ-মুরগির অনুপাত সঠিক না হলে। ২. মোরগ-মুরগিকে সঠিকভাবে সুষম খাবার না খাওয়ালে। ৩. মোরগ-মুরগি রোগাক্রান্ত হলে বা মোরগ শারীরিকভাবে অক্ষম হলে। ৪. মোরগ ও মুরগির বয়স বেশি হলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি কোন রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত। মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত অন্যতম মারাত্মক। এ রোগ প্রথমে মধ্য ইংল্যান্ডের নিউক্যাসল নামক স্থানে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপমহাদেশে রাণীক্ষেত নামক স্থানে এ রোগ প্রথম শনাক্ত হওয়ার কারণে একে রাণীক্ষেত রোগ বলে। গ্রামাঞ্চলে এ রোগকে চুনা হাগা রোগ বলে। শীত ও বসন্তকালে আমাদের দেশে এ রোগ বেশি দেখা যায়। রাণীক্ষেত রোগ নিউক্যাসল ডিজিজ ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত মুরগি দল ছেড়ে ঘরের কোণে ঝিমানো অবস্থায় থাকে। সুস্থ পাখি হঠাৎ কক্ শব্দে উপরে লাফ দেয়, তারপর মারা যায়। শ্বাসতন্ত্রে আক্রান্তের লক্ষণ প্রকাশ পায়, ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। এ রোগে আক্রান্ত হলে মুরগির ডিম উৎপাদন কমে যায়। এমনকি বন্ধও হয়ে যায়। চোখ ফুলে ওঠে, কানের লতি ও মাথার ঝুঁটি কালচে বর্ণ হয়। দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা মল মুরগির পিছনের পালকে লেগে থাকে। একে চুনা হাগাও বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারের মুরগির রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত খামারে কিছু মুরগি রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। নিচে রাণীক্ষেত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো- গৃহপালিত পাখির জন্য রাণীক্ষেত খুবই মারাত্মক একটি রোগ। এ রোগের কোনো চিকিৎসা না থাকায় গৃহপালিত পাখি পালনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণই হবে প্রথম পদক্ষেপ। প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে খামারে জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং গৃহপালিত পাখিকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। রাণীক্ষেত রোগের দু'ধরনের টিকা পাওয়া যায়। টিকা দু'টি হলো- ১. বি.সি.আর.ডি.ভি (BCRDV): এ টিকাবীজের প্রতিটি ভায়ালে ১ মি.লি. মূল টিকাবীজ থাকে। টিকাবীজ ৬ মি.লি. পরিসুত পানিতে ভালোভাবে মিশাতে হয়। তারপর ৭ দিন ২১ দিন বয়সের প্রতিটি বাচ্চা পাখির প্রতি চোখে ১ ফোঁটা করে দিতে হবে। ২. আর.ডি.ভি. (RDV): সাদা কাচের এম্পুলে ০.৩ সি.সি হারে এ টিকাবীজ থাকে। এর সাথে ১০০ সিসি পরিদ্রুত পানি মিশিয়ে ১০০ মাত্রা করা হয়। এ টিকা দু'মাসের বেশি বয়সের প্রতিটি পাখির রানের মাংসে ১ সিসি করে ইনজেকশন দিতে হবে। এরপরও যদি খামারে এ রোগ দেখা দেয় তবে নিচের প্রতিকার" ব্যবস্থাগুলো অবলম্বন করতে হবে। ১. সুস্থ পাখি থেকে অসুস্থ পাখি আলাদা করে নিতে হবে।.. ২. মৃত পাখিকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। ৩. আক্রান্ত ও সুস্থ উভয় পাখিকে মাঝেমধ্যে পটাশ মিশানো পানি খাওয়াতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Jessore · 2025

পোল্ট্রি কী?

উত্তর

যেসব গৃহপালিত পাখিকে খাবার ও পুষ্টি চাহিদা মেটানোসহ অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত উপায়ে লালন-পালন করা হয় সেসব গৃহপালিত পাখিই হলো পোল্ট্রি।
খাঁচায় মুরগি পালন সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাঁচায় মুরগি পালনের অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন- এ পদ্ধতিতে অল্প স্থানে অনেক বেশি মুরগি পালন করা যায়। মুরগির পরিচর্যা সহজ হয়। ডিম পাড়ার সাথে গড়িয়ে খাঁচার বাইরে চলে যায়। এতে ডিম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লিটারের প্রয়োজন হয় না। এতে মুরগির ডিম প্রদান করা সহজ হয়। মুরগির বিষ্ঠার সাহায্যে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়। এসব কারণে খাঁচার মুরগি পালন সুবিধাজনক।
চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটি হচ্ছে ফাউমি জাতের। নিচে ফাউমি জাতের মুরগির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির পালকের রং ছাই ও সাদা ফোঁটা বিশিষ্ট। ঘাড়ের পালক সাদা। কানের লতি সাদা, আকার লেগহর্নের মতো। এরা দেখতে খুব সুন্দর ও চঞ্চল প্রকৃতির। এদের গায়ের চামড়া হলুদ, পায়ের নালায় পালক নেই। এদের ডিম আকারে ছোট এবং বছরে ১৬০-১৮০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক মোরগের ওজন ২-২.৫ কেজি এবং মুরগি ১.৫-২ কেজি। এদেরকে দেশি মুরগির মতো ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এরা চরিয়ে খেতে ভালোবাসে এবং তাপ সহ্য করতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি পালন করা কি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি হলো ফাউমি জাতের একটি মুরগি। ফাউমি জাতের মুরগি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির উৎপত্তি মিসরে। মিসর থেকে এ মুরগি বাংলাদেশে আনা হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে পালন করা হচ্ছে। ফাউমি জাতের মুরগি লেগহর্নের মতো। এরা তাপ সহ্য করতে পারে এবং চরিয়ে খেতে ভালোবাসে। এরা বছরে ১৬০-১৮০টির মতো ডিম দেয় যা দেশি মুরগি-অপেক্ষা বেশি। কিন্তু দেশি মুরগির মতোই ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এদের পালন খরচ কম, কারণ তেমন বাড়তি খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া এরা দেখতে খুবই সুন্দর হওয়ায় অনেকেই সখের বসে ফাউমি জাতের মুরগি পালন করে। এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। উৎপাদন খরচ দেশি মুরগির মতো হওয়ায় অনেকেই এ মুরগি পালনে আগ্রহী। এমনকি বাণিজ্যিকভাবে খামারেও এ জাতের মুরগি পালন করা সম্ভব। এরা বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এবং অনুকূল পরিবেশেও খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। উপরোক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায় ফাউমি জাতের মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image

Jessore · 2025

পোল্ট্রি কী?

উত্তর

যেসব গৃহপালিত পাখিকে খাবার ও পুষ্টি চাহিদা মেটানোসহ অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত উপায়ে লালন-পালন করা হয় সেসব গৃহপালিত পাখিই হলো পোল্ট্রি।
খাঁচায় মুরগি পালন সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাঁচায় মুরগি পালনের অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন- এ পদ্ধতিতে অল্প স্থানে অনেক বেশি মুরগি পালন করা যায়। মুরগির পরিচর্যা সহজ হয়। ডিম পাড়ার সাথে গড়িয়ে খাঁচার বাইরে চলে যায়। এতে ডিম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লিটারের প্রয়োজন হয় না। এতে মুরগির ডিম প্রদান করা সহজ হয়। মুরগির বিষ্ঠার সাহায্যে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়। এসব কারণে খাঁচার মুরগি পালন সুবিধাজনক।
চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-ক তে প্রদর্শিত মুরগিটি হচ্ছে ফাউমি জাতের। নিচে ফাউমি জাতের মুরগির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির পালকের রং ছাই ও সাদা ফোঁটা বিশিষ্ট। ঘাড়ের পালক সাদা। কানের লতি সাদা, আকার লেগহর্নের মতো। এরা দেখতে খুব সুন্দর ও চঞ্চল প্রকৃতির। এদের গায়ের চামড়া হলুদ, পায়ের নালায় পালক নেই। এদের ডিম আকারে ছোট এবং বছরে ১৬০-১৮০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক মোরগের ওজন ২-২.৫ কেজি এবং মুরগি ১.৫-২ কেজি। এদেরকে দেশি মুরগির মতো ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এরা চরিয়ে খেতে ভালোবাসে এবং তাপ সহ্য করতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি পালন করা কি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মুরগিটি হলো ফাউমি জাতের একটি মুরগি। ফাউমি জাতের মুরগি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো- ফাউমি জাতের মুরগির উৎপত্তি মিসরে। মিসর থেকে এ মুরগি বাংলাদেশে আনা হয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে পালন করা হচ্ছে। ফাউমি জাতের মুরগি লেগহর্নের মতো। এরা তাপ সহ্য করতে পারে এবং চরিয়ে খেতে ভালোবাসে। এরা বছরে ১৬০-১৮০টির মতো ডিম দেয় যা দেশি মুরগি-অপেক্ষা বেশি। কিন্তু দেশি মুরগির মতোই ছাড়া অবস্থায় পালন করা যায়। এদের পালন খরচ কম, কারণ তেমন বাড়তি খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া এরা দেখতে খুবই সুন্দর হওয়ায় অনেকেই সখের বসে ফাউমি জাতের মুরগি পালন করে। এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। উৎপাদন খরচ দেশি মুরগির মতো হওয়ায় অনেকেই এ মুরগি পালনে আগ্রহী। এমনকি বাণিজ্যিকভাবে খামারেও এ জাতের মুরগি পালন করা সম্ভব। এরা বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এবং অনুকূল পরিবেশেও খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। উপরোক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায় ফাউমি জাতের মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো