শিশুর কল্যাণ এবং নিরাপত্তায় উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর: মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ সালে উত্তরাধিকার আইনের মাধ্যমে শিশুর কল্যাণ এবং নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। নিচে আইনটি মূল্যায়ণ করা হলো-মুসলিম পারিবারিক আইনে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকলে তার পুত্র বা কন্যা মারা গেলে পুত্র বা কন্যার আবার সন্তানাদি থাকলে সম্পত্তি বণ্টনের সময় সম্পত্তির ভাগ পাবে; যা তিনি জীবিত থাকলে পেতেন। অর্থাৎ দাদা জীবিত থাকা অবস্থায় কারও পিতা মারা গেলে দাদার সম্পত্তি হতে নাতি-নাতনিদের বঞ্চিত করা যাবে না। উক্ত আইনের মাধ্যমে এতিম শিশুদের উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিকানা স্বীকার করে তাদের কল্যাণ এবং নিরাপত্তা দানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ প্রণয়নের পূর্বে দাদা জীবিত থাকা অবস্থায় বাবা মারা গেলে দাদার সম্পত্তির ভাগ থেকে নাতি-নাতনিদের বঞ্চিত করা হতো। ১৯৬১ সালে প্রণীত মুসলিম পারিবারিক আইন এতিম শিশুদের উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে শিশুদের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ সালের উপযুক্ত কল্যাণকর অনেক দিক থাকলেও জনগণের সচেতনতার অভাবে বাস্তবে তা ততটা কার্যকর হয়ে উঠছে না। জনগণের সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে উক্ত আইন আরও ফলদায়ক হয়ে উঠবে।
HSC Social Work 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 2nd Paper · সৃজনশীল
শিশুর কল্যাণ এবং নিরাপত্তায় উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপক
Jessore · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর