উদ্দীপকে উল্লিখিত 'যৌতুক' নামক সমস্যা সমাধানের জন্য আমি যে ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারি তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে নিম্নেমতামত দেওয়া হলো-যৌতুক সমস্যা সমাধানে আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করণীয় পদক্ষেপ হবে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। যৌতুকের কুফল বা নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সমাজের মানুষদের সচেতন করতে পারি। স্কুল, কলেজে সেমিনার, ওয়ার্কশপ আয়োজন করে যৌতুক সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারি। আমার এলাকার নিকটস্থ কেউ যৌতুকের শিকার হলে তাকে আইনি সহায়তা প্রদানে ভূমিকা রাখতে পারি। স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মানবাধিকারসংগঠনের সাথে যোগাযোগ করে যৌতুকের শিকার নারীকে সহযোগিতা করতে পারি।এছাড়া আমি স্থানীয় নেতা, ধর্মীয় নেতা ও সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে মিলিত হয়ে যৌতুকবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি। সামাজিক মাধ্যম, ফেসবুক, টুইটার এবং পত্রিকায় লেখালেখি করে যৌতুকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারি। তাছাড়া নিজের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে যৌতুক প্রথা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারি। যুব সমাজের মাঝে যৌতুকবিরোধী মনোভাব ও আত্মসম্মান জাগিয়ে তুলতে পারি যাতে তারা বিয়ের সময় যৌতুক গ্রহণ না করে এবং অন্যদের যৌতুক না নেওয়ার ক্ষেত্রে উৎসাহী করে।সর্বোপরি আমার একার প্রচেষ্টায় যৌতুক প্রথা নির্মূল করা সম্ভব হবে না। সমাজের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যৌতুক নামক কুপ্রথা সমাজ হতে নির্মূল করা সম্ভব।