উদ্দীপকে বর্ণিত সামাজিক সমস্যাটির সমাধানে একজন সমাজকর্মী বহুমুখী ভূমিকা পালন করতে পারেন। যেমন- প্রথমত, পেশাদার সমাজকর্মীগণ জনমত ও সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গ্রাম ও. শহর উভয় পর্যায়ে সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, প্রচার ইত্যাদি কর্মসূচি পালন করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, সমাজকর্মীরা আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে নারী শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারেন। তৃতীয়ত, সমাজকর্মীরা দারিদ্র্য দূরীকরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সংগঠক ও ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করতে পারেন। চতুর্থত, সমাজকর্মীগণ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও যৌতুক প্রথার ব্যাপারে পরিবারগুলোকে নিরুৎসাহিত করতে পারেন। পঞ্চমত, গণমাধ্যমে যৌতুক প্রথার ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা এবং এর শাস্তির বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে যৌতুকবিরোধী আন্দোলনকে বেগবান করতে সমাজকর্মী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। ষষ্ঠত, যৌতুকের কারণে হয়রানির শিকার নারীকে সমাজকর্মীরা আইনগত সহায়তা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। সপ্তমত, সমাজকর্মীগণ বিভিন্ন সামাজিক কার্য পরিচালনার মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। সর্বোপরি, সমাজকর্মীগণ নানাবিধ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে যৌতুক সমস্যার সমাধান করতে পারেন।