উদ্দীপকে আলোচিত মাদকাসক্তি মোকাবিলা করার উপায়গুলো খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
মাদকাসক্তি হলো মাদক দ্রব্যের প্রতি আসক্তি। এটি ব্যক্তি ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মাদকাসক্তির বহুবিধ কারণের মাঝে অন্যতম হলো সঙ্গদোষ ও কৌতূহল, মাদক দ্রব্যের সহজলভ্যতা, অপসংস্কৃতি, হতাশা ও ব্যর্থতা, কর্মে বিফলতা, পিতামাতার স্নেহের অভাব প্রভৃতি। মাদকাসক্ত মোকাবিলায় পরিবারসহ সমাজকর্মী ভূমিকা পালন করে থাকে ।
উদ্দীপকে মাদকাসক্তি মোকাবিলায় যেসব উপায় বলা হয়েছে সেগুলো হলো- পরিবার, পিতামাতার সচেতনা, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা, কর্মসংস্থানের অভাব দূর করা প্রভৃতি। এছাড়াও মাদকাসক্ত দূরীকরণে একজন সমাজকর্মী ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজকর্মী এক্ষেত্রে মাদকাসক্তির কুফল ও ভয়াবহতা সম্পর্কে সর্বসাধরণকে সচেতন করে তোলে। মাদকাসক্তি মোকাবিলায় অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে পরিবার। পরিবার থেকেই নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা লাভ করার শিক্ষা পাওয়া যায়। পিতামাতার সার্বক্ষণিক সান্নিধ্য সন্তানকে সুপথে নিয়ে আসে। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা মাদকের কুফল ও প্রভাব সম্পর্কে ব্যক্তিকে সচেতন করে তোলে। ধর্মীয় মূল্যবোধ হলো সকল অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক। এছাড়া রয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি যার ফলে আর্থ সামাজিক সমস্যা, হতাশা, বেকারত্ব দূর হয় যা মাদকাসক্ত দূরীকরণে ভূমিকা রাখে।
পরিশেষে বলা যায়, মাদকাসক্তি মোকাবিলায় উদ্দীপকের উপায়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।