উক্ত সমস্যা মোকাবিলায় তথা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে একজন সমাজকর্মীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বাল্যবিবাহ কোনো সমাজেই কাম্য নয়। কোনো সমাজেই এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে না। এটি এমন একটি সামাজিক সমস্যা, যা আরও নানামুখী সমস্যার জন্ম দেয়। এসব সমস্যার মোকাবিলায় একজন সমাজকর্মী উন্নয়নকর্মী ও পরিবর্তন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে তিনি সমাজকর্মের মৌলিক ও সহায়ক পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সমস্যা থেকে উত্তরণে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে একজন সমাজকর্মী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে জনগণকে বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে সচেতন করে তুলতে পারেন। এছাড়া ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রদানকারী অভিভাবকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। সেই সাথে স্থানীয় প্রশাসন, গ্রামের গণ্যমান্য ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি ও যুবসমাজকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতন করে তুলতে পারেন । এভাবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও সমস্যার তীব্রতা হ্রাসে সমাজকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সামাজিক সমস্যা বাল্যবিবাহ সমাধানে সমাজকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন।