উদ্দীপকের যৌতুক প্রথা সামাজিক সমস্যাকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো : যৌতুক আদান প্রদান একটি সামাজিক কু-প্রথা। বিয়ের আগে পাত্রপক্ষ থেকে অনেকটা জোর করে পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করা হয়। আর কন্যাপক্ষকে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যে উপঢৌকন দেয় তাকে যৌতুক বলে। আর যৌতুকের প্রধান শিকার হয় আমাদের দেশের নারীরা। সমাজে এটিকে একটি জঘন্য অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। উদ্দীপকে X কে বিয়ে দেওয়ার সময় তার বাবা ছেলেপক্ষকে ১,০০,০০০/- টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সময় মত টাকা দিতে না পারায় X এর সংসারে অশান্তি দেখা দিয়েছে। এইখানে বাংলাদেশের প্রচলিত সামাজিক কু-প্রথা যৌতুকের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। যৌতুক নিরোধ আইন অনুসারে, যৌতুক বলতে বিবাহর কোনো একপক্ষ কতৃক অপরপক্ষকে বা অপর কোন ব্যক্তিকে বিয়ের সময় বিবাহের পণ্য হিসাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রদান করতে সম্মত জামানতকে বোঝায়। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের উল্লিখিত যৌতুকের মতো সামাজিক সমস্যাকে নির্দেশ করা হয়েছে।