রাজিবের চাকরি না পাওয়া এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে না পারার বিষয়টি বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা বেকারত্বকে নির্দেশ করে।
বেকারত্ব যেকোনো দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। বিশেষ করে ভুক্তভোগী যুবকেরা হতাশাগ্রস্ত জীবন অতিবাহিত করে। কাজ করার সামর্থ্য, ইচ্ছা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা কর্মহীন সময় কাটায়। এর ফলে কেবল তাদের ব্যক্তিজীবনেই নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও নেতবিাচক প্রভাব পড়ে।
উদ্দীপকের রাজিব দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন অর্থাৎ তিনি উচ্চশিক্ষিত। বর্তমানে তিনি চেষ্টা করলেও চাকরি পাচ্ছেন না। আবার পুঁজি না থাকায় তিনি ব্যবসাও করতে পারছেন না। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হলো- রাজিবের চাকরি করার মতো যোগ্যতা এবং ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তিনি কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাচ্ছেন না। এ বিষয়টি বেকারত্ব সমস্যার সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ কেবল কর্মহীনতাই বেকারত্ব নয়; বরং যখন কর্মক্ষম লোকেরা শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা অনুসারে প্রচলিত মজুরির ভিত্তিতে কাজ করতে চায় অথচ কাজ পায় না সে অবস্থাকেই বেকারত্ব বলা হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো যোগ্যতা ও সামর্থ্যের উপস্থিতি সত্ত্বেও কর্মহীনতা। উদ্দীপকে রাজিবের ক্ষেত্রে এরূপ পরিস্থিতিই সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকটি বেকারত্ব সমস্যার একটি বাস্তব উদাহরণ।