বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষা ও ঝুঁকি মোকাবেলা সমাজকর্মীদের ভূমিকা নিম্নে আলোচনা করা হলো :জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের ভৌগোলিক অবস্থান আর্থসামাজিক অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অতি নির্ভরশীলতা এর একটি অন্যতম কারণ। এর ফলে এক দিকে যেমন স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে অন্যদিকে অল্প সময়ের ব্যবধানে বন্যা, খরা, টর্নেডো, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়ের মতপ্রাকৃতিক দুর্যোগ বারবার ঘটছে।মাছ কর্মীরা জলবায়ু পরিবর্তনে এবং এর প্রভাবের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন সেমিনার আয়োজন করতে পারেন। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মানুষের জীবন ও জীবিকা কি ধরনের ক্ষতি ও হচ্ছে তা চিহ্নিত করতে পারেন। দুর্যোগজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় কাজ করছে এই ধরনের সংস্থায় সমন্বয় হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারেন সমাজকর্মীরা। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অন্যতম দায়ী গ্রীন হাউজ গ্যাস, গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে সংশ্লিষ্ট শিল্প কারখানা বা ব্যক্তিদের উপর চাপ প্রয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এবং উক্ত পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। ব্যক্তি, দল ও সমষ্টিগতভাবে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারেন। জলবায়ু সচেতনতাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা বাড়াতে পারেন। তাই বলা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশ রক্ষায় সমাজকর্মীরা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারেন।