ফারজানা ১৯৬১ সালের মুসলিম আইন অনুযায়ী জাহিদের বিরুদ্ধে মামলা করে।দ্বিতয়ি বিবাহের ক্ষেত্রে এ আইন অনুসারে প্রথম স্ত্রী বেঁচে থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ করা যাবে না। তবে প্রথম স্ত্রীর বন্ধ্যত্ব, স্থায়ী শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি কারণে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে স্বামী ও স্ত্রী মনোনীত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সালিসি পরিষদের অনুমতিক্রমে দ্বিতীয় বিবাহ করা যাবে।উদ্দীপকে দেখা যায়, জাহিদ তার প্রথম স্ত্রী ফারজানাকে না জানিয়ে চুপি চুপি আরেকটা বিবাহ করেছে যা আইনত দণ্ডনীয়। এক্ষেত্রে মুসলিম পারিবারিক আইন দ্বিতীয় বিবাহসংক্রান্ত ধারা অনুযায়ী জাহিদের বিরুদ্ধে মামলা করে ফারজানা।মুসলিম পারিবারিক আইন-১৯৬১ সালে মুসলিম নারীদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় তদানীন্তন পাকিস্তান আমলে প্রণীত হয়। উক্ত আইনে বিবাহ ও উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিভিন্ন ধারা ও বিষয় যেমন-বিবাহের বয়স, মেয়ের মতামতের প্রাধান্য, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন, দ্বিতীয় বিবাহ, উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয় আছে। মূলত মুসলিম পারিবারিক আইনটি নারীদের সুরক্ষা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় প্রণীত হয়।