উদ্দীপকে লতিফ মিয়া তার প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে এবং পরবর্তীতে তাকে মৌখিকভাবে তালাক দিয়ে ভরণপোষণ বন্ধ করে দেয়। এটি মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই পরিস্থিতিতে লতিফের প্রথম স্ত্রী মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১-এর আওতায় আইনি প্রতিকার নিতে পারে।প্রথমত, মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১-এর ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী তার বর্তমান স্ত্রীর লিখিত সম্মতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুমোদন ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবে না। যদি কেউ এ শর্ত লঙ্ঘন করে, তবে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, মুসলিম পারিবারিক আইনের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, মুসলিম ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে লিখিতভাবে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং সেই নোটিশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে। চেয়ারম্যান উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার প্রচেষ্টা চালাবেন এবং তালাক কার্যকর হতে ৯০ দিন সময় লাগবে। কোনোক্রমে মৌখিক তালাক আইনত বৈধ হবে না। যদি কেউ এই লঙ্ঘন করে, তবে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। তৃতীয়ত, একজন স্বামী তার স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণের দায়িত্ব বহন করতে বাধ্য। যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে যথাযথ ভরণপোষণ না দেয়, তাহলে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারে। আদালত স্বামীর আয়ের ভিত্তিতে উপযুক্ত ভরণপোষণ নির্ধারণ করবে এবং নিয়মিত অর্থ প্রদান নিশ্চিত করবে।