উদ্দীপকে উল্লিখিত কিশোর অপরাধ ও মাদকাসক্তির সমস্যার সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তি গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারে।
যেকোনো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ সচেতন হলে সম্মিলিতভাবে যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। আর বর্তমানে জনসচেতনতা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো আধুনিক প্রযুক্তি। বিশেষ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম, যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতি এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কিশোর-কিশোরীদের অপরাধী হয়ে ওঠার পেছনে আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। এ সমস্যা সমাধানে পরিবারকে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ছেলেমেয়েরা টেলিভিশনে কী দেখছে, কোন ধরনের চ্যানেল দেখছে, ফেসবুকে কী করছে সব কিছু পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবে বর্তমানে এ সকল গণমাধ্যম থেকে তাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এজন্য এসব গণমাধ্যমে তারা যেন শিক্ষণীয় বিষয়গুলো জানতে পারে সেজন্য তাদেরকে সতর্ক হতে হবে। এগুলো ব্যবহার করেই বড় আকারে গণসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যবহার করে কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। সর্বোপরি আধুনিক প্রযুক্তিকে সচেতনতা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার মতো বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে হবে।