ছকের প্রশ্নবোধক স্থানে 'গণমাধ্যম' শব্দটি বসবে। সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে এর ভূমিকা অপরিসীম।
সামাজিক সমস্যা সমাজের উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ সব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বিভিন্ন অবস্থান থেকে বিভিন্নভাবে প্রচেষ্টা চালানো হয়। বর্তমান স্যাটেলাইট এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি ও প্রসারের যুগে সামাজিক সমস্যা সমাধান বা প্রতিরোধে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো আগের তুলনায় আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
গণমাধ্যমের অন্যতম শাখা হলো সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন। সমাজের যেকোনো অসঙ্গতি, অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অপকর্ম, বিভিন্ন অপরাধ, দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয়ে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে সংবাদপত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আবার টেলিভিশন বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ও সবচেয়ে জনপ্রিয় গণমাধ্যম । সমাজ ও জাতীয় জীবনের নানারকম অনিয়ম, অন্যায়-অবিচার, অপরাধ বা দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে । এছাড়া সমাজ ও রাষ্ট্র তথা জাতির উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির বড় ভূমিকা রয়েছে। ইন্টারনেট সামাজিক যোগাযোগ ও তথ্যের প্রচারকে অনেক সহজ করেছে। এতে করে নাগরিক বিড়ম্বনা, নারী নির্যাতন বা শিশু পাচারের মতো অসংখ্য সমস্যা মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা সহজ হচ্ছে। ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো (যেমন- ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ) চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। তাই বলা যায়, ছকের প্রশ্নবোধক স্থানে উল্লিখিত গণমাধ্যম সামাজিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।