উদ্দীপকে সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণমাধ্যমকে বোঝানো হয়েছে।
গণমাধ্যম হলো বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের অধিকাংশ মানুষের মধ্যে একটি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের চিন্তাচেতনা, আবেগ, বিশ্বাস, আগ্রহ-অনাগ্রহসহ বিভিন্ন তথ্য অধিক সংখ্যক লোকের কাছে পৌঁছে দেয়। গণমাধ্যম কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- ১. প্রিন্ট মিডিয়া- সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন প্রভৃতি; ২. ইলেকট্রনিক মিডিয়া- টেলিভিশন, বেতার প্রভৃতি; ৩. আধুনিক গণমাধ্যম- মোবাইল, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব প্রভৃতি।
উদ্দীপকের ছকে প্রদত্ত সংবাদপত্র, রেডিও টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র হলো গণমাধ্যমের অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকে সামাজিক প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমকে বোঝানো হয়েছে।