উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি মৌল ও সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান ধর্মকে নির্দেশ করে, যা মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-ধর্ম সমাজ সংস্কারে উদ্বুদ্ধ করে, সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা রক্ষা করে, ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ করে, আর্তমানবতার সেবা ও জনকল্যাণ সাধন করে। সামাজিক সংস্কারের অন্যতম নিয়ামক হলো ধর্ম। সামাজিক সংহতি ও ঐক্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে ধর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধর্মীয় বিশ্বাস মানুষকে সংযত ও সহনশীল হতে এবং অপরের সঙ্গে সম্প্রীতির সূত্রে আবদ্ধ হয়ে সামাজিক ঐক্যের আদর্শ রক্ষায় উৎসাহিত করে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক মেলামেশায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির লোক নিজ নিজ ধর্মের প্রার্থনার জন্য তাদের উপাসনালয়ে সমবেত হয়। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এরূপ মেলামেশা মানুষের মধ্যে সহানুভূতি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। সামাজিক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী মাধ্যমও ধর্ম। এর মাধ্যমে মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেওয়া যায়।তাই বলা যায় যে , সমাজ সংস্কার, সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা রক্ষা সর্বোপরি মানবকল্যাণে ধর্ম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।