উক্ত বিষয় তথা ধর্মীয় মূল্যবোধ গঠনে সমাজকর্মীর হস্তক্ষেপ ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারে।
সমাজকর্মী সাহায্যকারী হিসেবে সমাজকর্মের জ্ঞান, দক্ষতা, পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করে ধর্মীয় মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বস্তুত ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজকর্মের মূল্যবোধগুলো বেড়ে উঠেছে। উভয় মূল্যবোধ পাশাপাশি অবস্থান করে বলে সমাজকর্মীর পক্ষে তার মক্কেল, ব্যক্তি, দল ও জনসমষ্টির মনে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগানো ও তা গেঁথে দিতে সহজ হয়। সমাজকর্মী মানুষের মনোবিশ্লেষণে মোটামুটি একজন পারদর্শী ব্যক্তি, . মানুষের মনোভাবের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধনে একজন পেশাদার দক্ষ ব্যক্তি। সব ধর্মে মানবীয় স্বীকৃতিকে সমাজকর্মের মূল্যবোধ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার দ্বারা সম্পদের অপচয় রোধ করে। সমাজকর্মী সাহায্যার্থীর সম্পদের সঠিক ব্যবহারের শিক্ষা দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলে। সব ধর্মেই ব্যক্তিস্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ রোধ করা হয়েছে। ধর্মীয় মূল্যবোধ গঠনের বিদ্যমান সমস্যা দূর করে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সমাজকর্মী ব্যক্তি, দল ও সমষ্টি সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াকে কাজে লাগাতে পারেন।