উক্ত ঘটনাটি নিরসনের জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে তা যথার্থ কিনা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা নিরসনের জন্য ২০১৭ সালে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, সময় এবং পরিস্থিতির বিচারে একে যথার্থ বলা যায়। স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে বাল্যবিবাহের প্রকোপ বেশি লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের মাত্রা হ্রাস পেলেও তা থেমে নেই । ইউনিসেফের প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে দেশে বাল্যবিবাহের হার ৫৯ শতাংশ অর্থাৎ দেশে বাল্যবিবাহ হচ্ছে ৩৯ লাখ ৩০ হাজার শিশুর। ক্রমবর্ধমান এই হার হ্রাস করার জন্য প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ প্রণীত হয়। এ আইনের ধারা- ৭, ৮ ও ৯ এ বাল্যবিবাহ করার শাস্তি, সংশ্লিষ্ট বাবা-মা ও অন্যান্যদের শাস্তি এবং বিয়ে সম্পাদন বা পরিচালনা করার শাস্তি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ধারা ৮ অনুযায়ী বাবা-মা বা অভিভাবক অথবা অন্য কোনো ব্যক্তি আইনত বা আইন-বর্হিভূতভাবে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে বা মেয়েকে বিয়ে দিলে বা বিয়ে দেওয়ার অনুমতি দিলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তি অনধিক ২ বছর ও অন্যূন ছয় মাস কারাদণ্ড বা পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন। এছাড়া বাল্যবিবাহ পরিচালনা করার জন্যও সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। উদ্দীপকের দিবার স্বামী ও অভিভাবকদের কার্যক্রম এ আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সার্বিক আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, বাল্যবিবাহের মতো সমস্যা সমাধানে ২০১৭ সালে প্রণীত আইনটি যুগোপযোগী ভূমিকা রাখতে পারে । এক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ ঘটানো জরুরি।
HSC Social Work 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 2nd Paper · সৃজনশীল
উক্ত ঘটনাটি নিরসনের জন্য যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে তা যথার্থ কিনা ব…
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর