গ্রামীণ আর্থসামাজিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের ভূমিকা আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের কাছে জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা পৌঁছানো, মহাজনের অত্যাচার থেকে দরিদ্র মানুষদের রক্ষা, ভূমিহীন মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের মনোভাব গড়ে তোলা এবং দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। গ্রামীণ ব্যাংকের জামানতবিহীন সাশ্রয়ী ঋণের কারণে অনেক দরিদ্র ব্যক্তির আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হয়েছে। সফলতার কারণে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ গ্রামে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও গ্রামীণ ব্যাংকের আয়বর্ধক কর্মকান্ড যেমন মৎস্য চাষ, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, সার-বীজ ক্রয়, হাস-মুরগি পালন, শাকসবজি চাষ, গরু-ছাগল পালন, নার্সারি ইত্যাদি প্রকল্পের জন্য প্রতিষ্ঠানটি ঋণদান করে, যা দরিদ্রদের কর্মে আত্মনিয়োগ করে। আবার বাংলাদেশের অনেক শিশু দারিদ্র্যের কারণে পড়াশোনা করতে পারে না। গ্রামীণ ব্যাংক তাদের শিক্ষা ঋণ দিয়ে থাকে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি ঋণ দিয়ে থাকে। আবার গ্রামীণ ব্যাংকের মূল টার্গেট গ্রুপ হচ্ছে নারী। নারীদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে। গ্রামীণ ব্যাংকের বৃত্তি কার্যক্রমের ৫০% নারীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।সুতরাং বলা যায়, গ্রামীণ ব্যাংক পল্লি জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।