উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে বলা যায়, জামিল বাংলাদেশের একটি এনজিও ইউসেপ (UCEP)-এ চাকরি করেন।
ইউসেপ নামের সাথে জড়িয়ে আছে সেবা এবং কল্যাণ বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নের এক নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা। বাংলাদেশের শহর এলাকায় বসবাসরত শ্রমজীবী কিশোর-কিশোরীদের ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে। উদ্দীপকেও প্রতিষ্ঠানটির এরূপ কার্যক্রমের একটি চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
জামিলের প্রতিষ্ঠানে ১০ থেকে বেশি বয়সের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। ঐ সকল ছেলেমেয়েরা সবাই শ্রমজীবি। প্রতিষ্ঠানটিতে শ্রমজীবী ছেলেমেয়েদেরকে পুনর্বাসনের জন্য নানা ধরনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির এ সকল কার্যক্রমই ইউসেপের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ইউসেপের লক্ষ্যভুক্ত শিশু-কিশোর-কিশোরীদের বেশিরভাগ গৃহভৃত্য, ফেরিওয়ালা, খবরের কাগজ বিক্রেতা, হোটেল বয়, রিক্সাচালক, কাঁচামাল বিক্রেতা, ওয়াকশপ হেলপার, জুতা পালিশকারী ইত্যাদি। ইউসেপ ও এসমস্ত ছেলেমেয়েদের প্রথমত ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষা প্রদান করে; তারপর তাদেরকে মেধা অনুযায়ী ইউসেপ পরিচালিত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়। সেখানে তারা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ লাভ করে এবং পরবর্তীতে ইউসেপের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ পায়। এভাবে প্রতিষ্ঠানটি শ্রমজীবি কিশোর-কিশোরীর ভাগ্য উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে।