উল্লিখিত শহর সমাজসেবা কর্মসূচি নির্দিষ্ট কিছু উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পরিচালিত হয়।উদ্দেশ্যগুলো হলো- প্রথমত, শহর এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র ও দুস্থদের সম্পদ, চাহিদা এবং প্রয়োজন চিহ্নিত করা এবং এ সম্পর্কে তাদের সচেতন করে তোলা। দ্বিতীয়ত, বৃত্তিমূলক নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া। তৃতীয়ত, দরিদ্র ও উদ্বাস্তু জনগণের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শহর এলাকায় জীবনযাত্রার সাথে সামঞ্জস্য বিধান করা। চতুর্থত, বহুবিধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। পঞ্চমত, প্রাথমিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করা ও এ সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা। ষষ্ঠত, সরকার ও জনগণের মাঝে দ্বিমুখী যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ব্যবধান দূর করা। সপ্তমত, শহরের দরিদ্র ও দুস্থদের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সরকারি সম্পদের সমন্বয় সাধন করে তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা। অষ্টমত, সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং সর্বোচ্চ সেবাদান নিশ্চিত করা। নবমত, শহরে আগত গ্রামীণ লোকদের পল্লি সমাজসেবা কর্মসূচির মাধ্যমে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা। দশমত, শহরে বসবাসরত দরিদ্রদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। একাদশতম, কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ। দ্বাদশতম, বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শহরের দরিদ্রদের সচেতন করে তোলা। ত্রয়োদশতম, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকল্পে নানামুখী কর্মসূচি পরিচালনা করা।সর্বোপরি বলতে হয়, সময়ের সাথে অবস্থানের প্রেক্ষিতে শহর সমাজসেবার উদ্দেশ্যের মধ্যে পরিবর্তন আনা হয়।