উদ্দীপকের সজীবের সংস্থার কার্যক্রমের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ হয়ে থাকে।সজীবের সংস্থার কার্যক্রম মূলত গ্রামের দরিদ্র, ভূমিহীন, কৃষক, বেকার ও দরিদ্র মহিলাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নমূরক কার্যক্রম। তাই এ কার্যক্রম সমষ্টি সমাজকর্মের পদ্ধতির মাধ্যমে সফল করা হয়।গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান ও দক্ষতার উন্নয়ন প্রভৃতি। এক্ষেত্রে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির প্রয়োগ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে একত্র করে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দল গঠনের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে নারীদের উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ, যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।আবার এসব গ্রামীণ সমাজসেবামূলক সংস্থায় সীমিত পরিসরে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতি দরিদ্র, অসহায়, বিধবা, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ ও সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যক্তি পর্যায়ে সমস্যার সমাধান করে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন করা হয়। মৌলিক পদ্ধতির পাশাপাশি সহায়ক পদ্ধতিগুলো এ সংস্থার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে গ্রামাঞ্চলে ফলপ্রসূ করে তোলে। গ্রামাঞ্চলের সমাজসেবা কার্যক্রমে কর্মরত বিভিন্ন শক্তি কাঠামো, প্রচার মাধ্যম, বিভিন্ন সংগঠন, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণে সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়াও 'কার্যক্রমকে সংগঠিত করতে সামাজিক প্রশাসন পদ্ধতি তথ্য সংগ্রহের কাজে সামাজিক গবেষণা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।