উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচিসমূহে সমাজকর্মের বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।
গ্রামীণ সমাজসেবা কার্যক্রমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং সার্বিক কল্যাণের লক্ষ্যে সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। গ্রামীণ সমাজসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রকল্পভুক্ত গ্রামে দল ও কর্মী দল গঠন করা হয়। এখানে কর্মী দল গঠনে ১৫-২০ জন সদস্য থাকে, যাতে মহিলারা প্রাধান্য পায়। অপরদিকে, বিভিন্ন ধরনের সংগঠন যেমন— মাদারস ক্লাব, শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, ভূমিহীন সমিতি প্রভৃতি সাংগঠনিক কাঠামো সৃষ্টির মাধ্যমে অসংগঠিত ও বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ জনগণকে সমষ্টি উন্নয়নকর্মী সংগঠিত করেন। কেননা সংগঠিত জনশক্তিই সমষ্টি উন্নয়নের পূর্বশর্ত ।
আবার, গ্রামীণ সমাজসেবা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে গ্রামীণ সমাজে কর্মরত বিভিন্ন শক্তি কাঠামো, প্রচারমাধ্যম। বিভিন্ন সংগঠন, বুদ্ধিজীবী শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করতে সামাজিক কার্যক্রম ও সামাজিক প্রশাসনকে সমষ্টি উন্নয়নকর্মী ব্যবহার করে থাকেন। উদ্দীপকের চেয়ারম্যানের গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচিসমূহে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে মৌল মানবিক চাহিদা পূরণ ও জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম প্রশাসন, 'সমাজকর্ম গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতির প্রয়োগের মাধ্যমে ! গ্রামের সমস্যা, সম্পদ ও হস্তক্ষেপের মাধ্যমে গ্রামীণ সমাজসেবা কার্যক্রমসফল করা সম্ভব।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচিতে সমষ্টি উন্নয়ন, সমাজকর্ম গবেষণা, সমাজকর্ম প্রশাসন ও সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।