উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত কর্মসূচি অর্থাৎ গ্রামীণ সমাজসেবা কার্যক্রম বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র ও অসুবিধাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ সাধন, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়নে গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচি যথাযথ ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিজস্ব সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। আবার এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক, বেকার, দরিদ্র মহিলাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপার্জনক্ষম করে তোলা যায়। বিভিন্ন সংগঠন সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির কাঠামো সুদৃঢ়করণ এবং কুটির শিল্পের প্রসারে সহায়তায় ভূমিকা পালন করতে পারে।
দেশের সক্ষম দম্পতিদের পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। সেই সাথে গ্রাম থেকে নিরক্ষরতা ও অজ্ঞতা দূরীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা, স্বাস্থ্য ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু, যুবক, মহিলা, প্রতিবন্ধী প্রভৃতির জন্য বাস্তবমুখী কর্মসূচি গ্রহণও গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচির অর্ন্তগত।
পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে গ্রামীণ সমাজসেবা এদেশের উন্নয়নে উপরে আলোচিত উপায়ে ভূমিকা পালন করে।