উদ্দীপকের অর্ক কিশোর অপরাধী হওয়ায় তাকে সংশোধনের জন্য উদ্দীপকের বিশেষ আদালত অর্ককে মুক্তি দিয়েছে।
১৯৭৪ সালের শিশু আইন, জাতীয় শিশু নীতিমালা, UNCRC— United Nations Convention on the Rights of the Child 4 আওতায় বাংলাদেশ সরকার জাতীয় কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করে। এ কেন্দ্রে কিশোর অপরাধীদের সেবা-যত্ন, খাদ্য সরবরাহ, আবাসন ও পোষাক-পরিচ্ছদ, চিকিৎসাসহ কারিগরি শিক্ষা, আচরণ সংশোধন, মানবিক উন্নয়ন এবং পরামর্শ প্রদানসহ নানাবিধ দায়িত্ব পালন করে। এক্ষেত্রে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের আওতাভুক্ত কিশোর আদালত কিশোর অপরাধীদের সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়।
উদ্দীপকের ১৫ বছর বয়সী অর্ক যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় অপরাধী। তাকে একটি বিশেষ আদালতে হাজির করা হলো। আদালত শর্তসাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেয়। মূলত এটিই কিশোর আদালত। বাংলাদেশের কিশোর-কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো তিনটি উপায়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মধ্যে কিশোর আদালত একটি। এ আদালত শিশু-কিশোরদের অপরাধ বিবেচনা করে তাদেরকে সংশোধনের প্রচেষ্টা চালায়। সংশোধনের জন্য তাদেরকে কল্যাণমূলক বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে। আর কোনো অপরাধে না জড়ানোর শর্তে তাদেরকে দ্রুত মুক্তি দিয়ে থাকে। এ কারণেই অর্ক যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় অপরাধী হওয়া সত্ত্বেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।