উক্ত আইনের ইতিবাচক দিকসমূহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের ইতিবাচক দিক অনেক বেশি। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন নারীকল্যাণমূলক একটি সামাজিক আইন। এ আইনের মাধ্যমে নারীর স্বাধীনতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নারী অধিকার রক্ষায় ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনেক বেশি ইতিবাচক। এ আইনের মাধ্যমে বিয়েতে মেয়েদের মতামত বিবেচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিয়ের বয়স নির্ধারণ করে দেওয়ার ফলে একদিকে বাল্যবিবাহ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ হয়েছে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ দণ্ডনীয়। ফলে এই আইনের মাধ্যমে বহুবিবাহকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। সালিশি বোর্ডের মাধ্যমে ৯০ দিনের সময় নিয়ে মীমাংসা করার ব্যবস্থা থাকায় সহসা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে না। ফলে পারিবারিক ভাঙন রোধে আইনটি ভূমিকা রাখে। এ আইনের মাধ্যমে নারীদের মর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিয়েকে একটি আইনি রূপ দেওয়া হয়েছে। স্বামীর জন্য স্ত্রীর ভরণপোষণ বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এ আইনের মাধ্যমে পিতৃহারা ছেলেমেয়েদের দাদার সম্পত্তির অধিকার লাভ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনটি নারীর সার্বিক কল্যাণে অনেক বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
HSC Social Work 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 2nd Paper · সৃজনশীল
উক্ত আইনের ইতিবাচক দিকসমূহ বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
নটরডেম কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর