শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।
উত্তর: শরীফার স্বামীর অপরাধ যৌতুক নিরোধ আইন-১৯৮০ এর লঙ্ঘন, যা একটি সামাজিক আইন। যৌতুক একটি সামাজিক কুপ্রথা। এটি নারী তথা সার্বিকভাবে সমাজের উন্নয়নের অন্তরায়। যৌতুক প্রথা নারী ও তার পরিবারকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করে। যৌতুক নিরোধ আইন- ১৯৮০ এর মাধ্যমে সামাজিকভাবে এ প্রথা বিলোপের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। আইনটিতে এদেশের নারীদের দীর্ঘদিনের চাওয়া-পাওয়ার প্রতিফলন ঘটেছে। তবে উদ্দীপকের শরীফার স্বামীর মতো অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে এ আইন না মানার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। শরীফার বাবা বিয়ের আগে তার হবু জামাতাকে একটি সাইকেল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অর্থাভাবে তিনি সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। শরিফার স্বামী এজন্য তাকে নির্যাতন করে। অথচ বাংলাদেশের ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনে এ ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি এর জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ঐ আইন অনুযায়ী বিয়েতে কোনো এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষকে কোনো মূল্যবান জামানত দেওয়া বা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া যৌতুক হিসেবে বিবেচিত হবে। কোনো ব্যক্তি যৌতুক দিলে অথবা নিলে অথবা নিতে সাহায্য করলে তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা আর্থিক জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। আইনটিতে আরও বলা হয়েছে এটি কার্যকর হওয়ার পর যৌতুক দেওয়া বা নেওয়া সংক্রান্ত প্রচলিত সব চুক্তি বাতিল হবে। তাই বলা যায়, শরীফার স্বামী ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনটি অমান্য করেছে।
HSC Social Work 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 2nd Paper · সৃজনশীল
শরিফার স্বামীর অপরাধ যে সামাজিক আইনের লঙ্ঘন তার পরিচয় দাও।
উদ্দীপক
Rajshahi · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর