ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও 'মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১' এর আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন মহিলা ও শিশুদের সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ এনে দিয়েছে। ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও এই আইনে দ্বিতীয় বিয়ে, বিবাহের বয়স, উত্তরাধিকার সম্পর্কিত ধারাগুলোও সুনির্দিষ্ট। তাছাড়া তালাক ব্যতীত অন্য কোনোভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কিত বিধানও এই আইনে বর্ণিত হয়েছে। আলোচ্য আইন অনুসারে প্রথম স্ত্রী বেঁচে থাকতে স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবে না। তবে প্রথম স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব, অপেক্ষাকৃত স্থায়ী মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতা, দাম্পত্য সম্পর্ক রক্ষায় ব্যর্থতা প্রভৃতি বিষয় বিবেচনায় সালিশি কাউন্সিল দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি দিতে পারে। আর অনুমতি ব্যতীত কোনো পুরুষ দ্বিতীয় বিবাহ করলে স্ত্রীর দেনমোহরের টাকা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করতে হবে। এজন্য এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। আলোচ্য আইনে মুসলিম ছেলে ও মেয়ের বিয়ের বয়স যথাক্রমে ১৮ ও ১৬ বছর। বর্তমানে আমাদের দেশে এ বয়স ২১ ও ১৮ বছর। আলোচ্য আইনে উত্তরাধিকার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এই আইনের পূর্বে মৃত পুত্রের সন্তানেরা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতো। বর্তমানে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকা অবস্থায় তার সন্তান মারা গেলে এবং মৃত ছেলে বা মেয়ের সন্তান থাকলে তারা প্রতিনিধিত্বের হারে সম্পত্তির অংশ পাবে। ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোতে উপর্যুক্ত ধারাসমূহ উল্লেখ করা হয়নি। যদিও এই সবগুলো ধারার সমন্বয়ে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অত্যন্ত কার্যকর একটি আইন হিসেবে আমাদের দেশে প্রচলিত রয়েছে।
HSC Social Work 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 2nd Paper · সৃজনশীল
ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোই কি শুধুমাত্র ঐ আইনের ধারা নাকি আরো ধারা আছে?…
Dhaka · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর