নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: নারী অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : সামাজিক কু-প্রথা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এ দেশে বহুবিবাহ তালাক ভরণপোষন, উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে বেশ অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা বিরাজমান ছিল। এই অবস্থা মোকাবিলায় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার নারী মর্যাদা রক্ষা, অধিকার আদায় এবং পারিবারিক সুখ-শান্তি ও শিশুদের উত্তরাধিকার প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৫৮ সালের ৮ ই অক্টোবর একটি অধ্যাদেশ জারি করেন। যা পরবর্তীতে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন নামে পরিচিত পায়। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের মাধ্যমে নারীরা তাদের অধিকার ফিরে পায়। বাংলাদেশ মুসলিম নারীদের স্বার্থরক্ষায় আইন নিরাপত্তাকবচ হিসেবে কাজ করে। এ আইন নারী ও শিশুদের সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ-সবিধা এনে দিয়েছেন। এ আইন প্রণয়ের আগে কোন স্বামী মুখে তালা উচ্চারণ করলে তালাক হয়ে যেত। তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী লিখিত প্রমাণ উপস্থাপনের ব্যর্থ হলে দেনমোহর এবং ভরণপোষণের খরচ থেকে বঞ্চিত হতো। কিন্তু এ আইনে বিবাহ রেজিস্টির বিধান রাখার ফলে নারীর আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা লাভের সুযোগ এনে দিয়েছে। এবং স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করা এবং স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এটি নারীদের স্বার্থরক্ষার ক্ষেত্রে একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। তাছাড়া ছেলেমেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধারণসহ পিতৃহীন এতিম ছেলে মেয়েদের স্বার্থরক্ষার জন্য এই আইন কার্যক্রম ভূমিকা পালন করে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লেখিত ছকের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের কল্যাণে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন সেভগার্ড হিসেবে পরিচিত।
HSC Social Work 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Social Work 2nd Paper · সৃজনশীল
নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনের গুরুত্ব ব…
Dhaka · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর