উদ্দীপকে উল্লিখিত শারমিনকে মাঠকর্ম প্রশিক্ষণের জন্য আগারগাঁও-এ অবস্থিত প্রবীণ নিবাসে পাঠানো হয়। সেখানে সে মাঠকর্ম অনুশীলন করতে গিয়ে বেশকিছু নীতি মেনে চলে। যেমন- অংশগ্রহণের নীতি, আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার নীতি, আত্মসচেতন নীতি ও ক্লায়েন্টের মর্যাদার নীতি। এ নীতিগুলো ছাড়াও প্রবীণ নিবাসে শারমিন আরও কিছু নীতি অনুসরণ করতে পারে। এগুলো হলো— পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন নীতি, গোপনীয়তা নীতি, যোগাযোগ নীতি, সকলের সমসুবিধার নীতি প্রভৃতি। সমাজকর্মের ক্ষেত্রে কার্যকরী সাহায্য নির্ভর করে সমাজকর্মী ও সাহায্যার্থীর সাথে পেশাগত সম্পর্কের ওপর। এ সম্পর্ক স্থাপন নীতি মাঠকর্মীকেও অনুসরণ করতে হয়। আর সম্পর্ক স্থাপনের জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু যোগাযোগ নীতি অনুশীলন। এ যোগাযোগ যত শক্তিশালী বা কার্যকর হবে সমস্যার সমাধান প্রক্রিয়া ততই সহজতর হবে। মাঠকর্মী যাদের নিয়ে মাঠে কাজ করবেন, তাদের যাবতীয় তথ্য গোপন রাখাও মাঠকর্মের অন্যতম একটি নীতি। এছাড়াও মাঠকর্মী বা শিক্ষার্থী তার সকল ক্লায়েন্টকে সমান চোখে দেখে। এর ব্যতিক্রম হলে সেবাদান প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত শারমিন একজন মাঠকর্মী হিসেবে উপরিউক্ত সবগুলো নীতিমালাই অনুসরণ করবে।
সুতরাং বলা যায় যে, শারমিন প্রবীণ নিবাসে পূর্বে আলোচিত সব নীতিমালাই প্রয়োগ করতে পারে।